মিশরের জনতা বোতলে করে সাগরের ঢেউয়ে খাদ্য ভাসিয়ে দিচ্ছে, যেন আল্লাহর ইচ্ছায় সাগরের ঢেউ এই খাবার গা.জাবাসীর কাছে পৌঁছে দেয়।
তারা এই চিন্তা কোত্থেকে পেল সেটা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও এরকম একটি চমৎকার ঘটনা ঘটেছিল "বনি ইসরা.য়েলের" সময়ে। রাসুল ﷺ সেই ঘটনা নিজে সাহাবায়ে কেরামকে শুনিয়েছিলেন।
চলুন তাহলে সেই ঘটনা জেনে নেয়া যাক।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে থেকে বর্ণিতঃ
❝আল্লাহর রাসুল ﷺ বলেছেন, বনী ইসরাঈলের কোন এক ব্যক্তি বনী ইসরাঈলের অপর এক ব্যক্তির নিকট এক হাজার দীনার ঋণ চাইল। তখন সে (ঋণদাতা) বলল, কয়েকজন সাক্ষী আন, আমি তাদেরকে সাক্ষী রাখব। সে বলল, সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট। তারপর (ঋণদাতা) বলল, তা হলে একজন যামিনদার উপস্থিত কর। সে বলল, যামিনদার হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট। ঋণদাতা বলল, তুমি সত্যই বলেছ। এরপর নির্ধারিত সময়ে তাকে এক হাজার দীনার দিয়ে দিল। তারপর ঋণ গ্রহীতা সামুদ্রিক সফর করল এবং তার প্রয়োজন সমাধা করে সে যানবাহন খুঁজতে লাগল, যাতে সে নির্ধারিত সময়ের ভেতর ঋণদাতার কাছে এসে পৌঁছতে পারে। কিন্তু সে কোন যানবাহন পেল না। তখন সে এক টুকরো কাঠ নিয়ে তা ছিদ্র করল এবং ঋণদাতার নামে একখানা পত্র ও এক হাজার দীনার তার মধ্যে ভরে ছিদ্রটি বন্ধ করে সমুদ্র তীরে এসে বলল, হে আল্লাহ! তুমি তো জান আমি অমুকের নিকট এক হাজার দীনার ঋণ চাইলে সে আমার কাছে যামিনদার চেয়েছিল। আমি বলেছিলাম, আল্লাহই যামিন হিসাবে যথেষ্ট। এতে সে রাজী হয়। তারপর সে আমার কাছে সাক্ষী চেয়েছিল, আমি বলেছিলাম সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট, তাতে সে রাজী হয়ে যায়। আমি তার ঋণ (যথাসময়ে) পরিশোধের উদ্দেশ্যে যানবাহনের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি, কিন্তু পাইনি। তাই আমি তোমার নিকট সোপর্দ করলাম, এই বলে সে কাষ্ঠখন্ডটি সমুদ্রে নিক্ষেপ করল। আর কাষ্ঠখন্ডটি সমুদ্রে প্রবেশ করল। অতঃপর লোকটি ফিরে গেল এবং নিজের শহরে যাওয়ার জন্য যানবাহন খুঁজতে লাগল। ওদিকে ঋণদাতা এই আশায় সমুদ্রতীরে গেল যে, হয়ত বা ঋণগ্রহীতা কোন নৌযানে করে তার মাল নিয়ে এসেছে। তার দৃষ্টি কাষ্ঠখন্ডটির উপর পড়ল, যার ভিতরে মাল ছিল। সে কাষ্ঠখন্ডটি তার পরিবারের জ্বালানীর জন্য বাড়ী নিয়ে গেল। যখন সে তা চিরল, তখন সে মাল ও পত্রটি পেয়ে গেল। কিছুদিন পর ঋণগ্রহীতা এক হাজার দীনার নিয়ে এসে হাযির হল এবং বলল, আল্লাহর কসম! আমি আপনার মাল যথাসময়ে পৌঁছিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে সব সময় যানবাহনের খোঁজে ছিলাম। কিন্তু আমি যে নৌযানে এখন আসলাম, তার আগে আর কোন নৌযান পাইনি। ঋণদাতা বলল, তুমি কি আমার নিকট কিছু পাঠিয়েছিলে? ঋণগ্রহীতা বলল, আমি তো তোমাকে বললামই যে, এর আগে আর কোন নৌযান আমি পাইনি। সে বলল, তুমি কাঠের টুকরোর ভিতরে যা পাঠিয়েছিলে, তা আল্লাহ তোমার পক্ষ হতে আমাকে আদায় করে দিয়েছেন। তখন সে আনন্দচিত্তে এক হাজার দীনার নিয়ে ফিরে চলে গেল।❞ (সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২২৯১)
আমার ধারণা বনি ইসরায়েলের সেই ঘটনা মিশরের এই মানুষগুলোকে সাগরে খাদ্য ভাসিয়ে গা.জায় পাঠানোর ব্যাপারে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
ইজেক্ট করলে বাঁচতে পারতেন। একটা বোতাম টিপলেই তিনি আবার বাড়ি ফিরতে পারতেন। কিন্তু Flight Lieutenant Towkir ফিরলেন না।তিনি থেকে গেলেন, শেষ মুহূর্ত অবধি ...জীবনের চেয়েও বড় কিছু রক্ষা করতে। একটা পুরনো F-7,যেটা আকাশে থাকার কথা না ২০২৫ সালে। দুর্নীতির প্রতীক হিসাবে উড়ছে, কারণ দুর্নীতি আকাশ ছুঁয়েছে । ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির আকাশে মারা যাননি। তিনি মরে গিয়েছিলেন আরও আগে, যখন বাজেট চুরি হয়েছিল।যখন ১৯৭৬ সালের বিমান দিয়ে আজও ট্রেনিং করানো হচ্ছিল। তাঁকে বাঁচার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সিস্টেম তাঁর জন্য কিছু রাখেনি শুধু ঝুঁকি আর পুরনো লোহা ছাড়া
এই দুর্ঘটনা না। এটা অন্যায়। এটা খুন।
আজ শুধু একজন পাইলট না, নিচে থাকা নিষ্পাপ শিক্ষার্থীরাও জীবন হারিয়েছে।এই মৃত্যু দুর্ঘটনা নয়। এটা ব্যর্থতা। এটা দুর্নীতি। এটা বিশ্বাসঘাতকতা।
ছবিটার দিকে তাকান... পেট পিঠে লেগে গেছে ছেলেটার।কতটা তীব্র ক্ষুধা, কতটা অসহ্য অভাবের কাছে হার মেনে সে বের হয়েছিল সামান্য কিছু খাবারের আশায়।
নিশ্চয়ই এই ক্ষুধার্ত পেট একদিন আখিরাতে সাক্ষী দেবে- যখন আমরা মার খাচ্ছিলাম, মরছিলাম;তখন উম্মাহর একাংশ ডুবে ছিল শিয়া-সুন্নি বিতর্কে,জায়েয না জায়েযের ফতোয়ার লড়াইয়ে।
আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।
দুইদিন আগে এমন একজন শহীদকে দেখেছিলাম আজ আবার একই দৃশ্য।গাজায় শুধু সংখ্যা পালটায় ,ঘটনা একই। মৃত্যু, ক্ষুধা, শোক। প্রতি মুহুর্তে কারো ঘর ভাঙে-কারো বুক ভাঙে ২২ জুন ২০২৫
ইরান জানে— তারা একা। জানে, এই যুদ্ধ কেবল যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে নয়, বরং হিজরায়েল, ব্রিটেন, ন্যাটো, পুরো পশ্চিমা সামরিক জোটের বিরুদ্ধে। জানে, চারপাশে মাথা নিচু করা আরব দালালদের ভিড়ে তার কোনো বন্ধু নেই।
তবুও ইরান দাঁড়িয়ে আছে। বুক চিতিয়ে, চোখে চোখ রেখে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে। কারণ, তারা বাঁচতে শিখেনি— মরতে শিখেছে। মরলেও মাথা নিচু করে নয়, মাথা উঁচু করেই। এটাই ইরান। এটাই প্রতিরোধ। এটাই ইতিহাসের পৃষ্ঠায় লেখা এক সাহসী জাতির নাম।
BRAIN-CANVAS
তোরা দেখে যা
আমিনা মায়ের কোলে,
মধু পূর্ণিমারই সেথা চাঁদ দোলে
যেন উষার কোলে রাঙা রবি দোলে...
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
BRAIN-CANVAS
এই আমে*রি-কা নামক দেশটা পুরো পৃথিবীর জন্য বিষাক্ত কীট যা ধীরে ধীরে পুরো পৃথিবীটাকে গিলে খাচ্ছে।
6 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
BRAIN-CANVAS
1 year ago | [YT] | 1
View 1 reply
BRAIN-CANVAS
পৃথিবীতে এত খাবার, তাও কেবল খাদ্যের অভাবে একটা পুরো গাজা জাতিকে মেরে ফেলা হচ্ছে! আহারে মানবাধিকার! 😭😭
1 year ago | [YT] | 4
View 0 replies
BRAIN-CANVAS
মিশরের জনতা বোতলে করে সাগরের ঢেউয়ে খাদ্য ভাসিয়ে দিচ্ছে, যেন আল্লাহর ইচ্ছায় সাগরের ঢেউ এই খাবার গা.জাবাসীর কাছে পৌঁছে দেয়।
তারা এই চিন্তা কোত্থেকে পেল সেটা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও এরকম একটি চমৎকার ঘটনা ঘটেছিল "বনি ইসরা.য়েলের" সময়ে। রাসুল ﷺ সেই ঘটনা নিজে সাহাবায়ে কেরামকে শুনিয়েছিলেন।
চলুন তাহলে সেই ঘটনা জেনে নেয়া যাক।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে থেকে বর্ণিতঃ
❝আল্লাহর রাসুল ﷺ বলেছেন, বনী ইসরাঈলের কোন এক ব্যক্তি বনী ইসরাঈলের অপর এক ব্যক্তির নিকট এক হাজার দীনার ঋণ চাইল। তখন সে (ঋণদাতা) বলল, কয়েকজন সাক্ষী আন, আমি তাদেরকে সাক্ষী রাখব। সে বলল, সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট। তারপর (ঋণদাতা) বলল, তা হলে একজন যামিনদার উপস্থিত কর। সে বলল, যামিনদার হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট। ঋণদাতা বলল, তুমি সত্যই বলেছ। এরপর নির্ধারিত সময়ে তাকে এক হাজার দীনার দিয়ে দিল। তারপর ঋণ গ্রহীতা সামুদ্রিক সফর করল এবং তার প্রয়োজন সমাধা করে সে যানবাহন খুঁজতে লাগল, যাতে সে নির্ধারিত সময়ের ভেতর ঋণদাতার কাছে এসে পৌঁছতে পারে। কিন্তু সে কোন যানবাহন পেল না। তখন সে এক টুকরো কাঠ নিয়ে তা ছিদ্র করল এবং ঋণদাতার নামে একখানা পত্র ও এক হাজার দীনার তার মধ্যে ভরে ছিদ্রটি বন্ধ করে সমুদ্র তীরে এসে বলল, হে আল্লাহ! তুমি তো জান আমি অমুকের নিকট এক হাজার দীনার ঋণ চাইলে সে আমার কাছে যামিনদার চেয়েছিল। আমি বলেছিলাম, আল্লাহই যামিন হিসাবে যথেষ্ট। এতে সে রাজী হয়। তারপর সে আমার কাছে সাক্ষী চেয়েছিল, আমি বলেছিলাম সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট, তাতে সে রাজী হয়ে যায়। আমি তার ঋণ (যথাসময়ে) পরিশোধের উদ্দেশ্যে যানবাহনের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি, কিন্তু পাইনি। তাই আমি তোমার নিকট সোপর্দ করলাম, এই বলে সে কাষ্ঠখন্ডটি সমুদ্রে নিক্ষেপ করল। আর কাষ্ঠখন্ডটি সমুদ্রে প্রবেশ করল। অতঃপর লোকটি ফিরে গেল এবং নিজের শহরে যাওয়ার জন্য যানবাহন খুঁজতে লাগল। ওদিকে ঋণদাতা এই আশায় সমুদ্রতীরে গেল যে, হয়ত বা ঋণগ্রহীতা কোন নৌযানে করে তার মাল নিয়ে এসেছে। তার দৃষ্টি কাষ্ঠখন্ডটির উপর পড়ল, যার ভিতরে মাল ছিল। সে কাষ্ঠখন্ডটি তার পরিবারের জ্বালানীর জন্য বাড়ী নিয়ে গেল। যখন সে তা চিরল, তখন সে মাল ও পত্রটি পেয়ে গেল। কিছুদিন পর ঋণগ্রহীতা এক হাজার দীনার নিয়ে এসে হাযির হল এবং বলল, আল্লাহর কসম! আমি আপনার মাল যথাসময়ে পৌঁছিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে সব সময় যানবাহনের খোঁজে ছিলাম। কিন্তু আমি যে নৌযানে এখন আসলাম, তার আগে আর কোন নৌযান পাইনি। ঋণদাতা বলল, তুমি কি আমার নিকট কিছু পাঠিয়েছিলে? ঋণগ্রহীতা বলল, আমি তো তোমাকে বললামই যে, এর আগে আর কোন নৌযান আমি পাইনি। সে বলল, তুমি কাঠের টুকরোর ভিতরে যা পাঠিয়েছিলে, তা আল্লাহ তোমার পক্ষ হতে আমাকে আদায় করে দিয়েছেন। তখন সে আনন্দচিত্তে এক হাজার দীনার নিয়ে ফিরে চলে গেল।❞
(সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২২৯১)
আমার ধারণা বনি ইসরায়েলের সেই ঘটনা মিশরের এই মানুষগুলোকে সাগরে খাদ্য ভাসিয়ে গা.জায় পাঠানোর ব্যাপারে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
আল্লাহু আলাম
— Masum Billah
1 year ago | [YT] | 8
View 0 replies
BRAIN-CANVAS
ইজেক্ট করলে বাঁচতে পারতেন।
একটা বোতাম টিপলেই তিনি আবার বাড়ি ফিরতে পারতেন। কিন্তু Flight Lieutenant Towkir ফিরলেন না।তিনি থেকে গেলেন, শেষ মুহূর্ত অবধি ...জীবনের চেয়েও বড় কিছু রক্ষা করতে।
একটা পুরনো F-7,যেটা আকাশে থাকার কথা না ২০২৫ সালে। দুর্নীতির প্রতীক হিসাবে উড়ছে, কারণ দুর্নীতি আকাশ ছুঁয়েছে ।
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির আকাশে মারা যাননি।
তিনি মরে গিয়েছিলেন আরও আগে, যখন বাজেট চুরি হয়েছিল।যখন ১৯৭৬ সালের বিমান দিয়ে আজও ট্রেনিং করানো হচ্ছিল।
তাঁকে বাঁচার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
সিস্টেম তাঁর জন্য কিছু রাখেনি শুধু ঝুঁকি আর পুরনো লোহা ছাড়া
এই দুর্ঘটনা না।
এটা অন্যায়।
এটা খুন।
আজ শুধু একজন পাইলট না,
নিচে থাকা নিষ্পাপ শিক্ষার্থীরাও জীবন হারিয়েছে।এই মৃত্যু দুর্ঘটনা নয়। এটা ব্যর্থতা। এটা দুর্নীতি। এটা বিশ্বাসঘাতকতা।
1 year ago | [YT] | 5
View 0 replies
BRAIN-CANVAS
একটা বাচ্চা সারা শরীরে ভয়ং*কর বার্ন নিয়ে পাগলের মত হেঁটে যাচ্ছে সামনে, হয়তো প্রচন্ড যন্ত্রণা নিয়ে মা বাবাকে খুঁজে ফিরছে, হয়তো কাঁদতেও পারছে না যন্ত্রণায়! আর আশেপাশে একদল বে*জন্মা শূ*য়োরের বাচ্চাটা ভিডিও করায় ব্যস্ত! বাচ্চাটাকে ধরার চেষ্টা পর্যন্ত করছে না মানুষরূপি কু*ত্তার বাচ্চাগুলা। ওদের দরকার ভিউ। লাইভ দূর্ঘটনার ভিউ, ভাইরাল ভিডিও। ডলারে কামাবে। ডলারে! আল্লাহ কেয়ামতের দিন এই ডলার আগুনে গলায়ে তাদের গলা দিয়ে ঢুকিয়ে দিবেন মন থেকে, অন্তর থেকে অভিশাপ দিলাম ওদের। অমা*নুষের বাচ্চারা।
©সাজ্জাদ সিয়াম
1 year ago | [YT] | 5
View 0 replies
BRAIN-CANVAS
ছবিটার দিকে তাকান...
পেট পিঠে লেগে গেছে ছেলেটার।কতটা তীব্র ক্ষুধা, কতটা অসহ্য অভাবের কাছে হার মেনে সে বের হয়েছিল সামান্য কিছু খাবারের আশায়।
নিশ্চয়ই এই ক্ষুধার্ত পেট একদিন আখিরাতে সাক্ষী দেবে-
যখন আমরা মার খাচ্ছিলাম, মরছিলাম;তখন উম্মাহর একাংশ ডুবে ছিল শিয়া-সুন্নি বিতর্কে,জায়েয না জায়েযের ফতোয়ার লড়াইয়ে।
আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।
দুইদিন আগে এমন একজন শহীদকে দেখেছিলাম আজ আবার একই দৃশ্য।গাজায় শুধু সংখ্যা পালটায় ,ঘটনা একই। মৃত্যু, ক্ষুধা, শোক। প্রতি মুহুর্তে কারো ঘর ভাঙে-কারো বুক ভাঙে
২২ জুন ২০২৫
1 year ago | [YT] | 5
View 1 reply
BRAIN-CANVAS
ইরান জানে— তারা একা।
জানে, এই যুদ্ধ কেবল যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে নয়, বরং হিজরায়েল, ব্রিটেন, ন্যাটো, পুরো পশ্চিমা সামরিক জোটের বিরুদ্ধে।
জানে, চারপাশে মাথা নিচু করা আরব দালালদের ভিড়ে তার কোনো বন্ধু নেই।
তবুও ইরান দাঁড়িয়ে আছে। বুক চিতিয়ে, চোখে চোখ রেখে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে।
কারণ, তারা বাঁচতে শিখেনি— মরতে শিখেছে। মরলেও মাথা নিচু করে নয়, মাথা উঁচু করেই।
এটাই ইরান। এটাই প্রতিরোধ।
এটাই ইতিহাসের পৃষ্ঠায় লেখা এক সাহসী জাতির নাম।
1 year ago | [YT] | 2
View 0 replies
BRAIN-CANVAS
এই জাতি যতদিন সিঙ্গারা,
আর বিরিয়ানির প্যাকেটের লোভ সামলাতে না পারবে ততদিন এই জাতির ভাগ্য পরিবর্তন হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই!!! মানুষ রূপে অমানুষ 🤬🤬
1 year ago | [YT] | 8
View 0 replies
Load more