Iran's Fars News Agency published a report a short while ago. The report says: Iran has shot down another US-developed MQ-1 drone over the Strait of Hormuz. The same report also says: It is the third such drone to be downed in the area today. This means Iran shot down three of America's prized MQ-1 drones in a single day. Each of these drones costs around 4 to 5 million dollars. That means America lost about 15 million dollars today. In Bangladeshi Taka, that is around 185 crore BDT. Since Iran is destroying these drones and attacking different places regularly, the question is: Why is America not attacking Iran? Geopolitics analyst Trita Parsi said yesterday on The Young Turks show: In trying to economically and militarily pressure Iran, America and its allies are now finding themselves on the receiving end of that very pressure. Especially after the Yemen Houthis took control of the Bab al-Mandab Strait, Trump has taken a harsh stand. Although America sent 100 military experts to Saudi Arabia, it is not attacking the Houthis. Brazilian journalist and geopolitics analyst Pepe Escobar was asked: Is Saudi Arabia getting help from anyone else? Pepe Escobar said on Mario's show: The Saudis are currently busy fixing their pipelines. Professor Marandi from Tehran University said today on the Dialogue Works show: It will take Saudi Arabia at least three to four weeks to repair the destroyed pipeline. He also said that in three to four weeks, the pipeline might operate at half capacity. It will take several months to become fully operational. That is why America is not attacking the Houthis in Yemen. Chicago University Professor Robert Pape said today: Iran is now in control of both straits. Professor Pape also said this means Iran now controls around 40 percent of the world's oil and gas supply. Because of this, oil and gas prices are rising fast in America. British Sky TV geopolitics analyst Professor Michael Clarke said: That’s why Trump has remained tight-lipped. Meanwhile, media outlets like Al Jazeera reported that Saudi Arabia asked Pakistan and Turkey for help under the Mecca Pact. But both countries refused, saying: This agreement only applies if a new conflict starts after the treaty was signed. Since the war between Saudi Arabia and Yemen has been going on for a long time, it does not apply here. Famous American geopolitics scholar Professor Mearsheimer asked today: The war with Iran also began before this agreement was made. He meant that this rule also applies to Iran. So who will help Saudi Arabia? In the end, Saudi Arabia is carrying out airstrikes against the Houthis alone. But will these airstrikes help? American military analyst Colonel McGregor said today: America itself could not do anything to Iran with airstrikes. How can Saudi Arabia win back lost land using only airstrikes? What Colonel McGregor forgot to mention is that America itself gave up last year after bombing Yemen for several months. So you can see the situation. By being a friend of America, Saudi Arabia is losing everything. Their oil business is closed, and their pipelines are destroyed. Oil prices are rising even inside Saudi Arabia. Even if they fix the pipeline in three or four weeks, how will they do business? The Bab al-Mandab Strait is closed, and Hormuz is closed too. They can only use the Suez Canal. But large oil tankers cannot pass through Suez because it is very narrow. Besides, the Houthis attacked a ship in Suez a few months ago, showing they have the power to do it. The biggest question is: even if Saudis fix the pipeline in a month or two, there is no guarantee it won't be attacked again. This means Saudi Arabia must accept Iran's conditions. A meeting was scheduled this week between Iran and other Arab nations. But Saudi Arabia refused, so it was canceled. It is believed Saudis did this following Trump's advice. They are still serving imperialist America. But how long can they do this? American Professor Robert Pape said: If Saudi Arabia does not change its ways right now, these royal families will not stay in power. He also said: Saudi Arabia might even break apart. Before World War I, three Saudi states on the Yemen border—Asir, Jizan, and Najran—were part of Yemen. Saudi Arabia and Yemen have a territory dispute over these areas since before 1934. Many analysts, including Professor Mearsheimer, think the Houthis might capture these three areas. However, my view is that the Houthis will strengthen their hold on the areas they already control. Whenever Saudi Arabia refuses to listen, they will attack Saudi oil fields with missiles and drones. You can see how much trouble the Saudis are in. Why? Because they serve imperialist America. Now in times of danger, America is not stepping up to help them. When America leaves this region—which will happen soon after the Iran war—it remains to be seen what happens to the royal families serving America.
🧵 1/12 Iran attacked 2 U.S. Navy warships. No U.S. counterattack. But today, America struck 3 Iranian oil tankers. The roles have reversed: Iran attacks first, America retaliates. Something has shifted.
2/12 Trump was asked: "Which country poses the biggest threat to America's trade?" His answer? Canada. Not China. Not Russia. America's closest ally. Think about that.
3/12 Prof. Richard Wolff called it: "The new phase of American imperialism." Translation: The U.S. empire is in decline. And declining empires get desperate.
4/12 Trump already posted a map of the Strait of Hormuz, claiming it as U.S. property. He's talked about making Canada the 51st state. Even claimed Lake Ontario. This isn't random — it's imperial panic.
5/12 Jeffrey Sachs said: "The world order built on lies is now unravelling." The post-WWII order, the 1991 unipolar moment — built on a facade of democracy & human rights.
6/12 Britain looted India. Belgium looted Congo. Netherlands looted Indonesia. They became rich through plunder. America did the same — just with a different packaging: "spreading democracy."
7/12 Afghanistan? Iraq? Venezuela? Same script: "freedom & human rights." But the real mission? Resources.
8/12 Iran was different. 1,000-year-old civilization. Deep scientific roots. America walked in thinking it would be easy. Instead, Iran is teaching them a lesson — daily.
9/12 Now the U.S. economy is struggling. So what's next? Canada? Greenland? Iceland? When empires weaken, they get greedy and reckless.
10/12 Look at Puerto Rico — occupied, no vote in U.S. elections. Yet America lectures the world on democracy. The hypocrisy is glaring.
11/12 Today Trump said: "We will attack Pickaxe Mountain soon." But just 3 months ago, he said the same thing. Empty threats. Declining power.
12/12 American glory began in Iraq (1991). Its decline began in Iran. What we're seeing now? The beginning of the end of the American Empire.
🇺🇸/🇮🇷 NEW: The missile that struck a wedding in Kuhestak, southern Iran, killing 5 civilians—including a child—and wounding 50 others, appears to be a U.S.-made ‘SLAM-ER’ (Standoff Land Attack Missile – Expanded Response).
Manufacturer Boeing markets this cruise missile as the “most accurate” weapon in the entire U.S. Navy inventory.
ডোনাল্ড ট্রাম্প কেন ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক হামলার সিদ্ধান্ত না নিয়ে অর্থনৈতিক মহাযুদ্ধ ঘোষণা দিয়েছেন? এতে চীন ও রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া কি? কেন ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তার দেশে নেওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে গেছেন ?
ভারত স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত ,আলু ,পিয়াজ ,কাঁচামরিচ ,ভোগ্য পণ্য বাদ দিয়ে বাংলাদেশকে কি দিয়েছে? ভবিষ্যতে ভারতের কি কি দেওয়ার সক্ষমতা আছে। এই বিষয়টি নিয়ে আমি অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন আপনাদের সাথে তথ্য শেয়ার করতে চাই। সম্মানিত ভাই বোন গণ ,আমেরিকার অহংকার আব্রাহাম লিংকন দেশে ফিরে যাচ্ছে কোন বিদেশি বন্দরে তারা অবস্থান নেয়নি বিশ্লেষকেরা মনে করছেন জাহাজের পরিস্থিতি এতই খারাপ যেকোন বিদেশি বন্দরে উপস্থিত হওয়ার মত অবস্থায় নেই। ইজ্জত বলতে তো একটা কথা আছে। মার্কিন সিন্যাটোর মার্ক ওয়ার্নার বলেছেন দয়া করে যুদ্ধ শেষ করতে হবে তা না হলে আমেরিকায় ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হবে তিনি কবে যুদ্ধ শেষ হবে তা জানতে চেয়েছেন। সম্মানিত ভাই বোন গণ, ইরানের ৮০ পার্সেন্ট তেল নেয় চীন । এখন প্রশ্ন হচ্ছে তারা কি আমেরিকার কথা শুনে ইরানের তেল নেওয়া বন্ধ করে দিবে ।ইরান গ্যাস পাঠায় তুরস্ক, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান ,ওমান , এবং পাকিস্তানের সাথে বছরে প্রায় 40 কোটি ডলারের বাণিজ্য করে ইরান ।রাশিয়ার সাথে প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য করে।
উপরোক্ত দেশগুলি কি ইরানের সাথে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে দিবে? ইরানকে কি এক ঘরে করে দেবে সবাই! আমেরিকার কথা শুনবে আপনাদের কি মনে হয় সবাইকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মত ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ দিবে। অনেক বিশ্লেষক দাবি করেন পাকিস্তান তুরস্ক রাশিয়া চীন ওমান আলজেরিয়া কেহই ইরানের সাথে ব্যবসা বন্ধ করবে না বন্ধ করলে তারা নিজেরাই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক বিপদে পড়বেন। ইরানের সাথে বাণিজ্য বন্ধ করলে তাদের দেশের জনগণের বিদ্যুৎ এবং কলকারখানা খাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। এমত অবস্থায় আমেরিকার কথা শুনে তাদের নিজের দেশের দুরবস্থা টেনে আনবে না সুতরাং ইরানের বিরুদ্ধে যে মহা অবরোধ করা হয়েছে তাতে আমেরিকার খুব একটা লাভ হবে না। আবার অনেক বিশ্লেষক বলছেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট যে ডি ভেন্স ডোনাল্ড ট্রাম্প কে বুদ্ধি দিয়ে পরমাণু হামলা থেকে সরিয়ে অর্থনৈতিক অবরোধের মাধ্যমে ইরানকে ধ্বংস করা সম্ভব এই এই ধরনের বুদ্ধি দেওয়ার কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবরোধ আরোপ করেছেন অপরদিকে ভাইসপ্রেটের প্রেসিডেন্ট কৌশলে যুদ্ধটা এড়াতে চাচ্ছেন।
আবার অনেক বিশ্লেষক বলছেন ইরানের হাতেও পরমাণু অস্ত্র আছে ।ইরান যদি আমেরিকায় সমভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তাহলে আমেরিকা বাসির কাছে বর্তমান সরকার কি জবাব দেবে ? এই কারণে আমেরিকা পরমাণু হামলা থেকে সরে এসেছেন । বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মত আপনারা কি মনে করেন। দখেলদার রাষ্ট্র ইসরাইল একাধারে ফিলিস্তিন পশ্চিম তীর লেবানন ইরান সিরিয়া তুরস্ক ও ইয়েমেনের সাথে যে বেয়াদবি করতেছে বেয়াদবি পূর্ণ আচরণ করতেছে। আন্তর্জাতিক নিয়ম মানছে না। আইন মানছে না ।এই সমস্ত দেশ যদি একজোট হয়ে প্রতি উত্তর বা পাল্টা আঘাত দেওয়া শুরু করে তাহলে দখলদার রাষ্ট্রের কি হবে?
তাদের রাষ্ট্র থাকবে কিনা এই বিষয়ে বিশ্লেষকদের নানান জল্পনা কল্পনা শুরু করেছেন। কি আছে ভাগ্যে দখলদার রাষ্ট্রের তা এখন দেখার অপেক্ষায় বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক। অনেক ইহুদী ধর্ম গুরু মনে করেন তালমুতের ব্যাখ্যা অনুযায়ী ইসরাইল রাষ্ট্র ৮০ বছরের বেশি স্থায়ী হওয়ার কথা না।
তাহলে কি ইসরাইল রাষ্ট্র সেদিকেই যাচ্ছে? নাকি দখলদার বাহিনীকে তাদের দরদী আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের দেশের ক্ষতি করে অর্থনৈতিক ক্ষতি করে নিজেদের দেশের মানুষকে কষ্ট দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রকে রক্ষা করেই যাবেন। সে সিদ্ধান্ত নেবে আমেরিকার জনগণ। আমেরিকার জনগণ বুঝতে শিখছে যে ইহুদি লবি তাদের দেশের স্বার্থের জন্য মঙ্গল না তাদের দেশের কোন কল্যাণ করে না ইহুদী লোভী আমেরিকার অর্থকে কৌশলে যুদ্ধের মাধ্যমে নিজেদের দেশের জন্য ব্যবহার করে । যার ফলে আমেরিকায় এখন খ্রিস্টান মুসলমান এক হয়ে এক কাতারে দাঁড়িয়ে সে ইহুদী লবি র বিপক্ষে অবস্থান করছে। আমাদের বাংলাদেশে বসে যারা ভারতের জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, শ্লোগানে ঘুমের মধ্যে দেন। যারা ভারতকে অন্নদাতা মনে করেন। তাদের জানা উচিত! আমেরিকা, আরব, পাকিস্তান ,চীন ,তুরস্ক, এমনকি ইউরোপের দেশ গুলিও ভারত সম্পর্কে তাদের মনে খারাপ ধারণা তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববাসী মনে করছে, ভারত চীনের কাছে প্রতিদিনই একটু, একটু, করে অরুণাচল প্রদেশের জমি হারাচ্ছে। সেই ভারত উজানের নদী বর্মপুত্র বাধ দিয়ে যদি জল উৎপাদন করে ।সেই জল যদি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চল দিনাজপুর পার্বতীপুর রংপুর হয়ে যায় । তাহলে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ একর আবাদি জমির ক্ষতিগ্রস্ত হবে ।কৃষকেরা উৎপাদন করতে পারবে না ।দেশে খাদ্য সংকট তৈরি হবে। বাংলাদেশে যাতে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে না পারে। শান্তিতে থাকতে না পারে ।এইজন্য স্বাধীনতা পরবর্তীতে বাংলাদেশের নদীগুলিকে বালুচর করার জন্য তারা ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশকে পানি বঞ্চিত করছেন ।
পদ্মা তিস্তা সহ অনেক নদীর উজানে বাদ দিয়ে বর্ষাকালে পানি ছেড়ে দেন।ফলে বন্যা হয় গ্রীষ্মকালে পানি দেন না ।মানুষের কষ্ট হয় কৃষকেরা আবাদ করতে পারেনা। জমি মরুভূমিতে পরিণত হয়।
এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্বাধীনতার পর থেকে এখনো ধারা অব্যাহত আছে। তাই আমি বাংলাদেশ সরকারের প্রধান কে বলবো ভারতের মিষ্টি কথায় ভুলবেন না ভারতের বাংলাদেশকে দেওয়ার মত কোন কিছুর সক্ষমতা নাই ।
কোন আধুনিক প্রযুক্তি নাই। তারা এখন পর্যন্ত ভালো কোন বিমান তৈরি করতে পারেনাই । বিমানের ইঞ্জিন বানাতে পারে নাই ।এখন পর্যন্ত ভালো কোন ড্রোন তাদের দেশে নাই । এখন পর্যন্ত মহাকাশ গবেষণায় তাদের কোন অবস্থান নাই।
এখন পর্যন্ত কিছু ভারতীয় অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটায়। বাড়িতে টয়লেট করার মত অবস্থাও তাদের নাই ।
রাস্তাঘাটে তারা পায়খানা করে পরিবেশ নষ্ট করে। সেই ভারত বাংলাদেশের জন্য গরু আলু কাঁচামরিচ পিঁয়াজ রসুন ও কিছু কসমেটিক ছাড়া আর ভাঙ্গাচুরা কিছু বাস আর ট্রেনের বোগি দেওয়ার সক্ষমতা ছাড়া অন্য কোন আধুনিক প্রযুক্তি বাংলাদেশকে দেওয়ার তাদের সক্ষমতা নাই । সুতরাং আমাদেরকে পাশে থাকতে হবে মুসলিম শক্তির সাথে। কারণ আমার নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলেছে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব ।বিচ্ছিন্ন যেন না হই। যারা মুশরিক তাদের সাথে যেন আমরা বন্ধুত্ব না করি । এই প্রসঙ্গে আমি বলবো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি ভারতের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তি করবেন না ভারতকে জলবিদ্যুৎ বাংলাদেশের উপর দিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোন পরিকল্পনা সম্মত হবেন না।
পৃথিবী এখন ইসরাইল ও ভারতের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এই দুই শক্তি এখন একা হয়ে পড়েছে তাদের মাথা কিছুই কাজ করছে না।
কি হচ্ছে পৃথিবীতে কেন তারা একা হচ্ছে আমি বলি খেলা কেবল শুরু আমরা পবিত্র মক্কা-মদিনার খাদেম। আমরা আমাদের লক্ষ্য একটা হওয়া উচিত বায়তুল মোকাদ্দাসের পবিত্রতা। #viralpost#vlog#newyork#indianbangles#probasibangali
ওয়াশিংটন, ৮ আগস্ট ২০২৬: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বড় নির্মাণ প্রকল্প এবার আইনি জটিলতায় পড়েছে। হোয়াইট হাউসের সামনে একটি নতুন বলরুম (বড় অনুষ্ঠানকক্ষ) নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু আমেরিকার একটি ফেডারেল আপিল আদালত জানিয়ে দিয়েছে, কংগ্রেসের (আমেরিকার পার্লামেন্ট) অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এককভাবে হোয়াইট হাউসের গঠন পরিবর্তন করতে পারেন না।
ঠিক কী নিয়ে বিতর্ক?
ট্রাম্প প্রশাসন হোয়াইট হাউসের পূর্ব দিকে একটি আধুনিক বলরুম নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল। তাদের দাবি, এটি শুধু অনুষ্ঠানের জন্য নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও জরুরি। নতুন এই নির্মাণে আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পুরনো স্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা হবে।
অন্যদিকে, প্রকল্পের বিরোধীরা বলছেন, হোয়াইট হাউস শুধু প্রেসিডেন্টের বাড়ি নয়—এটা আমেরিকার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক। তাই এখানে কোনো বড় পরিবর্তন আনতে হলে কংগ্রেসের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। তাঁদের মতে, প্রেসিডেন্ট যদি একাই এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে অন্য কোনো প্রেসিডেন্টও একই কাজ করতে পারবেন, যা সাংবিধানিক ভারসাম্য নষ্ট করবে।
আদালত কী বলল?
আদালতের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকরা স্পষ্ট বলেছেন, "প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের মালিক নন, তিনি সেখানে সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালন করেন।" তাই তিনি চাইলে হোয়াইট হাউসের বড় অংশ ভেঙে নতুন কিছু তৈরি করার একক ক্ষমতা রাখেন না। ইতিহাসেও এমন কোনো নজির নেই, যেখানে কোনো প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে হোয়াইট হাউসে বড় ধরনের নির্মাণ করেছেন।
তবে আদালত নির্মাণ কাজ তাৎক্ষণিক বন্ধ করেনি। তাঁরা প্রশাসনকে সুপ্রিম কোর্টে (আমেরিকার সর্বোচ্চ আদালত) আপিল করার সময় দিয়েছেন। তাই কাজ আপাতত চললেও, এর ভবিষ্যত এখন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কী?
রায় প্রকাশের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এই প্রকল্প জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত এবং আদালতের সিদ্ধান্ত ভুল। তিনি আশা করছেন, সুপ্রিম কোর্ট এই রায় বাতিল করবে। তাঁর সমর্থকরা বলছেন, আদালত নির্বাহী সিদ্ধান্তে অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করছে এবং আধুনিক নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারছে না।
আরও বিতর্ক কোথায়?
শুধু নির্মাণই নয়, এই প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শুরুতে বলা হয়েছিল জনগণের টাকা খরচ না করেই এটি করা হবে। কিন্তু পরে জানা গেছে, সরকারি তহবিল এবং বড় বড় ব্যবসায়ী ও ধনী ব্যক্তিদের অনুদানও নেওয়া হচ্ছে। এতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাগুলো।
কেন এই রায় গুরুত্বপূর্ণ?
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মামলা শুধু একটি বলরুম নির্মাণের প্রশ্ন নয়—এটা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা নিয়ে একটি বড় সাংবিধানিক লড়াই। সুপ্রিম কোর্ট যদি এই মামলা শুনানি করে, তাহলে তাদের রায় নির্ধারণ করবে, ভবিষ্যতে কোনো প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া কতদূর পর্যন্ত নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারবেন।
এক নজরে মূল বিষয়:
· কী হয়েছে? হোয়াইট হাউসে নতুন বলরুম তৈরির প্রকল্প আদালতে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। · আদালত কী বলেছে? কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট একা এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। · এখন কী হবে? প্রশাসন সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবে। তার ওপরই নির্ভর করছে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ। · কেন এত গুরুত্ব? এই রায় ভবিষ্যতে আমেরিকার প্রেসিডেন্টদের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করবে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, ট্রাম্পের এই বলরুম প্রকল্প এখন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষায়। এটা শুধু একটি ভবন নির্মাণের লড়াই নয়, বরং প্রেসিডেন্ট, কংগ্রেস ও আদালতের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে একটি ঐতিহাসিক সাংবিধানিক দ্বন্দ্ব। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ, আইনজীবী—সবার নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের দিকে।
ইরান-ইউক্রেন সংঘাত ও সম্ভাব্য বড় হামলা: ইউক্রেন থেকে ইরানের একটি অস্ত্রবোঝাই জাহাজে হামলা চালানো হয় এবং এতে ইরানের একজন ক্রু নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন。 এর জবাবে ইরান তাদের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে ইউক্রেনকে কঠোর পরিণতি ও বড় ধরনের হামলার মুখোমুখি হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যেটিতে রাশিয়ারও গ্রিন সিগন্যাল রয়েছে。
সৌদি আরবের তেল ক্ষেত্রে ও পাইপলাইনে হুথি হামলা: ইরাক ও ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ হুথি বাহিনী সমর্থিত মিলিশিয়ারা সৌদি আরবের জিজান শহরের আরামকো তেল শোধনাগার এবং পূর্বাঞ্চলীয় ইয়ানবু বন্দর ও তেল পাইপলাইনে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছে。 এর ফলে সৌদি আরবের তেল অবকাঠামোয় ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে এবং বিশ্ববাজারে তেলের সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে。
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি: ট্রাম্প দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভালো কিছু আশা করা যাচ্ছে। তবে ইরান জানিয়েছে যে তারা আমেরিকার সাথে কোনো সরাসরি যোগাযোগ করেনি এবং কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আমেরিকা যুদ্ধবিরতি চাইলেও ইরান তা প্রত্যাখ্যান করেছে。
ইসরাইলের কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ইসরাইলের সিদ্রত (বা সেদ্রত) শহরে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে চারদিকে বিষাক্ত কেমিক্যাল ছড়িয়ে পড়েছে এবং ইসরাইল বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে。
মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত ও সামরিক ক্ষয়ক্ষতি: ইরাকে আমেরিকা ও তাদের মিত্রদের একটি লোকাস ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরানপন্থী মিলিশিয়ারা। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সেনাদের হতাহতের সংখ্যা লুকানোর চেষ্টা করা হলেও ইরানের হামলায় আমেরিকার ঘাঁটি ও সামরিক সক্ষমতার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে ইরানি গণমাধ্যমের গ্রাফিক্সে প্রকাশ করা হয়েছে।
ইরানের নতুন সামরিক প্রস্তুতি ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আইআরজিসিকে 'আয়রন' নামক বিশেষ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন। পাশাপাশি, ইরানের 'কারার' ড্রোনগুলোতে 'মাজেদ' ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হয়েছে, যা তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছ
মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার শোচনীয় পরাজয়, ইরানের পরাশক্তি হয়ে ওঠা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরের গোপন বিদ্রোহ।
বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম। আজকে এমন একটি বিস্ফোরক ও রোমাঞ্চকর খবর নিয়ে কথা বলব, যা শুনলে আপনাদের পায়ের নিচের মাটি সরে যাবে! আপনারা অনেকেই জানেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে একেবারে ধুলিস্মাদ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু পর্দার আড়ালে আসলে কী ঘটছে? সিএনএন এবং ইরানের তাসনিম নিউজের রিপোর্ট বলছে—আমেরিকা আজ পরাস্ত, দিশেহারা এবং তাদের যুদ্ধাস্ত্র প্রায় শেষের পথে! হোয়াইট হাউসের ভেতরেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন খোদ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং জেনারেল কেইন। চলুন, আজ একাত্তরের এই রুদ্ধদ্বার রাজনীতির পেছনের চাঞ্চল্যকর সত্য উন্মোচন করি।
হরমুজ প্রণালী ও মার্কিন ঘাঁটির করুণ পরিণতি
আপনারা কি জানেন মধ্যপ্রাচ্যে কী চলছে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেবেছিল ইরানকে চোখের পলকে গুঁড়িয়ে দেবে। কিন্তু গত ৮ জুলাই থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর হামলায় আমেরিকার কী অবস্থা হয়েছে একবার ভেবে দেখুন!
জর্ডান, কুয়েত, বাহরিন ও কাতার—এই দেশগুলোতে আমেরিকার যে বিশাল সামরিক ঘাঁটিগুলো ছিল, স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে সেগুলোকে একেবারে সমতল বা ধুলিস্মাৎ করে দেওয়া হয়েছে!
আইআরজিসির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকার প্রায় ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, যার মধ্যে একটি এফ-১৫ ফাইটার জেট এবং একটি পি-৮ মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফটও রয়েছে।
সিএনএন-এর শো-তেও এই ধ্বংসযজ্ঞের লজ্জাজনক চিত্র প্রচার করা হয়েছে, যা দেখে খোদ আমেরিকার মিত্ররাও এখন ভয়ে কাঁপছে।
আমেরিকা যে আধুনিক ইন্টারসেপ্টর বা প্যাট্রিয়ট মিসাইল দিয়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাবে, সেই অস্ত্র ভাণ্ডারও এখন প্রায় শূন্য! ইরানের নতুন ও অত্যাধুনিক মিসাইলগুলোর গতিপথ এতটাই ভয়ঙ্কর যে মার্কিন ডিফেন্স সিস্টেম তা ট্র্যাক করতেই ব্যর্থ হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসে গৃহযুদ্ধ: ট্রাম্প বনাম নিজস্ব জেনারেলরা
এই শোচনীয় পরিস্থিতির পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে। হোয়াইট হাউসের ভেতরেই শুরু হয়েছে তীব্র কোন্দল।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং শীর্ষ সামরিক জেনারেল কেন পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকার এই মুহূর্তে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া এক চরম নির্বুদ্ধিতা ও আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে।
তাদের মতে, আমেরিকার হাতে আর সাধারণ বা কনভেনশনাল অস্ত্র অবশিষ্ট নেই। যদি যুদ্ধ থামাতে না হয়, তবে একমাত্র পথ হলো পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করা। কিন্তু পরমাণু বোমা ফেললে তা সরাসরি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করবে, যেখানে চীন ও রাশিয়া হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।
এদিকে চীনের ওপরও চাপ তৈরি হচ্ছে। কারণ হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরে হুতিদের হামলায় তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চীন ভীষণ ক্ষুব্ধ। চীন পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, এই অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধ তাদের বাণিজ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
ফলে একদিকে চীন ও রাশিয়ার কড়া চাপ, অন্যদিকে খোদ নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টের তীব্র বিরোধিতায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প। বাধ্য হয়ে কাতার ও পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির বা সিজফায়ারের প্রস্তাব পাঠাতে বাধ্য হয়েছে আমেরিকা।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার পালাবদল ও ইয়েমেনের হুংকার
বন্ধুরা, খেলা এখানেই শেষ নয়! আমেরিকা যখন পিছু হটছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যে ইয়েমেনের হুথিরা সৌদি আরবের আরামকো তেল ডিপোতে একের পর এক বিধ্বংসী ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সৌদি আরবের জিজান ও ইয়ানবু শহরের তেল ক্ষেত্রগুলো দাউদাউ করে জ্বলছে।
ইরানের সুনিপুণ রণকৌশল আজ সফল হয়েছে। গালফ বা উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আমেরিকাকে পুরোপুরি বিতাড়িত করে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করাই ছিল ইরানের মূল লক্ষ্য, এবং তারা সেটাই করে দেখাচ্ছে। আমেরিকার যে গর্ব ছিল তাদের বিশাল সামরিক শক্তি, তা আজ মধ্যপ্রাচ্যের বালিতে লুটিয়ে পড়েছে। ট্রাম্প এখন মুখরক্ষা করার জন্য হন্যে হয়ে পথ খুঁজছেন।
আগামী দিনের হুমকি
ইরানে শোচনীয়ভাবে মার খাওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন এখন নতুন কোনো সস্তা জনপ্রিয়তার ফন্দি আঁটছে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। গুঞ্জন রয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে পিছু হটে ট্রাম্প এবার নিজের নাকের ডগায় থাকা ছোট্ট ও দরিদ্র দেশ কিউবার ওপর হামলার পরিকল্পনা করতে পারেন। ভেনেজুয়েলার মতো কিউবা আক্রমণ করে আমেরিকানদের চোখে ধুলো দিয়ে ট্রাম্প হয়তো নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে চাইবেন।
তবে এতে একটি বিষয় পানির মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে—বিশ্বের যেকোনো শক্তিশালী পরাশক্তি হোক না কেন, অন্যায়ের পথ ধরে চিরকাল রাজত্ব করা যায় না। ইরানের অদম্য সাহস এবং আমেরিকার ভেতরের এই চরম ফাটল আধুনিক বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাস বদলে দিচ্ছে।
aladdin news
Iran's Fars News Agency published a report a short while ago. The report says:
Iran has shot down another US-developed MQ-1 drone over the Strait of Hormuz.
The same report also says:
It is the third such drone to be downed in the area today.
This means Iran shot down three of America's prized MQ-1 drones in a single day. Each of these drones costs around 4 to 5 million dollars. That means America lost about 15 million dollars today. In Bangladeshi Taka, that is around 185 crore BDT.
Since Iran is destroying these drones and attacking different places regularly, the question is: Why is America not attacking Iran?
Geopolitics analyst Trita Parsi said yesterday on The Young Turks show:
In trying to economically and militarily pressure Iran, America and its allies are now finding themselves on the receiving end of that very pressure.
Especially after the Yemen Houthis took control of the Bab al-Mandab Strait, Trump has taken a harsh stand. Although America sent 100 military experts to Saudi Arabia, it is not attacking the Houthis.
Brazilian journalist and geopolitics analyst Pepe Escobar was asked: Is Saudi Arabia getting help from anyone else?
Pepe Escobar said on Mario's show:
The Saudis are currently busy fixing their pipelines.
Professor Marandi from Tehran University said today on the Dialogue Works show:
It will take Saudi Arabia at least three to four weeks to repair the destroyed pipeline.
He also said that in three to four weeks, the pipeline might operate at half capacity. It will take several months to become fully operational. That is why America is not attacking the Houthis in Yemen.
Chicago University Professor Robert Pape said today:
Iran is now in control of both straits.
Professor Pape also said this means Iran now controls around 40 percent of the world's oil and gas supply. Because of this, oil and gas prices are rising fast in America.
British Sky TV geopolitics analyst Professor Michael Clarke said:
That’s why Trump has remained tight-lipped.
Meanwhile, media outlets like Al Jazeera reported that Saudi Arabia asked Pakistan and Turkey for help under the Mecca Pact. But both countries refused, saying:
This agreement only applies if a new conflict starts after the treaty was signed.
Since the war between Saudi Arabia and Yemen has been going on for a long time, it does not apply here.
Famous American geopolitics scholar Professor Mearsheimer asked today:
The war with Iran also began before this agreement was made.
He meant that this rule also applies to Iran. So who will help Saudi Arabia? In the end, Saudi Arabia is carrying out airstrikes against the Houthis alone. But will these airstrikes help?
American military analyst Colonel McGregor said today:
America itself could not do anything to Iran with airstrikes. How can Saudi Arabia win back lost land using only airstrikes?
What Colonel McGregor forgot to mention is that America itself gave up last year after bombing Yemen for several months.
So you can see the situation. By being a friend of America, Saudi Arabia is losing everything. Their oil business is closed, and their pipelines are destroyed. Oil prices are rising even inside Saudi Arabia. Even if they fix the pipeline in three or four weeks, how will they do business?
The Bab al-Mandab Strait is closed, and Hormuz is closed too. They can only use the Suez Canal. But large oil tankers cannot pass through Suez because it is very narrow. Besides, the Houthis attacked a ship in Suez a few months ago, showing they have the power to do it.
The biggest question is: even if Saudis fix the pipeline in a month or two, there is no guarantee it won't be attacked again. This means Saudi Arabia must accept Iran's conditions.
A meeting was scheduled this week between Iran and other Arab nations. But Saudi Arabia refused, so it was canceled. It is believed Saudis did this following Trump's advice. They are still serving imperialist America. But how long can they do this?
American Professor Robert Pape said:
If Saudi Arabia does not change its ways right now, these royal families will not stay in power.
He also said:
Saudi Arabia might even break apart.
Before World War I, three Saudi states on the Yemen border—Asir, Jizan, and Najran—were part of Yemen. Saudi Arabia and Yemen have a territory dispute over these areas since before 1934.
Many analysts, including Professor Mearsheimer, think the Houthis might capture these three areas. However, my view is that the Houthis will strengthen their hold on the areas they already control. Whenever Saudi Arabia refuses to listen, they will attack Saudi oil fields with missiles and drones.
You can see how much trouble the Saudis are in. Why? Because they serve imperialist America. Now in times of danger, America is not stepping up to help them. When America leaves this region—which will happen soon after the Iran war—it remains to be seen what happens to the royal families serving America.
2 weeks ago | [YT] | 1
View 0 replies
aladdin news
America-Iran & The New Phase of U.S. Imperialism:
🧵 1/12
Iran attacked 2 U.S. Navy warships. No U.S. counterattack.
But today, America struck 3 Iranian oil tankers.
The roles have reversed: Iran attacks first, America retaliates. Something has shifted.
2/12
Trump was asked: "Which country poses the biggest threat to America's trade?"
His answer? Canada.
Not China. Not Russia. America's closest ally.
Think about that.
3/12
Prof. Richard Wolff called it:
"The new phase of American imperialism."
Translation: The U.S. empire is in decline.
And declining empires get desperate.
4/12
Trump already posted a map of the Strait of Hormuz, claiming it as U.S. property.
He's talked about making Canada the 51st state.
Even claimed Lake Ontario.
This isn't random — it's imperial panic.
5/12
Jeffrey Sachs said:
"The world order built on lies is now unravelling."
The post-WWII order, the 1991 unipolar moment — built on a facade of democracy & human rights.
6/12
Britain looted India.
Belgium looted Congo.
Netherlands looted Indonesia.
They became rich through plunder.
America did the same — just with a different packaging: "spreading democracy."
7/12
Afghanistan? Iraq? Venezuela?
Same script: "freedom & human rights."
But the real mission? Resources.
8/12
Iran was different.
1,000-year-old civilization. Deep scientific roots.
America walked in thinking it would be easy.
Instead, Iran is teaching them a lesson — daily.
9/12
Now the U.S. economy is struggling.
So what's next?
Canada? Greenland? Iceland?
When empires weaken, they get greedy and reckless.
10/12
Look at Puerto Rico — occupied, no vote in U.S. elections.
Yet America lectures the world on democracy.
The hypocrisy is glaring.
11/12
Today Trump said: "We will attack Pickaxe Mountain soon."
But just 3 months ago, he said the same thing.
Empty threats. Declining power.
12/12
American glory began in Iraq (1991).
Its decline began in Iran.
What we're seeing now?
The beginning of the end of the American Empire.
#Iran #USA #Trump #Imperialism #Geopolitics #DeclineOfEmpire
3 weeks ago | [YT] | 0
View 0 replies
aladdin news
🇺🇸/🇮🇷 NEW: The missile that struck a wedding in Kuhestak, southern Iran, killing 5 civilians—including a child—and wounding 50 others, appears to be a U.S.-made ‘SLAM-ER’ (Standoff Land Attack Missile – Expanded Response).
Manufacturer Boeing markets this cruise missile as the “most accurate” weapon in the entire U.S. Navy inventory.
3 weeks ago | [YT] | 0
View 0 replies
aladdin news
ইউএস বলছে কানাডার সঙ্গে তাদের ‘বাণিজ্যযুদ্ধ’ চলছে না
📍 ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির ওপর বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগ এনেছেন
🔻 বেসেন্ট বলেছেন, কার্নি এই বিরোধকে একটি ‘রাজনৈতিক চিৎকার-চেঁচামেচির খেলায়’ পরিণত করেছেন
4 weeks ago | [YT] | 1
View 0 replies
aladdin news
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
ডোনাল্ড ট্রাম্প কেন ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক হামলার সিদ্ধান্ত না নিয়ে অর্থনৈতিক মহাযুদ্ধ ঘোষণা দিয়েছেন?
এতে চীন ও রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া কি?
কেন ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তার দেশে নেওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে গেছেন ?
ভারত স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত ,আলু ,পিয়াজ ,কাঁচামরিচ ,ভোগ্য পণ্য বাদ দিয়ে বাংলাদেশকে কি দিয়েছে? ভবিষ্যতে ভারতের কি কি দেওয়ার সক্ষমতা আছে। এই বিষয়টি নিয়ে আমি অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন আপনাদের সাথে তথ্য শেয়ার করতে চাই।
সম্মানিত ভাই বোন গণ ,আমেরিকার অহংকার আব্রাহাম লিংকন দেশে ফিরে যাচ্ছে কোন বিদেশি বন্দরে তারা অবস্থান নেয়নি বিশ্লেষকেরা মনে করছেন জাহাজের পরিস্থিতি এতই খারাপ যেকোন বিদেশি বন্দরে উপস্থিত হওয়ার মত অবস্থায় নেই। ইজ্জত বলতে তো একটা কথা আছে।
মার্কিন সিন্যাটোর মার্ক ওয়ার্নার বলেছেন দয়া করে যুদ্ধ শেষ করতে হবে তা না হলে আমেরিকায় ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হবে তিনি কবে যুদ্ধ শেষ হবে তা জানতে চেয়েছেন।
সম্মানিত ভাই বোন গণ,
ইরানের ৮০ পার্সেন্ট তেল নেয় চীন । এখন প্রশ্ন হচ্ছে তারা কি আমেরিকার কথা শুনে ইরানের তেল নেওয়া বন্ধ করে দিবে ।ইরান গ্যাস পাঠায় তুরস্ক, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান ,ওমান , এবং পাকিস্তানের সাথে বছরে প্রায় 40 কোটি ডলারের বাণিজ্য করে ইরান ।রাশিয়ার সাথে প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য করে।
উপরোক্ত দেশগুলি কি ইরানের সাথে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে দিবে? ইরানকে কি এক ঘরে করে দেবে সবাই! আমেরিকার কথা শুনবে আপনাদের কি মনে হয় সবাইকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মত ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ দিবে।
অনেক বিশ্লেষক দাবি করেন পাকিস্তান তুরস্ক রাশিয়া চীন ওমান আলজেরিয়া কেহই ইরানের সাথে ব্যবসা বন্ধ করবে না বন্ধ করলে তারা নিজেরাই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক বিপদে পড়বেন। ইরানের সাথে বাণিজ্য বন্ধ করলে তাদের দেশের জনগণের বিদ্যুৎ এবং কলকারখানা খাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। এমত অবস্থায় আমেরিকার কথা শুনে তাদের নিজের দেশের দুরবস্থা টেনে আনবে না সুতরাং ইরানের বিরুদ্ধে যে মহা অবরোধ করা হয়েছে তাতে আমেরিকার খুব একটা লাভ হবে না।
আবার অনেক বিশ্লেষক বলছেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট যে ডি ভেন্স ডোনাল্ড ট্রাম্প কে বুদ্ধি দিয়ে পরমাণু হামলা থেকে সরিয়ে অর্থনৈতিক অবরোধের মাধ্যমে ইরানকে ধ্বংস করা সম্ভব এই এই ধরনের বুদ্ধি দেওয়ার কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবরোধ আরোপ করেছেন অপরদিকে ভাইসপ্রেটের প্রেসিডেন্ট কৌশলে যুদ্ধটা এড়াতে চাচ্ছেন।
আবার অনেক বিশ্লেষক বলছেন ইরানের হাতেও পরমাণু অস্ত্র আছে ।ইরান যদি আমেরিকায় সমভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তাহলে আমেরিকা বাসির কাছে বর্তমান সরকার কি জবাব দেবে ? এই কারণে আমেরিকা পরমাণু হামলা থেকে সরে এসেছেন । বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মত আপনারা কি মনে করেন।
দখেলদার রাষ্ট্র ইসরাইল একাধারে ফিলিস্তিন পশ্চিম তীর লেবানন ইরান সিরিয়া তুরস্ক ও ইয়েমেনের সাথে যে বেয়াদবি করতেছে বেয়াদবি পূর্ণ আচরণ করতেছে। আন্তর্জাতিক নিয়ম মানছে না। আইন মানছে না ।এই সমস্ত দেশ যদি একজোট হয়ে প্রতি উত্তর বা পাল্টা আঘাত দেওয়া শুরু করে তাহলে দখলদার রাষ্ট্রের কি হবে?
তাদের রাষ্ট্র থাকবে কিনা এই বিষয়ে বিশ্লেষকদের নানান জল্পনা কল্পনা শুরু করেছেন। কি আছে ভাগ্যে দখলদার রাষ্ট্রের তা এখন দেখার অপেক্ষায় বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক।
অনেক ইহুদী ধর্ম গুরু মনে করেন তালমুতের ব্যাখ্যা অনুযায়ী ইসরাইল রাষ্ট্র ৮০ বছরের বেশি স্থায়ী হওয়ার কথা না।
তাহলে কি ইসরাইল রাষ্ট্র সেদিকেই যাচ্ছে? নাকি দখলদার বাহিনীকে তাদের দরদী আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের দেশের ক্ষতি করে অর্থনৈতিক ক্ষতি করে নিজেদের দেশের মানুষকে কষ্ট দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রকে রক্ষা করেই যাবেন।
সে সিদ্ধান্ত নেবে আমেরিকার জনগণ।
আমেরিকার জনগণ বুঝতে শিখছে যে ইহুদি লবি তাদের দেশের স্বার্থের জন্য মঙ্গল না তাদের দেশের কোন কল্যাণ করে না ইহুদী লোভী আমেরিকার অর্থকে কৌশলে যুদ্ধের মাধ্যমে নিজেদের দেশের জন্য ব্যবহার করে ।
যার ফলে আমেরিকায় এখন খ্রিস্টান মুসলমান এক হয়ে এক কাতারে দাঁড়িয়ে সে ইহুদী লবি র বিপক্ষে অবস্থান করছে।
আমাদের বাংলাদেশে বসে যারা ভারতের জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, শ্লোগানে ঘুমের মধ্যে দেন। যারা ভারতকে অন্নদাতা মনে করেন। তাদের জানা উচিত! আমেরিকা, আরব, পাকিস্তান ,চীন ,তুরস্ক, এমনকি ইউরোপের দেশ গুলিও ভারত সম্পর্কে তাদের মনে খারাপ ধারণা তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববাসী মনে করছে,
ভারত চীনের কাছে প্রতিদিনই একটু, একটু, করে অরুণাচল প্রদেশের জমি হারাচ্ছে। সেই ভারত উজানের নদী বর্মপুত্র বাধ দিয়ে যদি জল উৎপাদন করে ।সেই জল যদি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চল দিনাজপুর পার্বতীপুর রংপুর হয়ে যায় । তাহলে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ একর আবাদি জমির ক্ষতিগ্রস্ত হবে ।কৃষকেরা উৎপাদন করতে পারবে না ।দেশে খাদ্য সংকট তৈরি হবে। বাংলাদেশে যাতে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে না পারে। শান্তিতে থাকতে না পারে ।এইজন্য স্বাধীনতা পরবর্তীতে বাংলাদেশের নদীগুলিকে বালুচর করার জন্য তারা ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশকে পানি বঞ্চিত করছেন ।
পদ্মা তিস্তা সহ অনেক নদীর উজানে বাদ দিয়ে বর্ষাকালে পানি ছেড়ে দেন।ফলে বন্যা হয় গ্রীষ্মকালে পানি দেন না ।মানুষের কষ্ট হয় কৃষকেরা আবাদ করতে পারেনা। জমি মরুভূমিতে পরিণত হয়।
এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্বাধীনতার পর থেকে এখনো ধারা অব্যাহত আছে।
তাই আমি বাংলাদেশ সরকারের প্রধান কে বলবো ভারতের মিষ্টি কথায় ভুলবেন না ভারতের বাংলাদেশকে দেওয়ার মত কোন কিছুর সক্ষমতা নাই ।
কোন আধুনিক প্রযুক্তি নাই। তারা এখন পর্যন্ত ভালো কোন বিমান তৈরি করতে পারেনাই । বিমানের ইঞ্জিন বানাতে পারে নাই ।এখন পর্যন্ত ভালো কোন ড্রোন তাদের দেশে নাই । এখন পর্যন্ত মহাকাশ গবেষণায় তাদের কোন অবস্থান নাই।
এখন পর্যন্ত কিছু ভারতীয় অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটায়। বাড়িতে টয়লেট করার মত অবস্থাও তাদের নাই ।
রাস্তাঘাটে তারা পায়খানা করে পরিবেশ নষ্ট করে। সেই ভারত বাংলাদেশের জন্য গরু আলু কাঁচামরিচ পিঁয়াজ রসুন ও কিছু কসমেটিক ছাড়া আর ভাঙ্গাচুরা কিছু বাস আর ট্রেনের বোগি দেওয়ার সক্ষমতা ছাড়া অন্য কোন আধুনিক প্রযুক্তি বাংলাদেশকে দেওয়ার তাদের সক্ষমতা নাই ।
সুতরাং আমাদেরকে পাশে থাকতে হবে মুসলিম শক্তির সাথে। কারণ আমার নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলেছে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব ।বিচ্ছিন্ন যেন না হই। যারা মুশরিক তাদের সাথে যেন আমরা বন্ধুত্ব না করি ।
এই প্রসঙ্গে আমি বলবো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি ভারতের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তি করবেন না ভারতকে জলবিদ্যুৎ বাংলাদেশের উপর দিয়ে
নিয়ে যাওয়ার কোন পরিকল্পনা সম্মত হবেন না।
পৃথিবী এখন ইসরাইল ও ভারতের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এই দুই শক্তি এখন একা হয়ে পড়েছে তাদের মাথা কিছুই কাজ করছে না।
কি হচ্ছে পৃথিবীতে কেন তারা একা হচ্ছে আমি বলি খেলা কেবল শুরু আমরা পবিত্র মক্কা-মদিনার খাদেম।
আমরা আমাদের লক্ষ্য একটা হওয়া উচিত বায়তুল মোকাদ্দাসের পবিত্রতা।
#viralpost #vlog #newyork #indianbangles #probasibangali
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
aladdin news
হোয়াইট হাউসের নতুন বলরুম ঘিরে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, আদালতের রায়ে প্রকল্প অনিশ্চিত
ওয়াশিংটন, ৮ আগস্ট ২০২৬: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বড় নির্মাণ প্রকল্প এবার আইনি জটিলতায় পড়েছে। হোয়াইট হাউসের সামনে একটি নতুন বলরুম (বড় অনুষ্ঠানকক্ষ) নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু আমেরিকার একটি ফেডারেল আপিল আদালত জানিয়ে দিয়েছে, কংগ্রেসের (আমেরিকার পার্লামেন্ট) অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এককভাবে হোয়াইট হাউসের গঠন পরিবর্তন করতে পারেন না।
ঠিক কী নিয়ে বিতর্ক?
ট্রাম্প প্রশাসন হোয়াইট হাউসের পূর্ব দিকে একটি আধুনিক বলরুম নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল। তাদের দাবি, এটি শুধু অনুষ্ঠানের জন্য নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও জরুরি। নতুন এই নির্মাণে আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পুরনো স্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা হবে।
অন্যদিকে, প্রকল্পের বিরোধীরা বলছেন, হোয়াইট হাউস শুধু প্রেসিডেন্টের বাড়ি নয়—এটা আমেরিকার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক। তাই এখানে কোনো বড় পরিবর্তন আনতে হলে কংগ্রেসের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। তাঁদের মতে, প্রেসিডেন্ট যদি একাই এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে অন্য কোনো প্রেসিডেন্টও একই কাজ করতে পারবেন, যা সাংবিধানিক ভারসাম্য নষ্ট করবে।
আদালত কী বলল?
আদালতের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকরা স্পষ্ট বলেছেন, "প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের মালিক নন, তিনি সেখানে সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালন করেন।" তাই তিনি চাইলে হোয়াইট হাউসের বড় অংশ ভেঙে নতুন কিছু তৈরি করার একক ক্ষমতা রাখেন না। ইতিহাসেও এমন কোনো নজির নেই, যেখানে কোনো প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে হোয়াইট হাউসে বড় ধরনের নির্মাণ করেছেন।
তবে আদালত নির্মাণ কাজ তাৎক্ষণিক বন্ধ করেনি। তাঁরা প্রশাসনকে সুপ্রিম কোর্টে (আমেরিকার সর্বোচ্চ আদালত) আপিল করার সময় দিয়েছেন। তাই কাজ আপাতত চললেও, এর ভবিষ্যত এখন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কী?
রায় প্রকাশের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এই প্রকল্প জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত এবং আদালতের সিদ্ধান্ত ভুল। তিনি আশা করছেন, সুপ্রিম কোর্ট এই রায় বাতিল করবে। তাঁর সমর্থকরা বলছেন, আদালত নির্বাহী সিদ্ধান্তে অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করছে এবং আধুনিক নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারছে না।
আরও বিতর্ক কোথায়?
শুধু নির্মাণই নয়, এই প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শুরুতে বলা হয়েছিল জনগণের টাকা খরচ না করেই এটি করা হবে। কিন্তু পরে জানা গেছে, সরকারি তহবিল এবং বড় বড় ব্যবসায়ী ও ধনী ব্যক্তিদের অনুদানও নেওয়া হচ্ছে। এতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাগুলো।
কেন এই রায় গুরুত্বপূর্ণ?
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মামলা শুধু একটি বলরুম নির্মাণের প্রশ্ন নয়—এটা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা নিয়ে একটি বড় সাংবিধানিক লড়াই। সুপ্রিম কোর্ট যদি এই মামলা শুনানি করে, তাহলে তাদের রায় নির্ধারণ করবে, ভবিষ্যতে কোনো প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া কতদূর পর্যন্ত নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারবেন।
এক নজরে মূল বিষয়:
· কী হয়েছে? হোয়াইট হাউসে নতুন বলরুম তৈরির প্রকল্প আদালতে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে।
· আদালত কী বলেছে? কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট একা এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।
· এখন কী হবে? প্রশাসন সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবে। তার ওপরই নির্ভর করছে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ।
· কেন এত গুরুত্ব? এই রায় ভবিষ্যতে আমেরিকার প্রেসিডেন্টদের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করবে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, ট্রাম্পের এই বলরুম প্রকল্প এখন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষায়। এটা শুধু একটি ভবন নির্মাণের লড়াই নয়, বরং প্রেসিডেন্ট, কংগ্রেস ও আদালতের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে একটি ঐতিহাসিক সাংবিধানিক দ্বন্দ্ব। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ, আইনজীবী—সবার নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের দিকে।
1 month ago | [YT] | 1
View 0 replies
aladdin news
1 month ago | [YT] | 2
View 0 replies
aladdin news
1 month ago | [YT] | 1
View 0 replies
aladdin news
ইরান-ইউক্রেন সংঘাত ও সম্ভাব্য বড় হামলা: ইউক্রেন থেকে ইরানের একটি অস্ত্রবোঝাই জাহাজে হামলা চালানো হয় এবং এতে ইরানের একজন ক্রু নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন。 এর জবাবে ইরান তাদের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে ইউক্রেনকে কঠোর পরিণতি ও বড় ধরনের হামলার মুখোমুখি হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যেটিতে রাশিয়ারও গ্রিন সিগন্যাল রয়েছে。
সৌদি আরবের তেল ক্ষেত্রে ও পাইপলাইনে হুথি হামলা: ইরাক ও ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ হুথি বাহিনী সমর্থিত মিলিশিয়ারা সৌদি আরবের জিজান শহরের আরামকো তেল শোধনাগার এবং পূর্বাঞ্চলীয় ইয়ানবু বন্দর ও তেল পাইপলাইনে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছে。 এর ফলে সৌদি আরবের তেল অবকাঠামোয় ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে এবং বিশ্ববাজারে তেলের সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে。
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি: ট্রাম্প দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভালো কিছু আশা করা যাচ্ছে। তবে ইরান জানিয়েছে যে তারা আমেরিকার সাথে কোনো সরাসরি যোগাযোগ করেনি এবং কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আমেরিকা যুদ্ধবিরতি চাইলেও ইরান তা প্রত্যাখ্যান করেছে。
ইসরাইলের কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ইসরাইলের সিদ্রত (বা সেদ্রত) শহরে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে চারদিকে বিষাক্ত কেমিক্যাল ছড়িয়ে পড়েছে এবং ইসরাইল বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে。
মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত ও সামরিক ক্ষয়ক্ষতি: ইরাকে আমেরিকা ও তাদের মিত্রদের একটি লোকাস ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরানপন্থী মিলিশিয়ারা। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সেনাদের হতাহতের সংখ্যা লুকানোর চেষ্টা করা হলেও ইরানের হামলায় আমেরিকার ঘাঁটি ও সামরিক সক্ষমতার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে ইরানি গণমাধ্যমের গ্রাফিক্সে প্রকাশ করা হয়েছে।
ইরানের নতুন সামরিক প্রস্তুতি ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আইআরজিসিকে 'আয়রন' নামক বিশেষ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন। পাশাপাশি, ইরানের 'কারার' ড্রোনগুলোতে 'মাজেদ' ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হয়েছে, যা তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছ
2 months ago | [YT] | 4
View 0 replies
aladdin news
Aladdin news ইউটিউব চ্যানেলে
ভিডিওর বিষয়:
মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার শোচনীয় পরাজয়, ইরানের পরাশক্তি হয়ে ওঠা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের
ভেতরের গোপন বিদ্রোহ।
বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম। আজকে এমন একটি বিস্ফোরক ও রোমাঞ্চকর খবর নিয়ে কথা বলব, যা শুনলে আপনাদের পায়ের নিচের মাটি সরে যাবে! আপনারা অনেকেই জানেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে একেবারে ধুলিস্মাদ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু পর্দার আড়ালে আসলে কী ঘটছে? সিএনএন এবং ইরানের তাসনিম নিউজের রিপোর্ট বলছে—আমেরিকা আজ পরাস্ত, দিশেহারা এবং তাদের যুদ্ধাস্ত্র প্রায় শেষের পথে! হোয়াইট হাউসের ভেতরেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন খোদ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং জেনারেল কেইন। চলুন, আজ একাত্তরের এই রুদ্ধদ্বার রাজনীতির পেছনের চাঞ্চল্যকর সত্য উন্মোচন করি।
হরমুজ প্রণালী ও মার্কিন ঘাঁটির করুণ পরিণতি
আপনারা কি জানেন মধ্যপ্রাচ্যে কী চলছে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেবেছিল ইরানকে চোখের পলকে গুঁড়িয়ে দেবে। কিন্তু গত ৮ জুলাই থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর হামলায় আমেরিকার কী অবস্থা হয়েছে একবার ভেবে দেখুন!
জর্ডান, কুয়েত, বাহরিন ও কাতার—এই দেশগুলোতে আমেরিকার যে বিশাল সামরিক ঘাঁটিগুলো ছিল, স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে সেগুলোকে একেবারে সমতল বা ধুলিস্মাৎ করে দেওয়া হয়েছে!
আইআরজিসির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকার প্রায় ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, যার মধ্যে একটি এফ-১৫ ফাইটার জেট এবং একটি পি-৮ মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফটও রয়েছে।
সিএনএন-এর শো-তেও এই ধ্বংসযজ্ঞের লজ্জাজনক চিত্র প্রচার করা হয়েছে, যা দেখে খোদ আমেরিকার মিত্ররাও এখন ভয়ে কাঁপছে।
আমেরিকা যে আধুনিক ইন্টারসেপ্টর বা প্যাট্রিয়ট মিসাইল দিয়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাবে, সেই অস্ত্র ভাণ্ডারও এখন প্রায় শূন্য! ইরানের নতুন ও অত্যাধুনিক মিসাইলগুলোর গতিপথ এতটাই ভয়ঙ্কর যে মার্কিন ডিফেন্স সিস্টেম তা ট্র্যাক করতেই ব্যর্থ হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসে গৃহযুদ্ধ: ট্রাম্প বনাম নিজস্ব জেনারেলরা
এই শোচনীয় পরিস্থিতির পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে। হোয়াইট হাউসের ভেতরেই শুরু হয়েছে তীব্র কোন্দল।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং শীর্ষ সামরিক জেনারেল কেন পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকার এই মুহূর্তে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া এক চরম নির্বুদ্ধিতা ও আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে।
তাদের মতে, আমেরিকার হাতে আর সাধারণ বা কনভেনশনাল অস্ত্র অবশিষ্ট নেই। যদি যুদ্ধ থামাতে না হয়, তবে একমাত্র পথ হলো পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করা। কিন্তু পরমাণু বোমা ফেললে তা সরাসরি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করবে, যেখানে চীন ও রাশিয়া হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।
এদিকে চীনের ওপরও চাপ তৈরি হচ্ছে। কারণ হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরে হুতিদের হামলায় তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চীন ভীষণ ক্ষুব্ধ। চীন পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, এই অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধ তাদের বাণিজ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
ফলে একদিকে চীন ও রাশিয়ার কড়া চাপ, অন্যদিকে খোদ নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টের তীব্র বিরোধিতায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প। বাধ্য হয়ে কাতার ও পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির বা সিজফায়ারের প্রস্তাব পাঠাতে বাধ্য হয়েছে আমেরিকা।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার পালাবদল ও ইয়েমেনের হুংকার
বন্ধুরা, খেলা এখানেই শেষ নয়! আমেরিকা যখন পিছু হটছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যে ইয়েমেনের হুথিরা সৌদি আরবের আরামকো তেল ডিপোতে একের পর এক বিধ্বংসী ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সৌদি আরবের জিজান ও ইয়ানবু শহরের তেল ক্ষেত্রগুলো দাউদাউ করে জ্বলছে।
ইরানের সুনিপুণ রণকৌশল আজ সফল হয়েছে। গালফ বা উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আমেরিকাকে পুরোপুরি বিতাড়িত করে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করাই ছিল ইরানের মূল লক্ষ্য, এবং তারা সেটাই করে দেখাচ্ছে। আমেরিকার যে গর্ব ছিল তাদের বিশাল সামরিক শক্তি, তা আজ মধ্যপ্রাচ্যের বালিতে লুটিয়ে পড়েছে। ট্রাম্প এখন মুখরক্ষা করার জন্য হন্যে হয়ে পথ খুঁজছেন।
আগামী দিনের হুমকি
ইরানে শোচনীয়ভাবে মার খাওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন এখন নতুন কোনো সস্তা জনপ্রিয়তার ফন্দি আঁটছে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। গুঞ্জন রয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে পিছু হটে ট্রাম্প এবার নিজের নাকের ডগায় থাকা ছোট্ট ও দরিদ্র দেশ কিউবার ওপর হামলার পরিকল্পনা করতে পারেন। ভেনেজুয়েলার মতো কিউবা আক্রমণ করে আমেরিকানদের চোখে ধুলো দিয়ে ট্রাম্প হয়তো নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে চাইবেন।
তবে এতে একটি বিষয় পানির মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে—বিশ্বের যেকোনো শক্তিশালী পরাশক্তি হোক না কেন, অন্যায়ের পথ ধরে চিরকাল রাজত্ব করা যায় না। ইরানের অদম্য সাহস এবং আমেরিকার ভেতরের এই চরম ফাটল আধুনিক বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাস বদলে দিচ্ছে।
2 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Load more