আল দাওয়াহ্

ইসলাম প্রিয় দ্বীনি ভাই,

আল দাওয়াহ্ প্রকৃত ইসলামকে তুলে ধরার জন্য বাংলাদেশের অন্যতম একটি ইসলামিক চ্যানেল। আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ইসলামের প্রকৃত রূপ আপনাদের সামনে তুলে ধরা। আমরা বিশ্বাস করি যে সব বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরছি তা ইসলামকে সহজ ভাবে বুঝতে আপনাদের সাহায্য করবে(ইনশাআল্লাহ)।

আপনার প্রিয় ইসলামিক আলোচনা শুনতে ও অন্যর নিকট প্রচারের স্বার্থে চ্যানেলটি Subscribe করতে ভুলবেন না।


আল দাওয়াহ্

সংবিধানের ২৯(ক) সংশোধন করে লেখা হোক,
“শুধুমাত্র ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির ক্যাডার এবং মন্ত্রী-এমপিদের সুপারিশধারীরা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে বিবেচিত হইবে।”

-ভিপি সাদিক কায়েম

1 week ago | [YT] | 0

আল দাওয়াহ্

চীনের ৭৭তম জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি; রাষ্ট্রদূতের কাছে চীনের প্রেসিডেন্টকে লেখা শুভেচ্ছা চিঠি হস্তান্তর

গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠার ৭৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় চীনা দূতাবাস আয়োজিত জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে চীনা দূতাবাস আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে চীন সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের হাতে চীনের প্রেসিডেন্ট মান্যবর শি জিনপিংয়ের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি তুলে দেন।

চিঠিতে চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে চীনের প্রেসিডেন্ট, সরকার ও জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

এ সময় আমীরে জামায়াত অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি; সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা'ছুম, রফিকুল ইসলাম খান এমপি, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের; কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মো. মোবারক হোসাইন; কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য জনাব আলী আহমাদ মাবরুর।

1 week ago | [YT] | 0

আল দাওয়াহ্

বিএনপির এমপি-মন্ত্রীরা (ভয়ে) এখন আমার টকশোতে আসেনা। তারা শর্ত দেয়, তাদেরকে একা রাখতে হবে টকশোতে।
🗣খালেদ মুহিউদ্দীন

1 week ago | [YT] | 0

আল দাওয়াহ্

জানুন:---👇
শব্বেদারী: আত্মিক উন্নয়ন ও রুহানি বন্ধনের এক পবিত্র আয়োজন

⏩ ছাত্রশিবির শব্বেদারি প্রোগ্রাম কেন আয়োজন করে? শব্বেদারি কী? এ নিয়ে কিছু কথা।
শিবিরের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শব্বেদারি। সংগঠনের বাইরে অনেকেই হয়তো শব্দটির সঙ্গে পরিচিত নন।

শব্বেদারি মূলত আত্মিক মানোন্নয়ন, আল্লাহর নৈকট্য অর্জন এবং জনশক্তিদের মধ্যে পারস্পরিক রুহানি বন্ধন গড়ে তোলার একটি পবিত্র আয়োজন। এতে কর্মী, সাথী ও সদস্যরা একত্রিত হয়ে রাতের নিরিবিলি সময়ে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন।

সাধারণত রাতের মধ্যভাগে শব্বেদারির আয়োজন করা হয়। সময় ও পরিবেশের আলোকে এতে বিভিন্ন কর্মসূচি রাখা হয়। যেমন—
👉 দারসুল কোরআন পেশ করা।
👉 একান্তে তাহাজ্জুদের মাধ্যমে মহান রবের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার চেষ্টা।
👉 দায়িত্বশীলদের বিষয়ভিত্তিক হেদায়াতমূলক ও হৃদয়স্পর্শী আলোচনা।
👉দোয়া ও মুনাজাত
👉 কখনো কখনো দায়িত্বশীল ও জনশক্তিদের একসঙ্গে সেহরি গ্রহণ এবং পরদিন সিয়াম পালনের প্রস্তুতি।

শব্বেদারির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো মানুষের আত্মশুদ্ধি ও চরিত্র গঠনে সহায়তা করা। নিয়মিত ইবাদত, আত্মসমালোচনা ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্বের চর্চার মাধ্যমে লোভ, হিংসা, অহমিকা ও আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করা হয়। একই সঙ্গে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে ওঠে।

📌 শব্বেদারি কোথায় আয়োজন করা হয়?
অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে—শব্বেদারি মসজিদে কেন আয়োজন করা হয়?

ইবাদত-বন্দেগির জন্য মসজিদ অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান। তাই আল্লাহর ঘরে রাতের ইবাদত, কোরআন-হাদিসের আলোচনা ও আত্মশুদ্ধির এই আয়োজন করা হয়।

1 month ago | [YT] | 0

আল দাওয়াহ্

কিছু মানুষ পৃথিবী থেকে চলে যান, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন অনাদিকাল ধরে। আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ তেমনই একজন মানুষ।

আল্লাহ তাআলা বলেন, "তাঁর চেয়ে উত্তম কথা আর কার, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।" (সূরা ফুসসিলাত: ৩৩)

অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে তিনি ছুটে বেড়িয়েছেন এই জনপদের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে, শহরের মঞ্চ থেকে গ্রামের ধুলোমাখা ময়দানে, একটিমাত্র আহ্বান বুকে নিয়ে, আল্লাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান নিয়ে, ডেকে ফিরেছেন কুরআনের দিকে। দেশের গন্ডি অতিক্রম করে বিশ্বেও তাঁর বিচরণ ছিল সমান তালে। শীতের রাতে খোলা মাঠে চাদর মুড়ি দিয়ে বসে থাকা লাখো মানুষ তাঁর কণ্ঠে কুরআনের তাফসির শুনেছেন। বহু মানুষের ধর্মীয় জীবনের মোড় ঘুরে গেছে সেই আলোচনায়।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।" (সহিহ বুখারি)

আল্লামা সাঈদীর জীবনের বড় একটি অংশই কেটেছে এই কাজে, কুরআন শেখা, কুরআন শেখানো, আর কুরআনের কথা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কুরআনের শিক্ষা ও প্রসারের জন্য তিনি নানা প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর ওয়াজের ময়দান হয়ে উঠেছিল অসংখ্য মানুষের ধর্মীয় শিক্ষার পাঠশালা।

মানুষের ভালোবাসা তাঁকে তাফসীরের ময়দান থেকে নিয়ে গিয়েছিল জাতীয় সংসদে। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি কথা বলেছেন ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে, আলিয়া ও ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে, সাধারণ মানুষের নানা দাবি নিয়ে। সংসদে স্পিকারের সামনে মাথা ঝুঁকিয়ে ঢোকার যে শিরকি রীতি ছিল, আল্লামা সাঈদীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তা বন্ধ হয়েছিল। তাঁর রাজনীতি ও মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে ; কিন্তু তাঁর বিপুল অনুসারী আর জনসমর্থন এ দেশের ধর্মীয়-রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অস্বীকার করার উপায় নেই এমন বাস্তবতা।

যুগে-যুগে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের ওপর যেমন জুলুমের খড়গ নেমে এসেছে, তেমনি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ওপরও নেমে এসেছিল নির্মম জুলুম-নির্যাতন। আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে যাকে হাজির করা হয়েছিল, সেই সুখরঞ্জন বালি বরং আল্লামার পক্ষেই সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন। আর সেই সাক্ষ্যের কারণেই ফ্যাসিস্টরা তাকে গুম করেছিল।

আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায়ের দিন দেশজুড়ে নেমে এসেছিল মানুষের ঢল। প্রিয় মানুষটির প্রতি ভালোবাসা আর তাঁর ওপর জুলুমের প্রতিবাদে অগণিত মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সেই প্রতিবাদে শহীদ হন দেড় শতাধিক মানুষ। রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ, কিন্তু মানুষের হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যায়নি আল্লামা সাঈদীর প্রতি সেই অকৃত্রিম ভালোবাসা।

একদিন বাংলাদেশে আল্লামা সাঈদীর রায়-পরবর্তী হত্যাকাণ্ডের বিচার করার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।

কারাগারের দেয়াল একজন মানুষের শরীরকে আটকে রাখতে পারে কিন্তু মানুষের ভালোবাসাকে আটকে রাখতে পারে কোন কারাগার?

বছরের পর বছর তিনি কারাবন্দি থেকেছেন। তবুও এ দেশের অসংখ্য ঘরে সন্ধ্যাবেলা বেজেছে তাঁর কণ্ঠে ধারণ করা তাফসিরের রেকর্ডিং; মানুষ শুনেছে, কেঁদেছে, তাঁর জন্য হাত তুলে দোয়া করেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে তাঁর পরিচয় থেকে গেছে কুরআনের একজন আলোচক ও দাঈ হিসেবে।

আজ আল্লামা সাঈদী আমাদের মাঝে নেই। সময়ের পালাবদলে তাঁকে বন্দি রাখা সেই ফ্যাসিস্ট শাসনেরও অবসান ঘটেছে। রয়ে গেছে শুধু তাঁর কণ্ঠের স্মৃতি, তাঁর তাফসির, তাঁর কাজ, আর অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা।
মানুষ চলে যায়, দাওয়াত থেকে যায়।
কণ্ঠ থেমে যায়, রেখে যাওয়া আহ্বান থামে না।
কারাগারের দরজা একজন মানুষকে বন্দি করতে পারে, মানুষের হৃদয়ে তাঁর জায়গাকে বন্দি করতে পারে না।

কবি আল মাহমুদ লিখেছেন—
"পৌঁছুতে চাই প্রভু তোমার সান্নিধ্যে
তোমার সিংহাসনের নীচে একটি ফুরফুরে প্রজাপতি হয়ে
যার পাখায় আঁকা অনাদিকালের অনন্ত রহস্য।"

যে কণ্ঠ অর্ধশতাব্দী ধরে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডেকেছে, সে আজ নীরব হয়ে গেছে। কিন্তু কে জানে, হয়তো এই নীরবতাই প্রিয় প্রভুর কাছে পৌঁছে যাওয়া।

আল্লাহ তাআলা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ এর ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন, তাঁর নেক আমলগুলো কবুল করুন এবং তাঁকে শাহাদাতের মর্যাদা দিয়ে জান্নাতুল ফিরদাউসের উচু মাকাম দান করুন। আমিন।

1 month ago | [YT] | 1

আল দাওয়াহ্

বিলুপ্ত সুন্নাহ জিন্দা করার মধ্যে অনেক ফজিলত রয়েছে!

3 months ago | [YT] | 0

আল দাওয়াহ্

চীন বাংলাদেশকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে ভারতের পুকুরচুরি ধরিয়ে দিল।

স্লান্ট ড্রিল এর মাধ্যমে বহু বছর ধরেই বঙ্গোপসাগর থেকে ভারত ট্রিলিয়ন কিউবিক ঘনফুট গ্যাস তুলে নিয়ে যাচ্ছিলো। যেখানে ড্রিল করা হতো ভারত সীমান্তে কিন্তু গ্যাস চলে যাচ্ছিলো বাংলাদেশ থেকে।

ভারতের এই পুকুর চুরি বন্ধ করতে এবার বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে গভীর অঞ্চল থেকে গ্যাস উত্তোলনের চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির ফলে বিপুল পরিমান দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পাবো আমরা, অন্যদিকে গ্যাস আমদানি বন্ধ হওয়ার ফলে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

পাদটীকা: তারপরও একগাদা শুয়রের পাল বলবে রেন্ডিয়া আমাদের বন্ধু দেশ, তাদের ছাড়া আমাদের চলবে না

3 months ago | [YT] | 1

আল দাওয়াহ্

"রাজনীতি যখন নীতিহীন হয়ে পড়ে, তখন প্রতিপক্ষের আদর্শ নিয়ে বিতর্কের বদলে ব্যক্তিগত উপহাসই হয়ে ওঠে তাদের শেষ সম্বল।"

মুফতি আমির হামজা
সংসদ সদস্য, কুষ্টিয়া-৩

#jamaatmediawing
#BangladeshJamaatIslami
#viral

3 months ago | [YT] | 2

আল দাওয়াহ্

আল্লামা সাঈদীর প্রচেষ্টায় ২০০৬ সালে সংসদে মাথা ঝুঁকে সম্মান জানানোর রীতি বাতিল হয়। এরপরও এই প্র্যাক্টিস অব্যাহত থাকায় জামায়াতের নায়েবে আমীর মুজিবুর রহমান এমপির দৃষ্টি আকর্ষণে আজ স্পীকার সেই রীতি বাতিলের বিষয়টি পুনর্ব্যাক্ত করেন।

#Aldawah
#JamaatIslami

3 months ago | [YT] | 1