Let Truth Prevail.
I am Prasun Acharya, Journalist for the last 38 yrs, and have worked 28 years with ABP(Anandabazar Patrika and The Telegraph), 8 years with Bengali daily Bartaman.
Basically I am a Ground Reporter, Political analyst, Social Worker and Environment Activist.
This platform will provide you in-depth Political analysis, Election previews and result analysis. Labour and Farmers movements. Caste struggle, Environmental issues, Geo Politics and Economics.
Discussions on Rightists, RSS and Fascist force, Secularism, Gandhian philosophy, Marxism, and Naxalites. Issues of Adivasi and Minorities. Crony capital—Adani, Ambani, and others. Modi Shah, Trump, Putin, EU, Muslim countries and China.
Bengal politics: Mamata, BJP, CPM, Congress, and others.
Discussion on Kolkata—the City of Joy.
Media analysis: Paid news, Fake news, Propaganda News.
Prasun Acharya Journalist
দেশ জুড়ে আওয়াজ উঠছে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে। ভোট চোর গদি ছোড়। দিল্লি আন্দোলনে ফুটছে। সারাদিন কী হল দিল্লিতে? কী হতে পারে শেষ অব্দি? রাত ৮ টায় ইউটিউব লাইভ Prasun Acharya Journalist চ্যানেলে সরাসরি দেখুন।
3 hours ago | [YT] | 110
View 2 replies
Prasun Acharya Journalist
নন্দীগ্রাম রেজিনগরের ভোটের এবং দিল্লিতে কী হচ্ছে? Prasun Acharya Journalist YouTube চ্যানেলে লাইভ দেখুন। রাত সাড়ে ৮ টা। ( 8-30pm )
1 day ago | [YT] | 59
View 0 replies
Prasun Acharya Journalist
#পরিবর্তন
মালদহ জেলা পরিষদে অনাস্থার পরে বোর্ড গঠন হচ্ছে। বিজেপির মাত্র ৪ জন সদস্য। কংগ্রেস এবং মমতা তৃণমূলের সদস্যরা যাতে ভোট দিতে না পারেন সেই জন্য পুলিশ নেমে পড়েছিল। পুলিশের ভয়ে তাঁরা ঝাড়খণ্ডের একটি হোটেলে গিয়ে উঠে ছিলেন। সেখানেও পুলিশ পুরানো ও মিথ্যে মামলায় তাঁদের ধরতে হানা দিয়েছিল। অভিযোগ, পুলিশ ভয় দেখাচ্ছিল, বিজেপিকে ভোট দিতে হবে। কিন্তু জোরদার বাধাদানের ফলে সফল হয়নি। এবার ভোট দিতে আসার জন্য সোমবার রাতে ট্রেন থেকে নামা মাত্র কংগ্রেসের সদস্যদের পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। যাতে তারা ভোট দিতে না পারেন এবং বালিশ তৃণমূল ও বিজেপি মিলে বোর্ড গঠন করে। বিজেপির লোক জেলা সভাধিপতি হয়। মালদহ স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের সাংসদ ইশা চৌধুরী এবং নেত্রী মৌসম নূর। তাঁরা প্রতিবাদ করে বলেন, এত আগের সরকারের থেকেও খারাপ অবস্থা। হাইকোর্ট বলেছে, সদস্যদের ভোট দান করতে দিতে হবে। কিন্তু হাইকোর্টের কথাও পুলিশ মানছে না। এটাই পরিবর্তন। এর আগে একই কায়দায় পূর্ব মেদিনীপুর, নদীয়া সহ বিভিন্ন জেলা পরিষদ দখল নিয়েছে বিজেপি।
গণতন্ত্রের কি অপূর্ব রূপ! ভয় আউট। ভরসা ইন।
4 days ago | [YT] | 463
View 42 replies
Prasun Acharya Journalist
কমরেড, হয় ভুল ব্যাখ্যা সংশোধন করুন, না হলে বাজারে টিয়াপাখি নিয়ে বসুন।
গান্ধী জয়ন্তীতে বিরাটিতে সিপিএমের ছাত্র যুবদের সভাকে আক্রমণ করে রক্তাত্ব করা হল। জয় শ্রীরাম বলে আওয়াজ তুলে ছিঁড়ে দেওয়া হল গান্ধীর ছবি। শনিবার গতবেতায় আইনজীবী বামপন্থী শামীম আহমেদের গাড়িতে বাঁশ পেটা করা হল। গাড়িতে থাকা মহিলা আইনজীবীও বাদ পড়লেন না। শুক্রবারের ঘটনায় কোনও বিজেপি কর্মী গ্রেফতার হলেন না। উল্টে এস SFI নেতা আকাশ কর গ্রেফতার হয়ে হাজতে। আর শমীক ভট্টাচার্য ভাঙা রেকার্ডের মত একই কথা বলেন, "যারা করেছে তারা বিজেপি নয়। এটা বিজেপির সংস্কৃতি নয়।" ঘটনার নিন্দা ভাষা নেই। কিন্তু তামাম, সিপিএমের নেতা, কর্মী সমর্থক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য থেকে আইনজীবীদের বলতে দেখেছি, "তৃণমূল যা করত , বিজেপিও তাই করছে। বিজেপির তৃণমুলিকরণ হয়েছে। ওরা গিয়েছে। এরাও দ্রুত যাবে।"
এই যে বিজেপি আর তৃণমূল কে এক করে দেখা এটাই সব থেকে বড় ভুল "সব বোঝা" সিপিএমের কমরেডদের । তৃণমূলের কোনও নির্দিষ্ট মতাদর্শ ছিল না। মোটামুটি কংগ্রেসের মতাদর্শ, সঙ্গে গরিবদের জন্য স্কিম করে ভোটে জেতা আর দলতন্ত্র। তারজন্য পুলিশকে ব্যবহার। কিন্তু বিজেপির সুনির্দিষ্ট মতাদর্শ আছে। সেই মতাদর্শ আরএসএস এর নীতির উপরে দাঁড়িয়ে থাকা। গান্ধী নেহরু থেকে মার্কস বিরোধী। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম , জাতীয় আন্দোলনের ভাবধারার বিরোধী। (এই ক্ষেত্রে ঠিক বাংলাদেশের জামাতের মত।) এরা হিটলার মুসলিনীর অনুগামী। মুসলিম ও খ্রিস্টান বিরোধী। দেশে একনায়কতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট হিন্দু মৌলবাদী রাজ প্রতিষ্ঠা এদের লক্ষ্য। যেখানে এক দেশ, এক নেতা, যিনি ভগবানের দূত ( হিটলার , মুসলিনি একই কাজ করেছিলেন), এক ভাবনা, এক সংস্কৃতি( হিন্দি হিন্দু হিন্দুস্থান), এক ধর্ম ( আগে বলা হত হিন্দু এখন নতুন আঙ্গিকে সনাতনী), আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান নয়, ধর্মই শেষ কথা। প্রাচীন ভারতের কথা বলে কিছু মিথ্যে আচার, কুসংস্কারকে, পৌরাণিক মন গড়া কাহিনীকে বিজ্ঞান বলে প্রতিষ্ঠা করা। সেইসঙ্গে দেশের সংবিধান, ভোট ব্যবস্থা এবং বিচাব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ করায়ত্ব করা। শাসক পুষ্ট পুঁজি অর্থাৎ ক্রোনি ক্যাপিটাল যেমন আদানি, আম্বানি , বর্তমানে টাটা গোষ্ঠী, তাঁদের হাতে ধন সম্পদ তুলে দেওয়া এবং গরিব, দলিত, সংখ্যালঘু, আদিবাসী, প্রান্তিক মানুষদের আরও নিচে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া। কারণ আদানি অর্থেই শাসকের অফিস থেকে ভোট সবই চলবে।
অর্থাৎ তৃণমূল আর বিজেপির মূলগত ফারাকটা আসমান জমিন। তৃণমূল ছিল একটা রাজ্যে। বিজেপি গোটা ভারত জোড়া একটা বিরাট দানবীয় শক্তি। সে তোমাকে যে কোনও সময় পিষে মেরে দিতে পারে। তার হাতে আধা সেনা। কেন্দ্রীয় বাহিনী। মিলিটারি।তৃণমূলের হাতে ছিল জেলার এস পি বা থানার ও সি।
সংক্ষেপে মোটামুটি এটাই। সব দল দুর্নীতি করে। কেউ বাদ নয়। কম আর বেশি। তাই ওই প্রসঙ্গ তুললাম না। আমি যেটা বুঝি লিখলাম। সিপিএমের লোকেরা যদি এটা না বুঝতে পারেন, এবং বিজেপির জয় শ্রী রাম বাহিনীর হাতে মার খেয়ে তৃণমূল গিয়েছে, বিজেপিও যাবে, দেখলেন তো ভোটে হেরে তৃণমূল ৪ মাসে উঠে গেল! এই সরল ব্যাখ্যা করে পশ্চাদ্দেশ নাচান, তাহলে ভবিষ্যৎ বুঝতে বাজারে টিয়াপাখি নিয়ে বসতে হবে।
পুনঃ অনেক সিপিএমের লোকেদের মন্তব্য করতে দেখছি, তৃণমূলীরা বিজেপিতে ঢুকে মারপিট করছে। ভাই ত্রিপুরায় কি তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল? ওখানে কয়জন তৃণমূল করত? তাহলে ওখানে সিপিএমকে কারা মারছে বিগত ১০ বছর ধরে?
@Prasun Acharya
6 days ago | [YT] | 126
View 211 replies
Prasun Acharya Journalist
ছি!
আজ রবিবার, ২৭/০৯/২৬ পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী খাস কলকাতার বুকে দুটি ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে। দুটি ঘটনাই অত্যন্ত নিন্দনীয়। এবং সরাসরি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিরাট প্রশ্ন তুলে দেয়। দুটি ঘটনাই শুভেন্দু সরকারের ইমেজে কিন্তু কালির দাগ লাগিয়ে দিল।
প্রথমটি বেলেঘাটাতে। নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে বাড়ি থেকে বেরোনোর পর যে ভাবে শাসক মদতপুষ্ট ঝান্ডা বিহীন গুণ্ডা বাহিনী মোটর বাইকে এসে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তথা উত্তর কলকাতা তৃণমূলের সভাপতি কুণাল ঘোষকে ঘিরে ধরে, পাথর মেরে তার গাড়ি ভাঙচুর করে এবং হাতুড়ি দিয়ে তাঁর শরীরে আঘাত করে, আগ্নেয়াস্ত্র বার করে জানে মেরে দেওয়া দেওয়ার হুমকি দেয়, বিগত তিন দশকে তার নজির নেই। মার খেয়ে কুণাল ঘোষ কোনও মতে নারকেলডাঙ্গা থানায় ঢুকে প্রাণ বাঁচান। কার্যত কথা বলতে গিয়ে তিনি কেঁদে ফেলছিলেন!
গতকাল, অর্থাৎ শনিবার শ্রীরামপুরে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সভায় যাওয়ার পথে ঝান্ডা বিহীন গুণ্ডার দল প্রথমে ডিম ও পরে পাথর মেরে কুণালের গাড়ি ভাঙচুর করে, তাকে আহত করে। আবার রবিবার। এখনও অব্দি পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেছে বলে শুনিনি। যদি শহরের মধ্যে একজন বিধায়ককে এই ভাবে প্রকাশ্যে আক্রমণ করা যায়, তাহলে গ্রামে কি অবস্থা সহজেই অনুমেয়। কুণাল একই সঙ্গে মমতা তৃণমূলের মুখপাত্র এবং পেশায় সাংবাদিক। শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার অধিকাংশ মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ব্যক্তিগত ভাবে চেনেন। তবু তাঁর কোনও নিরাপত্তা নেই? নাকি কলকাতা পুরভোটে মমতা তৃণমূলের কোনও প্রার্থী যাতে না প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, সেই রকম একটা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে?
দ্বিতীয়টি সত্যজিৎ রায় ফিল্ম এবং টেলিভশন ইনস্টিটিউটে। সেখানে হিন্দুত্ববাদী বা আর এস এসের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনের কিছু প্রতিনিধি কোনও সভার আয়োজন করছিলেন। এই ভাবে সভা করা যায় কি না যায়, তাই নিয়ে কোনও টেকনিক্যাল আলোচনায় যাচ্ছি না। কিন্তু সেই সভাকে কেন্দ্র করে গণ্ডগোল হয়। তারপরে বহিরাগত শাসক পুষ্ট গুণ্ডারা দলে দলে ঢুকে এই ভারত বিখ্যাত কেন্দ্রীয় সরকারি শিক্ষা কেন্দ্রের ছাত্র ছাত্রীদের বেদম প্রহার করে। তাদের পিঠে ও মুখে অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে। সব ছবিই সমাজ মাধ্যমে আছে।
SRFTI এর ছাত্র ছাত্রীরা অধিকাংশই ভিন রাজ্যের। জাতীয় স্তরে পরীক্ষা দিয়ে তাঁরা ভর্তি হন। আম্বেদকরের ছবি নিয়ে তাঁরা রুখে দাঁড়ান। প্রথমে প্রেসিডেন্সি, তারপরে যাদবপুর, এবার SRFTI কে টার্গেট করা হল। শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র ছাত্রীদের কোনও নিরাপত্তা নেই? শিক্ষা কেন্দ্রে কোনও মুক্ত চিন্তা চলবে না? আর এক হাজার সরকারি স্কুল বন্ধ করে দিয়ে পরিবর্তে এক হাজার RSS এর সরস্বতী স্কুল খোলা হবে? মুখ্যমন্ত্রী বলবেন, এটা তিলক টিকা তুলসীর সরকার!
বাংলার মানুষ কি এই জন্যেই সরকার পরিবর্তন করেছিলেন? আর প্রতিবার বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ভাঙা রেকর্ড বাজাবেন? "যারা করেছে বিজেপির কেউ নয়। " আরে ভাই শমীক যেই করুক, এটা তো আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন! সেটা কী হচ্ছে?
--- প্রসূন আচার্য।
1 week ago | [YT] | 0
View 173 replies
Prasun Acharya Journalist
চাপে নির্বাচন কমিশন এর নতুন ঘোষণা, মমতা সিপিএম কংগ্রেসে কাছে আসা, শ্রীরামপুরে মমতার সভা নিয়ে Prasun Acharya Journalist YouTube চ্যানেলে লাইভ রাত ৯ টা।
2 weeks ago | [YT] | 0
View 7 replies
Prasun Acharya Journalist
লক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়ার আষাঢ় - এ গল্প , সত্যি ভাবলে দায় পাঠকের।
যে সব ইউটিউবার বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটার বা সোশ্যাল মিডিয়া ইন্সফ্লুয়েনসার বিগত নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে নানা ভাবে প্রচার করে চেকের মাধ্যমে টাকা নিয়েছে, তাদের হিসেবটা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হিসেবে উঠে এসেছে। এবং লোকে হৈ হৈ করছে।
কিন্তু বাজারের খবর, এর কয়েক গুণ বেশি টাকা ক্যাশে নিয়েছেন বহু জন। যারা চেকে টাকা নিয়েছে, তারা অনেকেই আবার ক্যাশ টাকা নিয়েছে। সেই টাকার কিন্তু কোনও হিসেব নেই কমিশনের কাছে।
কে বা কারা দিয়েছে সেটা নিয়ে নানা তথ্য শুনেছি। তবে দক্ষিণ কলকাতার এক হোটেলে ৩৫/৪০ জনকে নিয়ে বৈঠকের পরে একাধিক ক্ষেত্রে দিল্লি যেতে হয়েছে। বা ওড়িশায়। সেখানে বৈঠক হয়েছে। কী করতে হবে, প্রচারে কোন দিক বেশি টেনে করাতে হবে তাই নিয়ে রীতিমত ক্লাস নেওয়া হয়েছে। অনেক সময়েই কন্টেন্ট তৈরি করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু নামটা বসাতে হয়ে নিজের চ্যানেল থেকে পোস্ট করতে হয়েছে। টাকা এসেছে ব্যাগে। বা বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। অবশ্য এতে অন্যায়ের কিছু আছে কি??? ভাই তোমার হয়ে খাটবো, টাকা নেব না?
যারা চেকে নিয়েছে বা ক্যাশে দুই পক্ষের ক্ষেত্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র বিরোধিতার ( হতেই পারে। আগের সরকারের অনেক নেতিবাচক দিক ছিল। সঙ্গে দুর্নীতি) পাশাপাশি দুটি মিল।
১) এরা SIR এর সময় লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদকে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে।
২) এরা কলকাতা থেকে গোটা রাজ্য মুসলিম মহিলা বাচ্চা পুরুষে ভরে গিয়েছে বলে দিনের পর দিন একটানা প্রচার করেছে। সঙ্গে দেড় কোটি রোহিঙ্গা বাংলাদেশি মুসলিম এর গল্প। টাকা খাওয়া টিভি চ্যানেলের মত। পুরোটাই একটা ভয়ঙ্কর সাম্প্রদায়িক ন্যারেটিভ বানানোর খেলা।
আর কলকাতা ও জেলার কিছু মুসলিম ধর্মাবলম্বী টিউবার তারাও ৫/৭ লাখ টাকা নিয়েছে। তাদের কাজ ছিল তৃণমূল জমানায় মুসলিমরা কতটা অবহেলিত, অত্যাচারিত, বেকার সেটা তুলে ধরা।
এই যে বিপুল ক্যাশ টাকা, যা সর্বোচ্চ প্রায় ৬০-৬৫ লক্ষ থেকে সর্বনিম্ন ৫/১০ লাখ, কী হয়েছে সেই টাকায়? ব্যাংকে ঢোকানো যায়নি বহু ক্ষেত্রেই। কারণ ইউটিউবের টাকা ব্যাংকে ঢোকে ডলারে। পরে বিপদ হতে পারে।
তাই সেই টাকায় হুগলি জেলায় কেউ জমি কিনেছেন। হ্যাচারি কিনেছেন। কেউ জলা জমি কিনেছেন। সাবেক মেদিনীপুর জেলার কোনও মহিলা বিপুল দামি গাড়ি কিনেছেন। দামি ক্যামেরা কিনেছেন । আবার একজন একটু বেশি শিক্ষিত মহিলা ফ্ল্যাট বুক করেছেন। শিক্ষিত জন কেউ নিজের স্টুডিও সাজিয়ে লোক নিয়োগ করেছেন। লোন শোধ করছেন। কেউ বিরাট করে বিয়ের আয়োজন করবে বলে টাকা সরিয়ে রেখে অন্য ভাবে খরচ করছেন। হোটেল বুক করে নানা ইভেন্ট আয়োজন করেছেন। গলায় গেরুয়া উরনি দেওয়া, শিবের নাম নিয়ে ভাষণ শুরু করা একজন তো ক্যাশ আর চেক দুই নিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। একটা ফ্ল্যাট আছে। আরেকটা বুক করেছে।
অর্থাৎ ক্যাশ টাকা যারা পেয়েছে, তাঁরা আর ঘরে না রেখে খরচ করে ফেলেছে। বেশ করেছেন। বুদ্ধিমানের কাজ করেছেন।
এখন সমস্যা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট মূলত ভিউ ব্যবসা। বিগত দুই মাস তাদের চ্যানেলের ভিউ হু হু করে পড়ছে। কারণ গেরুয়া রং এর বাজারের অবস্থা ডাউন। এদের মাথায় হাত। মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা রোজগার হাজারে নামছে। ফলে এদের অনেকেই আবার একটু সমালোচনার রাস্তা নিচ্ছেন। হুগলির একজন অবশ্য সমালোচনা করতেই ওপরওয়ালার কড়কানি শুনেছে। একই দশা এক দক্ষিণ কলকাতা নিবাসীর। সাবেক মেদিনীপুরেরও। সব মিলিয়ে কি হয় কি হয় ভাব! একজন তো বলছেন, সত্যি বললে আমাকে জেলে পুরবেন নাকি? আচ্ছা মুস্কিল, টাকা নিয়েছেন। এখন উল্টো বললে হবে?
আর তাই দেখে ভাইপোর কথায় প্যাক যাদের টাকা দিয়েছিল মাত্র লাখ খানেক করে, তারা ভোটের পরে এই প্রথম দাঁত বার করে খাঁক খাঁক করে হাসছে। তাদের একজন আবার অন্য একটা কি কারণে জেলে!
তাহলে আমার কথা ফুরালো। নোটে গাছটি মুড়লো। গল্প শেষ।
.......
শেয়ার বা কপি পেস্ট করার দায়িত্ব আপনাদের।
2 weeks ago | [YT] | 0
View 128 replies
Prasun Acharya Journalist
কাত্তিকদা? না কাত্তিকবাবু? নামে কিবা আসে যায়!!!
কার্তিকবাবু কতদূর পড়াশুনা করেছেন জানি না। যদিও পড়াশুনার সঙ্গে এঁদের অনেকের কোনও সম্পর্ক নেই। আশা করি কার্তিকবাবুর আছে।
চৈতন্যদেব সমাজ সংস্কারক হিসেবে কী করেছিলেন, সেটা আশা করি কার্তিকবাবু জানেন। হ্যাঁ, বাংলার প্রথম সমাজ সংস্কারক হিসেবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে তাঁকে শ্রদ্ধা করি। বৈষ্ণব ধর্ম সম্পর্কে কবি কালিদাস রায় কী বলেছিলেন, বৈষ্ণব পদাবলী কী বলছে, একটু পড়া দরকার। তাহলে অন্তরের উগ্র ঘৃণার ভাব কমে। মন শান্ত হয়। পরধর্মে সহিষ্ণুতা বাড়ে। তৎকালীন বাংলার সুলতান মুসলিম ( জেহাদি বলা হত না) হোসেন শার সঙ্গে চৈতন্যদেবের কেমন সুসম্পর্ক ছিল সেটাও কার্তিকবাবুকে পড়ে দেখতে বলবো। তিনি কী ভাবে চৈতন্যদেবকে মদত করেছিলেন সেটাও জানা দরকার।
কার্তিকবাবু জানেন কিনা জানি না, ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহী বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম হিসেবে বিশ্বের দরবারে যিনি পৌঁছে দিয়েছিলেন, তাঁর নাম কার্ল মার্কস। তাঁর দর্শন আপনি মানতে পারেন, নাও মানতে পারেন। কিন্তু পৃথিবীর সমস্ত উন্নত এবং শিক্ষিত আধুনিক দেশে তাঁর দর্শন পড়ানো হয়। অর্থনীতি ও রাষ্ট্র বিজ্ঞানে । অবশ্য কার্তিকবাবু যদি আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানকে স্বীকার করেন। এবং গণেশের দুধ খাওয়াকে ক্যাপিলারি ফোর্সের কামাল বলে মানেন পাশাপাশি হাতির মত শুড়কে প্লাস্টিক সার্জারি বলার ভুল না করেন।
ভ্লাদিমির ইলিয়াচ লেনিন ওই জার্মান মার্কস সাহেবের থিওরি প্রয়োগ করে রাশিয়ায় ফিউডাল জারতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে শ্রমিক শ্রেণির সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর ভুল ভ্রান্তি, সমাজতান্ত্রিক সরকারের পতন থাকতে পারে। কিন্তু পৃথিবীর ইতিহাসে এটা একটা দিক পরিবর্তন। বাঙালির যিনি প্রাণের ঠাকুর সেই রবিবাবু নিজে রাশিয়ায় গিয়ে তখন কী দেখেছিলেন, তাঁর কী মনে হয়েছিল, সেটা পড়ে দেখা দরকার।
আগুন জ্বালান শেখার পরে মানুষ যেমন শিকার পুড়িয়ে খেত, ঠিক তেমনি রাজতন্ত্র বা ফিউডাল সিস্টেমের পরবর্তী ধাপে আসে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এমনকি পুঁজিবাদও। এই পথ মানব সভ্যতার অগ্রগতি হিসেবেই চিহ্নিত হয় গোটা পৃথিবীতে। আর মার্কস বা লেনিন সেখানেই প্রাসঙ্গিক। যেমন বিভিন্ন সময়ে প্রাসঙ্গিক সিদ্ধার্থ, যার নাম বুদ্ধদেব, মহাত্মা গান্ধী, গ্যালিলিও, নিউটন, আইনস্টাইন বা আর্যভট্ট।
বাকি রইল নাম রাস্তার নাম পরিবর্তন। তাতে কার কি যায় আসে! পোস্টাল এড্রেস চেঞ্জ করা ছাড়া। কার্তিকবাবু যদি আজ থেকে ঠিক করেন, তিনি ছাগলকে শূকর বলে ডাকবেন, ডাকুন। আমাদের দর্জিপাড়ায় কার্তিকদাকে লোকে কেতোদা বলে ডাকত। তাতে কি তার হার্ট পেটে চলে গিয়েছিল? যায়নি। তেমনি রাস্তা দিয়ে যানবাহন যথারীতি যাবে। লোকেও হাঁটবে। ফুটপাথে হকার থাকবে।
আবার একদিন কেতোদা সরি কার্তিকদার বদলে গুলেদা আসবে। বলবে, ওসব কেতো কেত দেখিয়ে ফালতু কাজ করেছে। টাকার শ্রাদ্ধ করেছে। রোজ এ সি অফিসে বসে কত কাপ চা খেত জানিস?? বিল দেখেছিস? ওল্ড ইজ গোল্ড। যা ছিল তাই করে দে।
আসলে গরিব সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ রাস্তার নাম নয়, পেটের ভাত, মাথায় ছাদ চায়। এটাই শেষ কথা।
--- প্রসূন আচার্য
২২/৯/২৬
2 weeks ago | [YT] | 546
View 114 replies
Prasun Acharya Journalist
https://youtu.be/c0FhH8OGXdc
Exclusive Early Access For Members
3 weeks ago | [YT] | 10
View 0 replies
Prasun Acharya Journalist
#BreakingNews
আমিষ খাওয়া বাঙালিদের "পাখণ্ডী" বলা এবং দুর্গাপুজোয় মাছ মাংসের দোকান বন্ধ রাখার নিদান দেওয়া, বাগেশ্বর বাবার ছবি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করা দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেস নেতা অতনু দাসকে পুলিশ আটকে রাখতে পারল না। চার দিন পুলিশ হাজতে থাকা অতনুবাবুকে সোমবার আলিপুর জেলা আদালত জামিন দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আরও দুই কংগ্রেস নেতা প্রদীপ প্রসাদ এবং আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনও আদালত মঞ্জুর করেছে। রবিবার ভবানীপুর থানায় ডেকে পাঠিয়ে তাঁদের দুজনকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সোমবার তাঁরা আদালতে হাজিরা দেন। রবিবার একই অভিযোগে আসানসোলের এক কংগ্রেস কর্মীকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
আমি আমার চ্যানেলের এক অনুষ্ঠানে আগেই বলেছিলাম, রাজনৈতিক কারণে কারও কুশপুতুল বা ছবি পোড়ানো আইনের চোখে দণ্ডনীয় অপরাধ নয়। সেটাই প্রমাণিত হল। মাঝখান থেকে, আইনের শাসন ? নাকি শাসকের আইন? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠল। কার্যত মুখ পুড়ল মুখ্যমন্ত্রীর। যা কাঙ্খিত ছিল না। শুভেন্দুবাবু কোন আইনজীবীর পরামর্শে চলছেন জানি না! আমার ভিডিওটি যাঁরা দেখেননি কমেন্ট বক্সে লিঙ্ক দিলাম।
3 weeks ago | [YT] | 813
View 69 replies
Load more