Prasun Acharya Journalist

Let Truth Prevail.

I am Prasun Acharya, Journalist for the last 38 yrs, and have worked 28 years with ABP(Anandabazar Patrika and The Telegraph), 8 years with Bengali daily Bartaman.

Basically I am a Ground Reporter, Political analyst, Social Worker and Environment Activist.

This platform will provide you in-depth Political analysis, Election previews and result analysis. Labour and Farmers movements. Caste struggle, Environmental issues, Geo Politics and Economics.

Discussions on Rightists, RSS and Fascist force, Secularism, Gandhian philosophy, Marxism, and Naxalites. Issues of Adivasi and Minorities. Crony capital—Adani, Ambani, and others. Modi Shah, Trump, Putin, EU, Muslim countries and China.

Bengal politics: Mamata, BJP, CPM, Congress, and others.

Discussion on Kolkata—the City of Joy.

Media analysis: Paid news, Fake news, Propaganda News.


Prasun Acharya Journalist

কাত্তিকদা? না কাত্তিকবাবু? নামে কিবা আসে যায়!!!

কার্তিকবাবু কতদূর পড়াশুনা করেছেন জানি না। যদিও পড়াশুনার সঙ্গে এঁদের অনেকের কোনও সম্পর্ক নেই। আশা করি কার্তিকবাবুর আছে।
চৈতন্যদেব সমাজ সংস্কারক হিসেবে কী করেছিলেন, সেটা আশা করি কার্তিকবাবু জানেন। হ্যাঁ, বাংলার প্রথম সমাজ সংস্কারক হিসেবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে তাঁকে শ্রদ্ধা করি। বৈষ্ণব ধর্ম সম্পর্কে কবি কালিদাস রায় কী বলেছিলেন, বৈষ্ণব পদাবলী কী বলছে, একটু পড়া দরকার। তাহলে অন্তরের উগ্র ঘৃণার ভাব কমে। মন শান্ত হয়। পরধর্মে সহিষ্ণুতা বাড়ে। তৎকালীন বাংলার সুলতান মুসলিম ( জেহাদি বলা হত না) হোসেন শার সঙ্গে চৈতন্যদেবের কেমন সুসম্পর্ক ছিল সেটাও কার্তিকবাবুকে পড়ে দেখতে বলবো। তিনি কী ভাবে চৈতন্যদেবকে মদত করেছিলেন সেটাও জানা দরকার।

কার্তিকবাবু জানেন কিনা জানি না, ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহী বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম হিসেবে বিশ্বের দরবারে যিনি পৌঁছে দিয়েছিলেন, তাঁর নাম কার্ল মার্কস। তাঁর দর্শন আপনি মানতে পারেন, নাও মানতে পারেন। কিন্তু পৃথিবীর সমস্ত উন্নত এবং শিক্ষিত আধুনিক দেশে তাঁর দর্শন পড়ানো হয়। অর্থনীতি ও রাষ্ট্র বিজ্ঞানে । অবশ্য কার্তিকবাবু যদি আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানকে স্বীকার করেন। এবং গণেশের দুধ খাওয়াকে ক্যাপিলারি ফোর্সের কামাল বলে মানেন পাশাপাশি হাতির মত শুড়কে প্লাস্টিক সার্জারি বলার ভুল না করেন।

ভ্লাদিমির ইলিয়াচ লেনিন ওই জার্মান মার্কস সাহেবের থিওরি প্রয়োগ করে রাশিয়ায় ফিউডাল জারতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে শ্রমিক শ্রেণির সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর ভুল ভ্রান্তি, সমাজতান্ত্রিক সরকারের পতন থাকতে পারে। কিন্তু পৃথিবীর ইতিহাসে এটা একটা দিক পরিবর্তন। বাঙালির যিনি প্রাণের ঠাকুর সেই রবিবাবু নিজে রাশিয়ায় গিয়ে তখন কী দেখেছিলেন, তাঁর কী মনে হয়েছিল, সেটা পড়ে দেখা দরকার।

আগুন জ্বালান শেখার পরে মানুষ যেমন শিকার পুড়িয়ে খেত, ঠিক তেমনি রাজতন্ত্র বা ফিউডাল সিস্টেমের পরবর্তী ধাপে আসে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এমনকি পুঁজিবাদও। এই পথ মানব সভ্যতার অগ্রগতি হিসেবেই চিহ্নিত হয় গোটা পৃথিবীতে। আর মার্কস বা লেনিন সেখানেই প্রাসঙ্গিক। যেমন বিভিন্ন সময়ে প্রাসঙ্গিক সিদ্ধার্থ, যার নাম বুদ্ধদেব, মহাত্মা গান্ধী, গ্যালিলিও, নিউটন, আইনস্টাইন বা আর্যভট্ট।

বাকি রইল নাম রাস্তার নাম পরিবর্তন। তাতে কার কি যায় আসে! পোস্টাল এড্রেস চেঞ্জ করা ছাড়া। কার্তিকবাবু যদি আজ থেকে ঠিক করেন, তিনি ছাগলকে শূকর বলে ডাকবেন, ডাকুন। আমাদের দর্জিপাড়ায় কার্তিকদাকে লোকে কেতোদা বলে ডাকত। তাতে কি তার হার্ট পেটে চলে গিয়েছিল? যায়নি। তেমনি রাস্তা দিয়ে যানবাহন যথারীতি যাবে। লোকেও হাঁটবে। ফুটপাথে হকার থাকবে।

আবার একদিন কেতোদা সরি কার্তিকদার বদলে গুলেদা আসবে। বলবে, ওসব কেতো কেত দেখিয়ে ফালতু কাজ করেছে। টাকার শ্রাদ্ধ করেছে। রোজ এ সি অফিসে বসে কত কাপ চা খেত জানিস?? বিল দেখেছিস? ওল্ড ইজ গোল্ড। যা ছিল তাই করে দে।

আসলে গরিব সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ রাস্তার নাম নয়, পেটের ভাত, মাথায় ছাদ চায়। এটাই শেষ কথা।

--- প্রসূন আচার্য
২২/৯/২৬

1 day ago | [YT] | 444

Prasun Acharya Journalist

https://youtu.be/c0FhH8OGXdc
Exclusive Early Access For Members

6 days ago | [YT] | 10

Prasun Acharya Journalist

#BreakingNews
আমিষ খাওয়া বাঙালিদের "পাখণ্ডী" বলা এবং দুর্গাপুজোয় মাছ মাংসের দোকান বন্ধ রাখার নিদান দেওয়া, বাগেশ্বর বাবার ছবি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করা দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেস নেতা অতনু দাসকে পুলিশ আটকে রাখতে পারল না। চার দিন পুলিশ হাজতে থাকা অতনুবাবুকে সোমবার আলিপুর জেলা আদালত জামিন দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আরও দুই কংগ্রেস নেতা প্রদীপ প্রসাদ এবং আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনও আদালত মঞ্জুর করেছে। রবিবার ভবানীপুর থানায় ডেকে পাঠিয়ে তাঁদের দুজনকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সোমবার তাঁরা আদালতে হাজিরা দেন। রবিবার একই অভিযোগে আসানসোলের এক কংগ্রেস কর্মীকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
আমি আমার চ্যানেলের এক অনুষ্ঠানে আগেই বলেছিলাম, রাজনৈতিক কারণে কারও কুশপুতুল বা ছবি পোড়ানো আইনের চোখে দণ্ডনীয় অপরাধ নয়। সেটাই প্রমাণিত হল। মাঝখান থেকে, আইনের শাসন ? নাকি শাসকের আইন? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠল। কার্যত মুখ পুড়ল মুখ্যমন্ত্রীর। যা কাঙ্খিত ছিল না। শুভেন্দুবাবু কোন আইনজীবীর পরামর্শে চলছেন জানি না! আমার ভিডিওটি যাঁরা দেখেননি কমেন্ট বক্সে লিঙ্ক দিলাম।

1 week ago | [YT] | 813

Prasun Acharya Journalist

সঙ্গে থাকুন।দেখতে থাকুন।

1 week ago | [YT] | 644

Prasun Acharya Journalist

এই নিয়ে পুলিশি হেফাজতে ৩ জনের মৃত্যু হল ৪ মাসে। বারুইপুর, হালিশহর এবার বখরাহাট। বারুইপুর কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত বিজেপি কর্মী রঞ্জিত, যাকে এনকাউন্টারে মৃত প্রভাস এর সঙ্গে দেখা গিয়েছিল কথা বলতে, এখনও কিন্তু ধরা পড়েনি। খবর: গণশক্তি।

2 weeks ago | [YT] | 419

Prasun Acharya Journalist

উপলব্ধি

সব কিছু দেখেশুনে আমার, মনে হচ্ছে, এবার সত্যি সত্যি মতাদর্শের লড়াই, ফ্যাসিস্ট বিরোধী লড়াই শুরু হয়েছে। এবং সেই লড়াইতে হিন্দি বলয় এবং দাক্ষিণাত্য নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাঙালি অনেক পিছিয়ে।

১৯৭৫ সালে ইন্দিরার জরুরি শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও বাঙালি পিছিয়ে ছিল। এমন কি এর ১৫ বছর বাদে ১৯৯০ সালে যখন ভিপি সিংহের মণ্ডল কমিশনকে কেন্দ্র করে আন্দোলন হল, উঁচু জাত নিচু জাতের লড়াই, যার ফলে গোটা দেশের রাজনীতি বদলে গেল, হিন্দি বলয়ে কংগ্রেস গুরুত্ব হারাল, তখনও বাঙালি পিছিয়ে ছিল। তারা তথাকথিত কমিউনিস্ট আর কংগ্রেসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রইলো।

এবার মোদী শার ১২ বছরের মাথায় নতুন আন্দোলন শুরু হয়েছে। কিন্তু এখানেও বাংলা পিছিয়ে। বাঙালি ধরতেই পারছে না বাকি দেশ কী ভাবছে, যুবরা কোন পথে চলছে।

১৯৯২ বাবরি মসজিদ রাম মন্দির বিবাদের পরে রাজনৈতিক লাভ তুলতে তুলতে ৩০ বছর ধরে বিজেপি তাদের চূড়ান্ত অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। সেইসঙ্গে ক্ষমতার চূড়ান্ত অপব্যবহার করছে। নতুন প্রজন্ম আর মোদী শার বিজেপিকে, গুজরাট লবিকে, আরএসএসকে অন্ধ ভাবে বিশ্বাস করে না। Whatsapp University ফেল করেছে। মানুষ বুঝতে পারছে পুরো দেশের সম্পদ আদানির হাতে তুলে দেওয়াতেই আনন্দ! অন্য কোনও কাজ নেই। তাই তারা প্রশ্ন করছে। পথে নামছে। প্রতিদিন। সোশ্যাল মিডিয়ায়। শহরে ও গ্রামে।

কিন্তু বাংলায় দেখুন, উল্টো ছবি! সবাই ফটো শুট করতেই ব্যস্ত। আর তাই রে না রে না করছে। এর অন্যতম কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৫ বছর ধরে মতাদর্শ ভিত্তিক রাজনৈতিক কর্মী তৈরি না করে কিছু ধান্দাবাজ, চোর জোচ্চর নেতা আর ৪২০ কিছু সাংবাদিক, অমেরুদণ্ডী টলিউডিকে নিয়েই ব্যস্ত থেকেছেন। ফলে ক্ষমতা হারাতেই চাটুকারদের ৮০% তাঁকে পরিত্যাগ করেছে। চিটে গুড়ের উপর ভনভন করা মাছির মত এরা এখন মধু পদ্মের স্বাদ নিতে ব্যস্ত।

সিপিএম তাদের এই ১৫ বছর ক্ষমতা চলে যাওয়ার কিছুতেই মেনে নিতে না পেরে শুধুই মমতার পতনের জন্য যা যা করার দরকার করেছে। ফলে পাড়ায় লোকালে সিপিএম করলেও পর পর চারটি ভোটে কমরেডরা বোতাম টিপেছে পদ্মে। এটাই অভ্যাসে পরিণত করেছে। হীনবল কংগ্রেস নেতৃত্ব খেউরে ব্যস্ত। কে নির্মাণ করেছে বিধান ভবন? কে? কে?

ফলস্বরূপ এখন খোল কত্তাল বাজিয়ে নাচ, ডিজেতে বিকৃত হনুমানের মুখের পতাকা উড়িয়ে জন্মাষ্টমী পালন আর হেলিকপ্টার থেকে পুষ্প বৃষ্টি... এই সব দেখেই সময় কাটবে বঙ্গবাসীর।

2 weeks ago | [YT] | 801

Prasun Acharya Journalist

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের ছাত্রী আসানসোলের আকৃতি চৌধুরীকে মিথ্যে গল্প ফেঁদে (concocted) জাতীয় নিরাপত্তা আইনে (NSA) ৫ মাস ধরে জেলে আটকে রাখা হয়েছে বলে জানিয়ে দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি অতুল শ্রীধরন ও বিচারপতি অচল সচদেব বুধবার তাঁদের রায়ে জানিয়েছেন, আগে আকৃতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে গল্প সাজানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভাঙচুর সহ যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে, একটার প্রমাণও পুলিশ দিতে পারেনি। উত্তর প্রদেশের নয়ডায় মজুরি বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবিতে শ্রমিক আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আকৃতি। আদালত নয়ডা কর্তৃপক্ষকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও বলেছে। যা আকৃতিকে দিতে হবে। তবে এখনই জেল থেকে তিনি ছাড়া পাচ্ছেন না। কারণ, তাঁর বিরুদ্ধে ১১ টি মামলার মধ্যে ৫ টিতে জামিন হয়েছে। এখনও ৬ টি কেস ঝুলে আছে।

2 weeks ago | [YT] | 641

Prasun Acharya Journalist

সবই আদানির জন্য

3 weeks ago | [YT] | 529

Prasun Acharya Journalist

গেরুয়াধারী কিছু দুষ্কৃতী "দিমাগী নকশাল" স্লোগান দিয়ে গেরুয়া রং করলো। ২ ঘন্টার মধ্যে আনন্দ বাজার আবার নিজেদের দেওয়াল সাদা করে দিল। এ যেন যাদবপুরের পুনরাবৃত্তি!

3 weeks ago | [YT] | 478

Prasun Acharya Journalist

#BreakingNews
২০ আগষ্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হাঙ্গামার পরের দিন প্রথম পাতার লিড খবরে আনন্দবাজার পত্রিকা "গেরুয়া গুন্ডামি" লেখার জন্য কোনও ক্ষমা চাইবে না। একথা লেখার জন্য ABVP এর করা মামলা আদালতে লড়বে। আপাতত এটাই স্ট্যান্ড।
গতকাল (২৮/৮) যাদবপুরের এক সভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আনন্দবাজারকে প্রথম পাতায় ক্ষমা চাওয়ার "নির্দেশ" দিয়েছিলেন। ABP এর স্ট্যান্ড খুবই ইতিবাচক বলে মনে করি।

২৮ বছর একটানা আনন্দবাজার এবং The Telegraph এ রাজনৈতিক সংবাদদাতা ছিলাম। ভুল বা মিথ্যে খবরের বড় কোনও rejoinder নেই। (একমাত্র জ্যোতি বসুর ভারতরত্ন দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের UPA সরকারের প্রস্তাব দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিল বিশ্বাসের প্রতিবাদ ছাড়া। যদিও পরে বিষয়টির সত্যতা স্পষ্ট হয়ে যায়।) এক্ষেত্রেও একাধিক সূত্র বিশ্বাসযোগ্য।

3 weeks ago | [YT] | 633