PRANARAM Sangeet

"Pranaram Sangeet"-
spiritual musical series produced by
Pranaram Ramakrishna Society is a genuine attempt at infusing the abundance of our cultural heritage in the younger generations. What better agency than Music can there be to inspire the young and aged alike?
Its now time for us to bow before the lineage of Gurus and relish the beatitude of divine buoyancy.
Jay Pranaram Thakur Sri Ramakrishna!!!

---------------------------


---------------------


PRANARAM Sangeet

ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে সমগ্র রাগ কে শ্রেণীবদ্ধ করার প্রধান কাঠামো হলো থাট। পণ্ডিত বিষ্ণুনারায়ণ ভাতখণ্ডে উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে প্রধান ১০টি থাট নির্ধারণ করেছেন।
সহজ ভাবে বোঝতে গেলে থাট হলো একটা গাছের মূল শেকড়, আর রাগগুলো হলো তার ডালপালা বা ফুল-ফল। একটা থাট বা শেকড় থেকে অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন রাগ ফুটে বের হয়।

এই ছবিটিতে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ১০টি প্রধান থাট (Thaat) এবং তাদের স্বর গঠনের সহজ রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

✍️ Banya Mukhopadhyay

1 month ago | [YT] | 22

PRANARAM Sangeet

🔴ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে সাতটি স্বর প্রকৃতির নানা পশুপাখির ডাক বা ধ্বনি থেকে গৃহীত হয়েছে বলে মনে করা হয়। নিচে এই স্বরগুলোর উৎপত্তি ও তাৎপর্য বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:--
♦️১. ষড়জ (সা)
উৎস: ময়ূর....
আকাশে কাল মেঘ ঘনিয়ে এলে এবং বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলে ময়ূর আনন্দে কেকাধ্বনি করে ওঠে। ময়ূরের এই আনন্দঘন সুর থেকেই প্রথম স্বর 'ষড়জ' বা 'সা'-এর উৎপত্তি। 'ষড়জ' শব্দটির অর্থ হলো যা থেকে বাকি ছয়টি স্বরের জন্ম হয়।
♦️২. ঋষভ (রে)
উৎস গরু (বা গাভী)...
যখন একটি গাভী তার বাছুর থেকে আলাদা হয়ে যায়, তখন সে ব্যাকুল হয়ে বাছুরকে ডাকার জন্য যে নির্দিষ্ট গম্ভীর স্বরে হাম্বা রব করে, সেখান থেকেই 'ঋষভ' বা 'রে' স্বরের সৃষ্টি। এই স্বরের মধ্যে এক ধরনের আহ্বান ও আবেগের ভাব রয়েছে।
♦️৩. গান্ধার (গা)
উৎস: ছাগল...
ছাগল যখন দলের মধ্যে থাকে কিংবা ডাকার সময় যে 'ব্যা-ব্যা' ধ্বনি বা মিমিয়ান আওয়াজ সৃষ্টি করে, তা থেকে 'গান্ধার' বা 'গা' স্বরের উৎপত্তি।
♦️৪. মধ্যম (মা)
উৎস: বক (বা সারস পাখি)....
বক বা জলচর পাখি যখন ডাক দেয় বা ক্রন্দনধ্বনি করে, সেই স্বর থেকে 'মধ্যম' বা 'মা' স্বর গৃহীত হয়েছে। সপ্তকের একদম মাঝখানে অবস্থান করায় একে 'মধ্যম' বলা হয় এবং এটি সঙ্গীতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্বর।
♦️৫. পঞ্চম (পা)
উৎস: কোকিল...
বসন্তকালে ভারতীয় কোকিল যে মধুর ও মিষ্টি 'কুহু কুহু' তান তোলে, তা থেকেই 'পঞ্চম' বা 'পা' স্বরের উৎপত্তি। প্রকৃতির সবচেয়ে মধুর ধ্বনিগুলোর একটি হওয়ার কারণে সঙ্গীতে 'পঞ্চম' স্বরটি অত্যন্ত আনন্দদায়ক ও মধুর বলে বিবেচিত।
♦️৬. ধৈবত (ধা)
উৎস: ঘোড়া....
ঘোড়ার চিঁহিঁ ধ্বনি থেকে 'ধৈবত' বা 'ধা' স্বরের উৎপত্তি। এই স্বরের মধ্যে এক ধরনের শক্তি, গতি এবং উচ্চ চালনার ভাব প্রকাশ পায়।
♦️৭. নিখাদ (নি)
উৎস: হাতি...
হাতির গম্ভীর ও বিশাল গর্জন থেকে সপ্তকের সপ্তম বা শেষ স্বর 'নিখাদ' বা 'নি'-এর উৎপত্তি। এটি সপ্তকের সবচেয়ে উচ্চ স্বর হিসেবে ধরা হয়।

♦️ভারতীয় সঙ্গীতের এই ধারণাটি দেখায় যে, শাস্ত্রীয় সঙ্গীদের মূল সুরগুলো কোনো কৃত্রিম উপায়ে তৈরি হয়নি, বরং প্রকৃতির স্বাভাবিক ধ্বনিগুলোকে পর্যবেক্ষণ করেই সপ্তকের সাতটি স্বরকে বাঁধাই করা হয়েছে।

✍️ Banya Mukhopadhyay( বন্যা )

🔴কপি করার অনুমতি নেই

1 month ago | [YT] | 33

PRANARAM Sangeet

আগামী *১২ই ডিসেম্বর ২০২৬*, শনিবার *Pranaram Sangeet* চ্যানেল আয়োজিত দিব্যত্রয়ী-ভাবানুরাগী *সঙ্গীত সম্মেলন*( *বিকাল ৩টা থেকে রাত্রি ৭টা*) আয়োজন করা হয়েছে *স্বামী বিবেকানন্দের পৈতৃক আবাসের রামকৃষ্ণ মঞ্চে*।
*অনুদান ৫০০/-* মাত্র।
🔱 *আপনার প্রিয় ও পরিচিত মানুষের কাছে এটি শেয়ার করুন*।🔱
*অনলাইনে পেতে WhatsApp করুন: 9331289391*
এখন *অনলাইনে* পাওয়া যাচ্ছে।
*পেমেন্টের পর পেমেন্টের রিসিপ্টের স্ক্রিনশট অবশ্যই পাঠাবেন।*
===============
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন :
*পূজনীয় স্বামী কৃপাকরানন্দজী*
*পূজনীয় স্বামী সামপ্রিয়ানন্দজী*
এবং
*পূজনীয় স্বামী কেশবানন্দজী*।

সঞ্চালনায়- *অধ্যাপক ডঃ সোমনাথ ভট্টাচার্য*।
============
---------------------------
{To Book the ticket of *Sangeet sammelan* on *12th December 2026* please Donate minimum *Rs. 500/-* for each person :---
☀️in *Gpay/ Phonepe/paytm number-- 9331289391*
---------------------
or
---------------------
☀️in
Account Name:
PABITRA KUMAR SUR
Punjab National Bank
Account Number: 0083010021243
Branch : COLLEGE STRRET
IFSC Code= PUNB0008320
============
*জয় প্রাণারাম ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ!!!*
🙏🙏☀️🙏🙏

1 month ago | [YT] | 33

PRANARAM Sangeet

দোল বা হোলি উৎসবের আগে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় গান নিয়ে ভাবনা
@@@@@@#@@@@@

পঙ্কজ বন্দ্যোপাধ্যায়
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার
@@@@@@@@@@
সকাল থেকেই গানের কথাগুলো গুণগুণ করছিল মস্তিষ্কে। এটি আমার অত্যন্ত ভালো লাগার গান। এরপর বারকতক শুনেই ফেললাম। ভাবলাম গানটি শুনতে শুনতে ভাবনা কেমন হয়ে গেল সেটা তোমাদের বলি।

ব্রজগোপী খেলে হোলি গানটি মূলত কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ভক্তিগীতি। এটি ব্রজধামের হোলি বা দোল উৎসবের এক জীবন্ত বর্ণনা।

∆∆∆ গানের পুরো বাণী

ব্রজগোপী খেলে হোলি রাধা সনে বনমালী।
কুঙ্কুম আবির হোরি পিচকারি মারে মারি।
যমুনা পুলিনে আজ কিসেরই হোরি,
রাধা কৃষ্ণ খেলে হোলি ব্রজপুরী ভরি।
শ্যাম তনু হেরি রাধা কুঙ্কুমে রাঙালো,
রাধা তনু হেরি শ্যাম আবিরে সাজালো।
প্রেমের ফাগুন এল রাঙালো এ ধরণী,
গোপীগণ নাচে আজ হয়ে উন্মাদিনী।

∆∆∆ গানের প্রেক্ষাপট
এই গানটি বৃন্দাবনের পটভূমিতে রচিত। এখানে বসন্তের আগমনে শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্রীরাধিকার সঙ্গে গোপীগনের দোল খেলার দৃশ্য বর্ণিত হয়েছে। এটি কেবল একটি খেলা নয়, এটি হলো প্রেমের এক পরম আনন্দ উৎসব। প্রকৃতি যখন নতুন রঙে সেজে ওঠে তখন ভক্ত ও ভগবানের মিলন কীভাবে পূর্ণতা পায়, তাই এই গানে ফুটে উঠেছে।

∆∆∆ আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানের আলোকে
আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানে গোপীরা হলো জীবাত্মার প্রতীক এবং শ্রীকৃষ্ণ হলেন পরমাত্মা। হোলি বা দোল খেলার এই রং আসলে অনুরাগের রং। যখন জীবাত্মা পরমাত্মার প্রেমে নিজেকে রাঙিয়ে নেয় তখন তাদের মধ্যে কোনো দূরত্ব থাকে না। আবির খেলা এখানে অহংকার বিসর্জনের প্রতীক। শ্রীরামকৃষ্ণ যেমন বলতেন যে ভক্তির রঙে মনকে রাঙাতে পারলে আর কোনো মলিনতা থাকে না, এই গানটি সেই পরম ভক্তির কথাই মনে করিয়ে দেয়। এটি হলো হৃদয়ের বৃন্দাবনে নিত্য আনন্দের সন্ধান।

∆∆∆ আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে∆∆∆
আধুনিক বিজ্ঞান বিশেষ করে মনোবিজ্ঞান ও বর্ণ বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এর ব্যাখ্যা অত্যন্ত চমকপ্রদ।

প্রথমত, কালার থেরাপি ও মস্তিষ্ক। লাল ও উজ্জ্বল রং আমাদের মস্তিষ্কে উদ্দীপনা তৈরি করে। এটি আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় করে এবং অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে। এই গানে যে রঙের উৎসবের কথা বলা হয়েছে তা মানুষের মনে ডোপামিন হরমোন নিঃসরণ বাড়ায় যা আমাদের সুখী ও উজ্জীবিত রাখে।

দ্বিতীয়ত, মিউজিক থেরাপি ও স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট। এই গানের তাল ও লয় এমনভাবে তৈরি যা আমাদের হৃদস্পন্দনকে স্বাভাবিক রাখতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। সামাজিক ভাবে একত্রে আনন্দ করার ফলে আমাদের মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন হরমোন বৃদ্ধি পায় যা মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ এবং মানসিক নিরাপত্তা তৈরি করে।

তৃতীয়ত, এন্ডোরফিন ও হ্যাপিনেস। গানে বর্ণিত যে উন্মাদিনী হয়ে নাচার কথা বলা হয়েছে তা আসলে একটি পরম আনন্দের অবস্থা। শারীরিক চলাফেরা বা নাচের ফলে শরীরে এন্ডোরফিন তৈরি হয় যা আমাদের শারীরিক কষ্ট কমিয়ে এক ধরণের প্রাকৃতিক প্রশান্তি এনে দেয়।

এই গানটি শুনলে মনে হয় আমরা নিজেরাই যেন সেই বৃন্দাবনে পৌঁছে গেছি।
তাই না???

8 months ago | [YT] | 13

PRANARAM Sangeet

ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সপ্তস্বর—(সা, রে, গা, মা, পা, ধা, নি)— আমাদের সাতটি চক্র এবং গ্রহশক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতিটি স্বর একটি নির্দিষ্ট দেবতা, গ্রহ এবং প্রকৃতির নীতিকে নির্দেশ করে।

সা (ষড়জ) ময়ূরের ডাক থেকে উদ্ভূত বলে মনে করা হয় এবং এটি গণেশের সাথে যুক্ত, মূলাধার চক্রকে প্রতিনিধিত্ব করে যা আমাদের স্থায়িত্ব, ভিত্তি ও জাগরণ শুরু করে।
রে (ঋষভ) গরুর ডাক থেকে উদ্ভূত এবং ব্রহ্মার সাথে সম্পর্কিত, যা স্বাধিষ্ঠান চক্র, আমাদের শক্তি কেন্দ্রকে সক্রিয় করে।
গা (গান্ধার) যা ছাগলের ডাক থেকে উদ্ভূত বলে মনে করা হয়, দেবী সরস্বতীর সাথে সম্পর্কিত এবং মণিপুর চক্রের সাথে যুক্ত যা আমাদের সৃজনশীল শক্তিকে উদ্দীপিত করে।
মা (মধ্যম) বকের আওয়াজ থেকে সৃষ্ট এবং বিষ্ণুর সাথে সংযুক্ত, যা অনাহত চক্রের সাথে অনুরণিত হয়। আমাদের মধ্যে ভক্তি এবং পবিত্রতা জাগিয়ে তোলে।
পা (পঞ্চম) কোকিল থেকে উদ্ভূত, যা নারদ বা কৃষ্ণকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং বিশুদ্ধ চক্রে স্পন্দিত হয়, সত্যকে পরিমার্জিত করে।
ধা (ধৈবত), ঘোড়া থেকে উদ্ভূত, শিব এবং আজ্ঞা চক্রের সাথে সম্পর্কিত যা আমাদের অন্তর্দৃষ্টি উন্মোচন করে।
নি (নিষাদ), হস্তী থেকে প্রাপ্ত, সহস্রার চক্রে চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে, যা আত্মাকে ঐশ্বরিকের সাথে একীভূত করে। যেখানে দিব্য মিলনের সমাপ্তি ঘটে।

জ্যোতিষশাস্ত্রীয় সঙ্গীততত্ত্ব অনুসারে, প্রতিটি গ্রহ সাতটি স্বরের একটিকে নিয়ন্ত্রণ করে। সা (ষড়জ) সূর্যের সাথে, রে (ঋষভ) বুধের সাথে, গা (গান্ধার) শুক্রের সাথে, মা (মধ্যম) মঙ্গলের সাথে, পা (পঞ্চম) চন্দ্রের সাথে, ধা (ধৈবত) বৃহস্পতির সাথে এবং নি (নিষাদ) শনির সাথে সম্পর্কিত।
একজন ব্যক্তির রাশি, অধিপতি গ্রহ এবং বাদ্যযন্ত্রের স্বরকে একত্রিত করে নিরাময়কারী রাগ তৈরি করা যেতে পারে। প্রতিটি স্বর শুদ্ধ, কোমল বা তীব্র হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, 'মা' সাধারণত শুদ্ধ হয়, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এটি তীব্র হতে পারে। এই প্রবন্ধে স্বরগুলোকে গ্রহের দূরত্ব এবং গুণাবলীর সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে।
শাস্ত্র অনুসারে, নির্দিষ্ট কিছু রাশির জাতক-জাতিকারা নির্দিষ্ট রাগ শুনলে উপকৃত হন। উদাহরণস্বরূপ, কর্কট রাশির জাতক, যার অধিপতি গ্রহ চন্দ্র, তার 'পা' স্বরের উপর ভিত্তি করে তৈরি রাগ শোনা উচিত।

8 months ago | [YT] | 12

PRANARAM Sangeet

🙏শ্রীশ্রী মায়ের পুণ্য দর্শন, ১৯/১০/২০২৫,
শ্রীশ্রী মাতৃমন্দির, জয়রামবাটী🙏

1 year ago | [YT] | 161

PRANARAM Sangeet

সঙ্গীতের উৎপত্তি নিয়ে ৬টি মজার প্রাচীন বিশ্বাস

মূ
লত দেবতাদের দূত হিসেবে কাজ করা হার্মিস নিজেও ছিলেন
চৌর্যবৃত্তি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাহিত্যের দেবতা। শৈশবে একবার তিনি তাকে আটকে রাখা বাঁধন ছিড়ে চলে গিয়েছিলেন তার ভাই অ্যাপোলো যেখানে নানা পশু চড়াচ্ছিলেন, ঠিক সেখানে। এরপর শুরুতে কিছুক্ষণ ভাইকে তার কাজে সাহায্য করলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে একটি কচ্ছপ ধরে সেটিকে হত্যা করেন হার্মিস। এরপর সেই কচ্ছপের খোলসটিকে পরিপূর্ণ রুপে পরিষ্কার করে নেন তিনি। পরে অ্যাপোলোর গরুর নাড়িভুঁড়ি ব্যবহার করে সেই খোলককে তিনি একটি বীণায় রূপান্তরিত করেন! প্রাচীন গ্রীকরা ধারণা করতো, দেবতা হার্মিসই বিশ্বের প্রথম বীণাটি তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীতে যখন তাকে পশুহত্যার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলো, তখন তিনি বীণায় এত চমৎকার সুর তুললেন যে, অ্যাপোলো সেই বীণার বিনিময়ে নিজের পশুগুলোই দিয়ে দিলেন হার্মিসকে। বীণার পাশাপাশি বাঁশি ও প্যানপাইপ উদ্ভাবনের কৃতিত্বও হার্মিসকে দিতো গ্রীকরা।

গ্রীক মিথলজিতে সঙ্গীতের সাথে জড়িত আরেক গুরুত্বপূর্ণ যে ব্যক্তির কথা এসেছে, তিনি অর্ফিয়াস। তাকে ‘সঙ্গীতের জনক’ও বলা হয়ে থাকে। অ্যাপোলোর কাছ থেকে বীণা পেয়ে তিনি এতটাই চমৎকারভাবে সেটি বাজাতে শুরু করেন যে গাছপালা, পশুপাখি, এমনকি নিরেট পাথরও নাকি তার সুরে অভিভূত হয়ে নাচতে শুরু করে দিয়েছিলো। মৃত্যুর পর তার সেই বীণাকে স্বর্গের মাঝেই রেখে দেয়া হয় একটি নক্ষত্রপুঞ্জ হিসেবে। সেখানে থেকেই সেই বীণা সুর তুলে যাবে অনন্তকাল।



ঝড়ের দেবতা সুসানুর উপর রাগ করে একবার আমাতেরাসু গিয়ে বসে রইলেন এক গুহার মধ্যে। এদিকে তার অনুপস্থিতিতে পুরো সৃষ্টিজগত অন্ধকারে ঢেকে গেলো, বন্ধ হয়ে গেল খাদ্যশস্যের উৎপাদন। দেবতারা সবাই প্রাণপণ চেষ্টা করতে লাগলেন আমাতেরাসুর অভিমান ভাঙাবার, কিন্তু ব্যর্থ হলেন প্রত্যেকেই। এমন সংকটময় পরিস্থিতি থেকে সৃষ্টিজগতকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন উজুমি। তিনি সারা গা মস ও গাছের পাতা দিয়ে ঢেকে চলে যান আমাতেরাসুর গুহার সামনে। এরপর সেখানে তিনি অনবরত গান গাইতে থাকেন, সাথে চলতে থাকে তার নাচ। একসময় হঠাৎ করে তার ছদ্মবেশ খুলে যায়, দেবতারা তার আসল রুপ জানতে পেরে কর্কশ কণ্ঠে অট্টহাসি শুরু করে। তাদের সেই হাসি শুনে কৌতূহলবশত গুহা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন আমাতেরাসু। আর এভাবেই ভয়াবহ এক সংকট থেকে রক্ষা পায় পুরো সৃষ্টিজগত!

৫) মিশরীয় সংস্কৃতি

লেখালেখি কিংবা গণনায় ব্যস্ত হিসেবে চিত্রায়িত ঠথকে প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা জ্ঞানের দেবতা হিসেবে মানতো। মানবদেহ ও আইবিস পাখির মাথাবিশিষ্ট ঠথের হাতে লেখালেখির জন্য সবসময় কলম ও বোর্ড থাকতোই!

খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতকে গ্রীক ইতিহাসবিদ ডিওডোরাস সাইকালাস ঠথকে প্রথম বীণা তৈরির কৃতিত্ব দিয়েছিলেন। বলা হয়ে থাকে, প্রাচীন মিশরের বীণাগুলো তিন তার বিশিষ্ট ছিলো, যা মিশরের তিনটি ঋতুকে প্রতিনিধিত্ব করতো। ঠথ কীভাবে বীণাটি বানিয়েছিলেন তা শুনলে বেশ মজাই পেতে হবে। একদিন দেবতা ঠথ নীল নদের তীর ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সামনে পড়েছিলো মৃত একটি কচ্ছপের শুকিয়ে যাওয়া খোলস। হঠাৎ করে তার মনের মাঝে কী খেয়াল চাপলো কে জানে, তিনি সজোরে লাথি বসিয়ে দিলেন সেই খোলসে!

লাথি দেয়ার পর খোলস থেকে যে শব্দ বেরোলো তা শুনে বেশ ভালো লেগে যায় ঠথের। তাই তিনি খোলসটা আবার কুড়িয়ে আনেন। এরপর বিভিন্ন প্রাণীর নাড়িভুঁড়ি তাতে লাগিয়ে তিনি তৈরি করেন সুমধুর সুর সৃষ্টিকারী এক বীণা!

৬) চীনা সংস্কৃতি

চীনা ধর্ম হিসেবে পরিচিত চীনের হান জনগোষ্ঠীর মেনে চলা ধর্মবিশ্বাসে এক দেবতা ছিলেন হুয়াংদি। উপকথা থেকে জানা যায়, একবার তিনি লিং লুন নামক এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সুরসৃষ্টির জন্য। দেবতার কাছ থেকে এমন নির্দেশ পেয়ে লিং লুন একটি বাঁশি বানালেন। কিন্তু ওতে সুর ঠিকমতো তৈরি হতো না। এমনকি একবার হুয়াংদি যখন লিং লুনের বাড়ির পাশে দিয়ে ঘোড়ায় চড়ে যাচ্ছিলেন, তখন লুনের বাঁশির শব্দ শুনে ঘোড়াটি চমকে উঠে পা ছোড়াছুঁড়ি শুরু করে দেয়। এতে ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে যান দেবতা নিজেই!

এমন ঘটনায় লজ্জায় দেবতার পায়ে গিয়ে পড়েন লিং লুন। তার মৃত্যু অনিবার্য ভেবে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হুয়াংদি দয়াপরবশ হয়ে লিং লুনকে তার কাজ চালিয়ে নিতে বলেন। এভাবে বাঁশি উন্নততর করার চেষ্টা করতে করতে একদিন তিনি ফিনিক্স পাহাড়ে গিয়ে পৌঁছেন। সেখানে নারী ও পুরুষ ফিনিক্স পাখিদের সুমধুর কণ্ঠ শুনে তাদের সুরের সাথে মিলিয়ে বাঁশিতে বানান তিনি। এভাবেই প্রাচীন চীনের কিংবদন্তীতে ‘সুরের প্রতিষ্ঠাতা’ হিসেবে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করে নিয়েছিলেন লিং লুন।

1 year ago | [YT] | 12

PRANARAM Sangeet

*মা গো তুমি*
*রাজরাজেশ্বরী মা,*
*তুমিই গোলকে*
*বিষ্ণুর কমলা- নারায়ণী।*
কৈলাসে মা তুমি শিব ঘরনী
সতী, তুমি দক্ষ নন্দিনী।।

*ত্রেতায় তুমিই মা*
*মিথিলা আদরিণী,*
*শ্রী রামের পরিণীতা*
*জনক দুহিতা সীতা।।*
কৃষ্ণ প্রাণাধিকা আহ্লাদিনী শক্তি
তুমিই দ্বাপরে শ্রীমতী রাধা,
জীবের ভক্তি- মুক্তি।।

*তুমি মা সারদা, তুমি সরস্বতী*
*শ্রীরামকৃষ্ণের সাধন শক্তি।*
তুমি মা জ্ঞান দায়িনী
কলির কলুষ হারিণী
তুমি মা তারা- তারিণী,
তুমি সর্ব মোক্ষ প্রদায়িনী মুক্তি।।

কথা- তপতী মুখোপাধ্যায়
সুর ও কণ্ঠে - স্নেহাংশু দত্ত 👇

https://youtu.be/dV2FOIXVSNQ

1 year ago | [YT] | 11

PRANARAM Sangeet

জয় প্রাণারাম ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

1 year ago | [YT] | 18