আমি নতুন সবাই আমাকে সাপোর্ট করবেন প্লিজ 🌺🌺🌺 সাবস্ক্রাইব মাই ইউটিউব চ্যানেল


AsHraful AnAs AM

সৌদি টিকটক ফেসবুক ইউটিউব সেলেব্রিটি Hemex❤️💝

1 month ago | [YT] | 4

AsHraful AnAs AM

ফেসবুকের ট্রেন্ডিং ছবি গুলো, ভাইরাল ছবি ৮০ দশকের ছবি🙄🤭

1 month ago | [YT] | 2

AsHraful AnAs AM

৮ জিলহজ (তারবিয়া দিবস)হজের আনুষ্ঠানিকতা এই দিন থেকে শুরু হয়।২৬-৫-২৬

হাজিদের জন্য: মক্কা থেকে মিনায় গমন এবং সেখানে রাত যাপন করা।
অন্যান্যদের জন্য: এদিন নফল রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।

৯ জিলহজ (আরাফার দিন)বছরের সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ দিনগুলোর মধ্যে অন্যতম।হাজিদের জন্য: আরাফার ময়দানে অবস্থান করা হজের প্রধান রুকন। এখানে দোয়া কবুল হয়।২৭-৫-২৬
অন্যান্যদের জন্য: আরাফার দিনের রোজার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এই দিনের রোজার বরকতে আগের ও পরের বছরের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।তাকবির: এদিন ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রতিটি ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা ওয়াজিব।

১০ জিলহজ (ঈদুল আজহা / ইয়াওমুন নাহর)ইসলামের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব এবং ত্যাগের দিন।হাজিদের জন্য: মিনায় কঙ্কর নিক্ষেপ, কোরবানি, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করা এবং মক্কায় গিয়ে তাওয়াফে জিয়ারত করা।অন্যান্যদের জন্য: ঈদুল আজহার নামাজ আদায় এবং সামর্থ্যবানদের জন্য পশু কোরবানি দেওয়া।২৮-৫-২৬

** ১ থেকে ৮ জিলহজ্জ: এই দিনগুলোতে নফল রোজা রাখা, বেশি বেশি জিকির ও তাসবীহ পাঠ করা এবং নখ-চুল না কাটার আমল করা উচিত।
• ৯ জিলহজ্জ: এই দিনের প্রধান আমল হলো আরাফাহর রোজা রাখা এবং ফজর নামাজ থেকে তাকবীরে তাশরিক শুরু করা।
• ১০ জিলহজ্জ: সকালে ঈদের নামাজ পড়া, নামাজের পর সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানি করা এবং প্রতি ফরয নামাজ শেষে তাকবীরে তাশরিক বলা।
• ১১ ও ১২ জিলহজ্জ: এই দিনগুলোতে ঈদের আনন্দ করা, তবে কোনো রোজা রাখা যাবে না। প্রয়োজন হলে এই দিনগুলোতেও কোরবানি করা যাবে এবং প্রতি ফরয নামাজের পর তাকবীর বলতে হবে।
• ১৩ জিলহজ্জ: এই দিনও রোজা রাখা নিষেধ। এই দিন আসর নামাজ পর্যন্ত তাকবীরে তাশরিক বলা অব্যাহত রাখতে হবে এবং আসরের নামাজের পর এই তাকবীর বলার আমল শেষ হবে।

** জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ অর্থাৎ আরাফার দিন গোটা বছরের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং মর্যাদাপূর্ণ দিন। বিশেষ করে যারা হজে যেতে পারেননি, তাদের জন্য এই দিনের ফজিলত ও গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে আরাফার দিনের প্রধান প্রধান ফজিলতগুলো আলোচনা করা হলো:
১. এক বছরের অতীত ও এক বছরের ভবিষ্যৎ গুনাহ মাফ:
আরাফার দিনের সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো এই দিনের একটি রোজা বিগত ও অনাগত মোট দুই বছরের গুনাহ খাতা মিটিয়ে দেয়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, "আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, তা বিগত এক বছর এবং আগামী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে।" (সহীহ মুসলিম)
২. জাহান্নাম থেকে মুক্তির দিন:
আরাফার দিনে আল্লাহ তাআলা যত বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন, বছরের অন্য কোনো দিন এত বেশি মানুষকে মুক্তি দেন না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "আরাফার দিনের চেয়ে অন্য কোনো দিন আল্লাহ তাআলা এত বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন না। আল্লাহ এই দিনে বান্দাদের নিকটবর্তী হন এবং ফেরেশতাদের সামনে গর্ব করে বলেন, আমার এই বান্দারা কী চায়?" (সহীহ মুসলিম)
৩. দ্বীন বা ইসলাম পূর্ণতা পাওয়ার দিন:
এই পবিত্র দিনেই আল্লাহ তাআলা মানবজাতির জন্য ইসলাম ধর্মকে পূর্ণাঙ্গ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ইহুদিরা উমর (রা.)-কে বলেছিল, "আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে, তা যদি আমাদের ওপর নাজিল হতো, তবে আমরা সেই দিনটিকে ঈদের দিন বানিয়ে নিতাম।" উমর (রা.) জিজ্ঞেস করলেন, "কোন আয়াত?" তারা বলল, "আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম..." (সূরা মায়িদাহ: ৩)। তখন উমর (রা.) বললেন, "আল্লাহর কসম! আমি অবশ্যই জানি কোন দিন এবং কোন স্থানে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর এই আয়াত নাজিল হয়েছিল। সেটি ছিল আরাফার দিন, আর সেদিন ছিল জুমাবার।" (সহীহ বুখারী)
৪. শয়তানের চরম লাঞ্ছনার দিন:
আল্লাহ তাআলা এই দিনে কোটি কোটি বান্দাকে ক্ষমা করেন এবং রহমত বর্ষণ করেন। বান্দাদের এই ক্ষমা পাওয়া দেখে শয়তান চরম হতাশ ও লাঞ্ছিত বোধ করে। হাদিসে এসেছে, আরাফার দিন শয়তানকে যতটা ক্ষুদ্র, নিকৃষ্ট, জিল্লতিগ্রস্ত ও রাগান্বিত দেখা যায়, বছরের অন্য কোনো দিন এমন দেখা যায় না। (মুয়াত্তা ইমাম মালিক)
৫. দোয়া কবুলের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন:
আরাফার দিন মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করার সর্বোত্তম সময়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া হলো আরাফা দিবসের দোয়া। আর আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণ যে সর্বশ্রেষ্ঠ বাণী উচ্চারণ করেছি, তা হলো: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।" (সুনানে তিরমিযী)
আরাফার দিনের করণীয় আমল:
• রোজা রাখা: যারা হজে যাননি বা মিনায় অবস্থান করছেন না, তাদের জন্য ৯ জিলহজ্জ রোজা রাখা সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ।
• তাকবীরে তাশরিক: ৯ জিলহজ্জ ফজর নামাজ থেকে শুরু করে প্রত্যেক ফরয নামাজের পর উচ্চস্বরে একবার "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ" বলা ওয়াজিব।
• বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার: এই দিনে নিজের ও উম্মাহর ক্ষমার জন্য আল্লাহর কাছে রোনাজারি করা।
• গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা: চোখ, কান, জিহ্বা ও হাত-পা'কে সব ধরনের অন্যায় কাজ থেকে দূরে রাখা।

5 months ago | [YT] | 1

AsHraful AnAs AM

পোষাক কোনটা বেশি সুন্দর🥰
১ নাকি ২ নাম্বার টা

6 months ago | [YT] | 1

AsHraful AnAs AM

রাতটা রঙিন লাগছে🥰

7 months ago | [YT] | 1

AsHraful AnAs AM

আলহামদুলিল্লাহ চতুর্থ বারের মতো উমরাহ করলাম 🕋🤲

8 months ago | [YT] | 12

AsHraful AnAs AM

কাকে আনতে চান ক্ষমতায়❤️

8 months ago | [YT] | 4

AsHraful AnAs AM

আমি দেশে আসছি, গ্রামের বাড়ি তাই ঠিক মত পোষ্ট করতে পারিনা,, 😭 আমাকে ভুলে যাবেন না🙏🙏

1 year ago | [YT] | 0

AsHraful AnAs AM

মহারানী আপনারে ভুলে থাকবো কিভাবে কন...?

1 year ago | [YT] | 1

AsHraful AnAs AM

আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, ব্যস্ততার কারণে আগে জানাতে পারি নাই,,, আমার সকল ইউটিউব সাবস্ক্রাইবার ভাই ও বোনদের কে জানাই পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক 🌙🌙

1 year ago | [YT] | 3