Welcome to the official YouTube channel of EdGenie ✨
শিক্ষাকে আরও স্মার্ট, সহজ এবং কার্যকর করে তোলার লক্ষ্য নিয়েই EdGenie-এর যাত্রা শুরু। মানসম্মত ক্লাস, কনসেপ্টভিত্তিক শেখানো এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর লার্নিং সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের সফলতার পথে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমরা বিশ্বাস করি, প্রকৃত শেখা তখনই সম্পূর্ণ হয় যখন একজন শিক্ষার্থী কোনো বিষয় নিজে বুঝতে পারে এবং অন্যকে বোঝাতে পারে। তাই আমাদের কোর্সগুলো এমনভাবে সাজানো হয় যেন প্রতিটি টপিক সহজ, ইন্টারেস্টিং এবং গভীরভাবে বোঝা যায়।
হাজারো শিক্ষার্থীর আস্থা ও ভালোবাসা নিয়ে EdGenie আজ এগিয়ে যাচ্ছে একটি স্মার্ট অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে। শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সাপোর্ট এবং সেরা লার্নিং এক্সপেরিয়েন্স দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।
তুমিও যুক্ত হয়ে যাও EdGenie পরিবারের সাথে, আর শুরু করো স্মার্ট লার্নিংয়ের নতুন যাত্রা! 🚀
Learn Smart. Lead Better. ❤️
EdGenie
Medical EndGame Course
শেষ মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি Exam আর তো কোথাও পাবা ই না। সাথে Recent Gk book , মানবিক গুনাবলি pdf সহ শেষ মুহূর্তের যাবতীয় Revision materials পাবে এই কোর্সে
ফি মাত্র ২৫০ টাকা
সব পরীক্ষার রুটিন উন্মেষ রেটিনা মেডিকোর সাথে Match করবে।
thuhashop.com/groups/medical-endgame-course/
5 hours ago | [YT] | 15
View 0 replies
EdGenie
GKE তে প্রিপারেশন খারাপ ? ১০-২০ নভেম্বর- এই ১০ দিন আমাকে ৮-১০ ঘন্টা সময় দাও ,
তোমার এডমিশনের খেলা ঘুরিয়ে দেব ।
মাত্র 600 tk । GKE full course আর্কাইভ ফ্রি! আর সাথে এত কিছু ।
মনে রাখবে, This is the last time ! Now or Never . Decision is yours !
8 hours ago | [YT] | 25
View 12 replies
EdGenie
EdGenie:
Mission EndGame - Day 3 : English Preparation & Roadmap
শুধু মেডিকেল এডমিশন টেস্টই না, বরং মেডিকেলের প্রস্তুতি নিয়ে ভার্সিটি এডমিশন টেস্ট দেওয়ার জন্য ইংরেজি One of the most important factors বলতে পারো৷
এরই মাঝে ইংরেজি নিয়ে ৩ টা গাইডলাইন ভিডিও ইউটিউবে দেওয়া আছে। তাই আমি কিছু কমন প্রশ্নোত্তর দিব
১) জাহাঙ্গীর স্যারের মাস্টার বই না পড়ে ডাইজেস্ট /উন্মেষের ইংরেজি বই পড়লে হবে?
_ হবে, তবে মাস্টার বই সলভ করলে ১৫/১৫ কমনের সম্ভাবনা অনেক বেশি৷
অন্য বই গুলোতে practice অনেক কম। হুবুহু কমন পরবে না
তোমার হাতে সুযোগ আছে সম্পূর্ণ বই সলভ করার, তাই একটু পরিশ্রম করাই যায়।
২) সব MCQ মনে রাখা must?
_ প্রায়োরিটি হবে MAT-DAT-BCS-DU-JU-RU-অন্যান্য Varsity admission test question .
3) মাস্টার বইয়ের বক্সের ইনফরমেশন সহ পড়ব?
_memorizing এর জন্য বক্সের ইনফরমেশন রিডিং দিয়ে mcq solve করলে relate করা যায়।
MCQ এর ইনফরমেশন গুলোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
4) Grammar basic দূর্বল।
_ এর সমাধান হিসেবে আমি এমন কিছু ইউনিক রুলস খুজে বের করি, যা দিয়ে প্রায় সব mcq সলভ করে ফেলা যায়। ব্যাসিক গ্রামার ক্লাস করে ইম্প্রুভ করতে হবে।
5) আপনার ব্যাচের ক্লাসের সাথে অন্য কোচিং এর সিলেবাস মিলে না। কী করব?
_ মাত্র ৫ টা লাইভ ক্লাসেই সম্পূর্ণ মাস্টার বই সলভ করিয়ে দিই। তাই এক সপ্তাহ পর পর একটা করে ক্লাস। Archive দেখে ক্লাস করে নিতে পারো।
11 hours ago | [YT] | 20
View 4 replies
EdGenie
কোন উদ্দীপনা অ্যানিমোট্যাক্সিসকে প্রভাবিত করে
14 hours ago | [YT] | 23
View 1 reply
EdGenie
আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। কী অবস্থা সবার? এডমিশন প্রিপারেশন কেমন চলছে তোমাদের?
নিচের ছবিতে স্টিকি নোটে লিখাটা আমি মেডিকেল এডমিশন টেস্টের ফর্ম ফিল আপ করে এসে লিখেছিলাম,আর এর ঠিক এক মাস পরেই এডমিশন টেস্ট হয়েছিল!
হিসাব করে দেখলাম, তোমাদের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষারও আর খুব বেশি দিন বাকি নেই। হাতে গোনা আর মাত্র ৩৫ দিনের মতো আছে। গত বছরের এই সময়টার কথা মনে হলে এখনো আমার কেমন জানি হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে! কি একটা অদ্ভুত শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি! দিন যত ঘনিয়ে আসছিল, তখন বুকের ভেতর একটা অদ্ভুত প্রেশার কাজ করত। মনে হতো, সময়টা যেন হাতের মুঠো থেকে বালুর মতো ঝরে যাচ্ছে, কোনোভাবেই আটকে রাখা যাচ্ছে না!
অনেকেই হয়তো এখন প্রচুর এক্সাম দিচ্ছ। Still পরীক্ষায় মার্কস কম আসলে বা নেগেটিভ মার্কিং বেশি হলে হতাশ হয়ে যেয়ো না। প্রতিটা এক্সামের পর একটু ঠান্ডা মাথায় অ্যানালাইসিস করো—ভুলগুলো ঠিক কী কারণে হচ্ছে? কনসেপ্ট ক্লিয়ার ছিল না? নাকি প্রশ্ন তাড়াতাড়ি পড়তে গিয়ে ভুল করেছ? নাকি কনফিউশনে পড়ে আন্দাজে দাগিয়েছ? কোন সাবজেক্ট বা স্পেসিফিক টপিকে বারবার ভুল হচ্ছে, সেটা আইডেন্টিফাই করো। এভাবে নিজের উইক পয়েন্টগুলোতে ফোকাস দাও সবচেয়ে বেশি। আর নিজের কম্পিটিশনটা করো নিজের আগের দিনের পারফরম্যান্সের সাথে। এক্সাম হলে ঠান্ডা মাথায় নিজের বেস্টটা দেওয়ার মেন্টালিটি তৈরি করো এখন থেকেই।
আর তোমরা নিশ্চয়ই জানো, আগামী ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার রেজাল্ট দেওয়ার কথা রয়েছে। রেজাল্ট সবার এক্সপেকটেশন অনুযায়ী নাও আসতে পারে। মন খারাপ হবে, ডিপ্রেসড লাগবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো, রেজাল্ট যদি একটু এদিক-ওদিকও হয়, আর তোমার মেডিকেল প্রিপারেশন যদি ভালো থাকে, তবে হুট করে হাল ছেড়ে দিও না। তোমার যদি প্রিপারেশন ভালো থাকে তখন সর্বোচ্চ ৪ কাটা গেলেও MAT preparation কন্টিনিউ করতে পারো। অনেকে হয়তো এই সময় এসে ভার্সিটি প্রিপারেশনে সুইচ করার কথা ভাববে, কিন্তু তোমরা ঠান্ডা মাথায় নিজের অবস্থা বুঝে ডিসিশন নিও, আর এখন থেকেই এই ব্যাপারে মেন্টালি প্রিপেয়ার্ড থেকো।
রেজাল্ট দেয়ার পরপরই দেখবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন সার্কুলার দেয়া শুরু করবে, তোমরা অ্যাপ্লিকেশনের ডেডলাইনের দিকেও একটু নজর রেখো। নিজের সামর্থ্য আর চয়েস অনুযায়ী একটা স্ট্রং ব্যাকআপ অপশন রেডি রাখা ভালো, যেন পরে আফসোস করতে না হয়। আর ব্যাকআপ রাখা মানে নিজের মেইন গোল থেকে সরে যাচ্ছো এমন কিছু না অবশ্যই।
ইনশাআল্লাহ সবার HSC result ভালো আসুক, সবার জন্যে অনেক অনেক শুভকামনা। তোমাদের কোনো প্রশ্ন থাকলে জানাতে পারো কমেন্ট বক্সে।
ডালিয়া আপু
ঢাকা মেডিকেল কলেজ
মেন্টর, EdGenie
1 day ago | [YT] | 60
View 8 replies
EdGenie
The begger was found -------- at the door.
1 day ago | [YT] | 27
View 2 replies
EdGenie
যারা মেডিকেল থেকে ভার্সিটিতে সুইচ করতে চাইবা অথবা , ভার্সিটি ডেডিকেটেড প্রিপারেশন নিবা, এই কোর্সটা একটা Game Changer.
গত ৩০ বছরের DU RU JU CU GST QB এর সকল প্রশ্ন solve বাংলাদেশের ১ টা কোর্সেই সম্ভব । ডেমো ক্লাসের জন্য youtube এ search করো EdGenie Varsity
thuhashop.com/groups/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e…
1 day ago | [YT] | 21
View 1 reply
EdGenie
জিকে কনফিউশান। পার্ট-২
১. বাংলাদেশের সর্বপূর্বের স্থান: জেলা, উপজেলা নাকি নির্দিষ্ট বিন্দু?
সর্বপূর্বের জেলা: বান্দরবান।
• সর্বপূর্বের উপজেলা: থানচি।
• সর্বপূর্বের বিন্দু/স্থান: আখাইনথং (Akhainthong)।
• বিন্দু/স্থান: আখাইনথং (Akhainthong)।
💡 মনে রাখবে: জেলা, উপজেলা আর ভৌগোলিক চরম বিন্দু (Extreme Point)—তিনটি আলাদা বিষয়! পরীক্ষার প্রশ্নে ঠিক কোনটি জানতে চাওয়া হয়েছে, তা খেয়াল করে উত্তর দেবে।
২. নাফ নদী বনাম ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন নদী
• নাফ নদী: বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী নদী। এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কিলোমিটার।
• ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন নদী: প্রচলিত ও সরকারি হিসাব অনুযায়ী ৫৭টি (যৌথ নদী কমিশন বা JRC এর সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী)।
➕ অতিরিক্ত তথ্য: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত রয়েছে (৪,১৫৬ কিমি)। নাফ নদীকে কিন্তু কোনোভাবেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নদী ভেবে ভুল করবে না।
৩. জাতীয় প্রতীক বনাম জাতীয় ফুল
• জাতীয় ফুল: শাপলা (সাদা শাপলা)।
• জাতীয় প্রতীক: পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল, তার দুই পাশে দুটি ধানের শীষ, ওপরে তিনটি সংযুক্ত পাটপাতা এবং পাতার দুই পাশে দুটি করে মোট ৪টি তারকা।
📌 গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ভিত্তি: জাতীয় প্রতীকে মোট চারটি তারকা থাকে যা দ্বারা সংবিধানের মূল চার নীতিকে নির্দেশ করা হয়। এর সাংবিধানিক ভিত্তি বাংলাদেশের সংবিধানের ৪(৩) অনুচ্ছেদ।
৪. প্রথম ভাসমান হাসপাতাল বনাম মুক্তিযুদ্ধকালীন ফিল্ড হাসপাতাল
• প্রথম ভাসমান হাসপাতাল: ‘জীবন তরী’ (Jibon Tari)। এটি ১৯৯৯ সালের ১০ এপ্রিল মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ঘাটে পদ্মা নদীতে প্রথম যাত্রা শুরু করে (উদ্যোক্তা: ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)।
• মুক্তিযুদ্ধকালীন ফিল্ড হাসপাতাল: এটি হলো 'বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল' (বা ক্র্যাক প্লাটুন ফিল্ড হাসপাতাল), যা ১৯৭১ সালে ভারতের ত্রিপুরার মেলাঘরে মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর উদ্যোগে গড়ে উঠেছিল।
💡 কনফিউশন এড়াও: নদীবেষ্টিত দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য তৈরি 'জীবন তরী'র সাথে মুক্তিযুদ্ধের ফিল্ড হাসপাতালকে গুলিয়ে ফেলবে না।
৫. প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার বনাম প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার
• প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC): বিচারপতি এম. ইদ্রিস (মেয়াদ: ১৯৭২ - ১৯৭৭)।
• প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার: বেগম কবিতা খানম (মেয়াদ: ২০১৭ - ২০২২)।
🧠 মনে রাখার কৌশল: এম. ইদ্রিস = প্রথম পুরুষ বা সামগ্রিকভাবে প্রথম CEC; কবিতা খানম = প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার। (উল্লেখ্য, এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে কোনো নারী 'প্রধান' নির্বাচন কমিশনার বা CEC হননি, তিনি শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনার ছিলেন)।
৬. প্রাচীন বাংলার জনপদ: কোনটি কোথায়?
• পুণ্ড্র/পুণ্ড্রবর্ধন: উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চল (বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর); এর প্রাচীন রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল মহাস্থানগড় (বগুড়া)।
• সমতট: পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার অঞ্চল; মেঘনা নদীর পূর্ব তীরবর্তী কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল এর প্রধান কেন্দ্র ছিল।
• হরিকেল: বাংলার পূর্ব প্রান্তের জনপদ; বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকা এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
• বঙ্গ: প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল; বর্তমান ঢাকা, ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
৭. বাংলাদেশের প্রাচীনতম জাদুঘর বনাম জাতীয় জাদুঘর
• প্রাচীনতম জাদুঘর: বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর (Varendra Research Museum), রাজশাহী। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১০ সালে।
• বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর: শাহবাগ, ঢাকা। এটি প্রথমে ১৯১৩ সালে 'ঢাকা জাদুঘর' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে একে 'জাতীয় জাদুঘর' হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়।
🧠 মনে রাখার ট্রিক: 'প্রাচীনতম' বা 'প্রথম' জিজ্ঞেস করলে উত্তর হবে বরেন্দ্র জাদুঘর (১৯১০); আর দেশের 'সর্ববৃহৎ' বা 'জাতীয়' বললে উত্তর শাহবাগ (১৯১৩/১৯৮৩)।
৮. মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক
• নাম: উইলিয়াম এ. এস. ওডারল্যান্ড (W. A. S. Ouderland)।
• খেতাব: বীর প্রতীক (তিনি 2 নং সেক্টরের অধীনে ঢাকায় গেরিলা অপারেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন)।
• পরিচয়: জন্মসূত্রে ওলন্দাজ (ডাচ) কিন্তু পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন (ডাচ-অস্ট্রেলীয়)।
📌 একমাত্র তথ্য: মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৬৭৬ জন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে তিনিই একমাত্র বিদেশি যিনি 'বীর প্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
৯. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ: কেওক্রাডং, তাজিংডং নাকি সাকা হাফং?
• তাজিংডং (বিজয়): সরকারি নথি ও প্রচলিত পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী এটিই দীর্ঘ সময় ধরে অফিশিয়াল সর্বোচ্চ শৃঙ্গ (উচ্চতা প্রায় ১,২৮০ মিটার বা ৪,৩১০ ফুট বলা হলেও আধুনিক জিপিএস পরিমাপে এটি কম)।
• সাকা হাফং (মোদক তং): বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক পর্বতারোহীদের আধুনিক জিপিএস (GPS) পরিমাপ অনুযায়ী এটিই বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ বিন্দু (উচ্চতা প্রায় ১,০৫২ মিটার বা ৩,৪৫১ ফুট)। এটি বান্দরবানের থানচি সীমান্তে অবস্থিত।
• কেওক্রাডং: একসময় ব্রিটিশ আমলে বা পুরোনো নথিতে দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত ছিল (উচ্চতা প্রায় ৯৮৬ মিটার)।
📌 আপডেট ও কনফিউশন কেন?: বিভিন্ন জরিপ সংস্থা এবং পর্বতারোহীদের আধুনিক প্রযুক্তির (যেমন- SRTM ও GPS) ব্যবহারের কারণে এই উচ্চতার পার্থক্য সামনে এসেছে। সরকারিভাবে চূড়ান্ত নতুন গ্যাজেট প্রকাশের পূর্ব পর্যন্ত পরীক্ষায় অপশন দেখে সতর্কতার সাথে উত্তর করতে হবে (অপশনে তাজিংডং ও সাকা হাফং দুটিই থাকলে তাজিংডং সরকারিভাবে অগ্রাধিকার পায়, তবে সমসাময়িক প্রশ্নে সাকা হাফং-ও উত্তর নেওয়া হচ্ছে)।
১০. মুজিবনগর বনাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র
• কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র (চট্টগ্রাম): ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ দুপুর ও সন্ধ্যায় প্রথম এবং ২৭ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান কর্তৃক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পুনরায় পাঠ করার ঐতিহাসিক স্থান।
• মুজিবনগর (মেহেরপুর): ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী (প্রবাসী) সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণের স্থান। এর আগের নাম ছিল বৈদ্যনাথতলা।
📌 তারিখের ক্রনোলজি (Chronology):
• ২৬ মার্চ ১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণা ও কালুরঘাট থেকে পাঠ।
• ১০ এপ্রিল ১৯৭১: প্রবাসী সরকার গঠন এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
• ১৭ এপ্রিল ১৯৭১: মুজিবনগরে অস্থায়ী সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ ও ঘোষণাপত্র পাঠ।
সুতরাং—স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ, ঘোষণাপত্র গ্রহণ এবং অস্থায়ী সরকারের শপথ—তিনটি সম্পূর্ণ আলাদা ও ঐতিহাসিক ঘটনা।
Dahlia Apu
Mentor-EdGenie
Dhaka Medical College
3 days ago (edited) | [YT] | 51
View 3 replies
EdGenie
মেডিকেল পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্নগুলো দেখলে সহজ মনে হয়, কিন্তু অপশনের প্যাঁচে পড়লে জানা জিনিসও ভুল হয়ে যায়। তাই পড়ার সময় শুধু মুখস্থ নয়, কনসেপ্ট ক্লিয়ার রাখো। নেগেটিভ মার্কিং এড়াতে এই কনফিউশনগুলো আজই ঝালাই করে নাও!"
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানে ১ নম্বর বা ০.২৫ নম্বর মাইনাস মার্কিং পুরো চান্স পাওয়ার হিসাব উল্টে দিতে পারে। জিকে পড়ার সময় কমন কনফিউশনগুলো দূর করতে এই সিরিজটি তোমার জন্য দারুণ একটা গাইড হবে। চলো একনজরে প্যাঁচ লাগা ১০টি তথ্য একদম ক্লিয়ার করে নেওয়া যাক!
১. ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ বনাম প্রথম শহীদ মিনার
কনফিউশন: ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ কে এবং প্রথম শহীদ মিনার তৈরির সঠিক ইতিহাস নিয়ে প্রায়ই গড়মিল হয়।
সঠিক তথ্য:
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ: রফিক উদ্দিন আহমদ (২০ ফেব্রুয়ারি আহত হয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান)।
প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ: ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে রাতের আঁধারে প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করা হয়।
উদ্বোধন: ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে শহীদ শফিউরের বাবা মৌলভী মিয়া হোসেন আমজাদ এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন (যা পরে পুলিশ ভেঙে ফেলে)।
২. বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ বনাম সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড
কনফিউশন: সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ আর ছেঁড়াদ্বীপের অবস্থান নিয়ে মারত্মক প্যাঁচ লাগে।
সঠিক তথ্য:
সর্বদক্ষিণের স্থান/উপজেলা: টেকনাফ (কক্সবাজার)।
সর্বদক্ষিণের দ্বীপ: সেন্ট মার্টিন।
সর্বদক্ষিণের সর্বশেণ প্রান্ত বা ভূখণ্ড: ছেঁড়াদ্বীপ বা ছেঁড়ামু দ্বীপ (যা সেন্ট মার্টিনের আরও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত)।
৩. প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা বনাম প্রথম সার্বভৌম রাজা
কনফিউশন: 'স্বাধীন রাজা' এবং 'সার্বভৌম রাজা'র ঐতিহাসিক টার্ম দুটো এক করে ফেলা যাবে না।
সঠিক তথ্য:
প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন নরপতি/রাজা: রাজা শশাঙ্ক (গৌড়ের রাজা, যিনি প্রথম আঞ্চলিক ক্ষমতা একত্র করেন)।
বাংলার প্রথম সার্বভৌম ও নির্বাচিত রাজা: গোপাল (পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা, যিনি কোনো রাজবংশের রক্ত বা বলপ্রয়োগ ছাড়াই সরাসরি প্রজাদের ভোটে বা সম্মতিতে নির্বাচিত হয়েছিলেন)।
৪. বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন, গ্রহণ বনাম কার্যকর
কনফিউশন: সংবিধানে স্বাক্ষরকারী সদস্যসংখ্যা এবং বিভিন্ন ডেট নিয়ে জগাখিচুড়ি পাকানো নিষেধ!
সঠিক তথ্য:
গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত/পাস হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ (এজন্য ৪ নভেম্বর 'সংবিধান দিবস')।
সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ (বিজয় দিবস থেকে)।
হাতে লেখা মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন: ৩১৪ জন গণপরিষদ সদস্য (তৎকালীন স্পিকার শাহ আব্দুল হামিদসহ বা মোট স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে স্পিকার বাদে ৩১৪ জন)।
৫. মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর বনাম সাব-সেক্টর সংখ্যা
কনফিউশন: সেক্টর আর সাব-সেক্টরের মোট সংখ্যা ও এর কার্যক্রম নিয়ে কনফিউশন তৈরি হয়।
সঠিক তথ্য:
মোট সেক্টর ছিল ১১টি।
মোট সাব-সেক্টর ছিল ৬৪টি (সর্বসম্মত ও দাপ্তরিক সংখ্যা)।
১০ নং সেক্টর: কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না (এটি ছিল নৌ-সেক্টর, সাব-সেক্টরবিহীন এবং পরিচালিত হতো নদী ও সমুদ্রের রণাঙ্গনে)।
৬. ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠের পদবি ও বাহিনী বিন্যাস
কনফিউশন: কার পদবি কী এবং কে কোন ফোর্সের ছিলেন, সেটা গুলিয়ে যায়।
সঠিক তথ্য:
সেনাবাহিনী (৩ জন): ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (ক্যাপ্টেন), সিপাহী মোস্তফা কামাল, সিপাহী হামিদুর রহমান।
ইপিআর / বর্তমান বিজিবি (২ জন): ল্যান্স নায়ক নূর মোহাম্মদ শেখ, ল্যান্স নায়ক মুন্সী আব্দুর রউফ।
নৌবাহিনী (১ জন): ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন।
বিমানবাহিনী (১ জন): ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান।
৭. ইউনেস্কো স্বীকৃত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য (World Heritage)
কনফিউশন: প্রাকৃতিক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যগুলোর স্বীকৃতি সাল ও ধরন নিয়ে কনফিউশন হয়।
সঠিক তথ্য:
প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য (১টি): সুন্দরবন (১৯৯৭ সাল)।
সাংস্কৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য (২টি): বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫) এবং পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার (১৯৮৫)।
(অর্থাৎ ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট মোট ৩টি। এর বাইরে ইউনেস্কোর 'ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ' বা অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে ৫টি, যেমন- জামদানি, শীতলপাটি, মঙ্গল শোভাযাত্রা, বাউল গান ও রিকশাচিত্র/নৌকা বাইচ ইত্যাদি)।
৮. মুজিবনগর সরকারের শপথ বনাম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
কনফিউশন: ১০ এপ্রিল ও ১৭ এপ্রিলের ঘোষণা ও শপথের তারিখ উল্টপাল্ট হয়ে যায়।
সঠিক তথ্য:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি ও মুজিবনগর সরকার গঠন: ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।
মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ (কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে, যা বর্তমানে 'মুজিবনগর')।
৯. বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান বনাম উপজেলা
কনফিউশন: তেঁতুলিয়া নাকি বাংলাবান্ধা—কোনটি আগে আসবে?
সঠিক তথ্য:
সর্ব উত্তরের জেলা: পঞ্চগড়।
সর্ব উত্তরের উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
সর্ব উত্তরের ইউনিয়ন: বাংলাবান্ধা।
সর্ব উত্তরের নির্দিষ্ট শেষ বিন্দু/গ্রাম: জায়গীরজোত।
১০. অপারেশন সার্চলাইট বনাম অপারেশন জ্যাকপট
কনফিউশন: নামের মিল থাকায় মুক্তিযুদ্ধের এই দুই বিখ্যাত অপারেশন গুলিয়ে ফেলা বোকামি হবে।
সঠিক তথ্য:
অপারেশন সার্চলাইট: ২৫ মার্চ, ১৯৭১ (পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক বাঙালি নিধনের কালরাত্রি ও সামরিক অভিযানের নাম)।
অপারেশন জ্যাকপট: ১৫ আগস্ট, ১৯৭১ (মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত দুঃসাহসিক অপারেশন, যার মাধ্যমে চট্টগ্রাম, মংলা, চালনা ও চাঁদপুর বন্দর একযোগে আক্রমণ করে পাকিস্তানি জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছিল)।
Dahlia
Mentor-EdGenie
Dhaka Medical College
4 days ago | [YT] | 154
View 7 replies
EdGenie
শেষ ৪০ দিনের স্ট্র্যাটেজি | মেডিকেল অ্যাডমিশন ২০২৬-২৭🩺
আশা করি, তোমরা যে যে কোচিংয়েই আছো, সবার ক্লাস প্রায় শেষের দিকে। আর কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে তোমাদের পেপার ফাইনাল, সাবজেক্ট ফাইনাল ও মডেল টেস্ট।
এখন প্রশ্ন হলো, এই শেষ ৪০ দিনে কীভাবে প্রস্তুতি নেবে?
প্রথমেই একটা কথা মাথায় রাখবে—এখন নতুন করে সবকিছু শুরু করার সময় নয়, বরং এতদিন যা পড়েছো, সেগুলো আরও ভালোভাবে ঝালিয়ে নেওয়ার সময়।
এতদিনের প্রস্তুতিতে যার যেখানে যতটুকু ঘাটতি রয়ে গেছে, এই সময়টুকু কাজে লাগিয়ে সেগুলো পূরণ করে ফেলো। কারণ, পরবর্তী সময়ে সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার মতো সময় হয়তো আর পাবে না। তাই কোন জায়গায় দুর্বলতা আছে, কোন অধ্যায়ের কোন অংশে সমস্যা হচ্ছে, সেগুলো চিহ্নিত করে এখন থেকেই কাজ শুরু করো।
এই শেষ সময়ে তোমাদের সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা করতে দেখছি, সেটা হলো—Revision কীভাবে দেব?
রিভিশনের ক্ষেত্রে আমার মতে, তিনটি জিনিস অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে:
১. মূল বইয়ের দাগানো লাইনগুলো।
২. অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো।
৩. Previous Year Questions (PYQ)।
এই তিনটি বিষয়ই তোমাদের রিভিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে যদি সবকিছু আবার বিস্তারিতভাবে দেখা সম্ভব না হয়, তাহলে অনুশীলনী ও বিগত বছরের প্রশ্নগুলোতে আগে যেগুলো মার্ক করে রেখেছো, যেগুলো কঠিন বা কনফিউজিং মনে হয়েছিল, কিংবা আগে সমাধান করতে পারোনি—সেগুলো অবশ্যই আরেকবার দেখে নেবে।
আর যারা শেষ মুহূর্তে অল্প সময়ে, গোছানো ও কমপ্যাক্টভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো রিভিশন দিতে চাও, তাদের আমি ভাইয়ার Quick Recap ক্লাসগুলো ফলো করার পরামর্শ দেব।
আমি নিজেও শেষ মুহূর্তে Quick Recap-এর ক্লাসগুলো ফলো করেছি। আমার কাছে এই স্ট্র্যাটেজিটা বেশ কার্যকর মনে হয়েছে। কারণ, এতে অনেকটা সময় বাঁচানোর পাশাপাশি একটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো একসঙ্গে রিভিশন দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ফলে আলাদা আলাদাভাবে অনেক জায়গায় খুঁজে সময় নষ্ট করতে হয়নি।
তবে একটা কথা মনে রাখবে, অন্যের স্ট্র্যাটেজি নিজের প্রস্তুতির সঙ্গে মিলিয়ে গ্রহণ করবে। তোমার যে জায়গায় বেশি ঘাটতি, সেখানে বেশি সময় দেবে। শুধু অন্যরা কী করছে, সেটা দেখে নিজের পরিকল্পনা বারবার পরিবর্তন করবে না।
শেষ ৪০ দিন মানেই সব শেষ হয়ে গেছে, এমন নয়। বরং এই ৪০ দিনই তোমার এতদিনের পরিশ্রমকে আরও ভালোভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ।
কেউ হয়তো তোমার চেয়ে এগিয়ে আছে, কেউ হয়তো এখনো অনেক কিছু গুছিয়ে নিতে পারোনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তোমার কাজ হলো নিজের প্রস্তুতিটাকে প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে নেওয়া। আজকের দিনটা যেন গতকালের চেয়ে একটু ভালো হয়, সেই চেষ্টা করে যাও।
ভয় পেয়ে হাল ছেড়ে দিও না। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো, পরিকল্পনা অনুযায়ী পড়ো এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো। ইন শা আল্লাহ, তোমাদের পরিশ্রমের সুন্দর একটা প্রতিদান পাবে।
অনেক শুভকামনা তোমাদের সবার জন্য। দোয়া করি, তোমাদের স্বপ্নগুলো পূরণ হোক। 🤍
— Momo
Mentor, EdGenie
4 days ago | [YT] | 34
View 0 replies
Load more