⎯͢𝐓ɪgꫀʀ⁷𝐀ꜰα!!𐙚🌷
she

𝐼'𝑚 𝑎 𝐵𝑎𝑟𝑏𝑖𝑒 𝑑𝑜𝑙𝑙,𝑖𝑛 𝑚𝑦 𝐵𝑎𝑟𝑏𝑖𝑒 𝑤𝑜𝑟𝑙𝑑-//🌝🌷
— ・ 。゚☆: *.☽ .* :☆゚.—


𝐀𝐛𝐨𝐮𝐭 𝐦𝐞𝐡 :-
—𝐒𝐡𝐚𝐫𝐢𝐡𝐚 𝐈𝐬𝐥𝐚𝐦 𝐑𝐢𝐭𝐢 ✌︎
—𝟏𝟕𝐭𝐡 𝐒𝐞𝐩𝐭𝐞𝐦𝐛𝐞𝐫 🎂
—𝐁𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐝𝐞𝐬𝐡𝐢 𝐠𝐢𝐫𝐥 🇧🇩
⋅•⋅⊰∙∘☽༓☾∘∙⊱⋅•⋅
—⋟𝐑𝐞𝐝 𝐟𝐥𝐚𝐠 || 🚩
𝐅𝐨𝐫𝐞𝐯𝐞𝐫༅ 𝐓𝐢𝐠𝐞𝐫 𝐚𝐟𝐚 // 𝐟𝐨𝐫𝐞𝐯𝐞𝐫༅𝐓𝐢𝐠𝐫𝐞𝐱𝐱 🐯🌷
────⊹⊱✫⊰⊹────
𝐌𝐞𝐦𝐛𝐞𝐫 𝐨𝐟 "𝐋𝐚𝐋𝐚𝐋𝐚" 𝐟𝐚𝐦𝐢𝐥𝐲`🫂
@𝐭𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠𝐢𝐬𝐨𝐧𝐥𝐲𝐦𝐢𝐧𝐞 ||🌚✨


𝐒𝐮𝐛 𝐟𝐨𝐫 𝐭𝐞𝐚/𝐭𝐚𝐞 👉🏻👈🏻


⎯͢𝐓ɪgꫀʀ⁷𝐀ꜰα!!𐙚🌷

Novel:"Pov.he is my stalker."
Writer::Shariha Islam Riti.
Part:-16
কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ❗❌

ক্লাস শেষ করে অহুনিকা আর দিথী ক্লাসরুম থেকে বের হলো। দিথীকে অবশ্য ক্লাসরুমের গেট থেকেই ঈশান এসে নিয়ে গেল।অহুনিকা আপাতত ভার্সিটির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। কারণ আজ অংসুর কলেজে একটা জরুরি কাজ আছে। তাই সে আজ অহুনিকাকে নিতে আসতে পারবে না।অহুনিকা সাধারণত অংসুর সঙ্গেই যাতায়াত করতে বেশি পছন্দ করে। অংসুর সঙ্গে আসা-যাওয়া মানেই রিকশা, অটো কিংবা অন্যান্য সাধারণ যানবাহনে করে ভার্সিটিতে আসা-যাওয়া। তবে যেদিন অংসু আসতে পারে না, সেদিন বাড়ি থেকে তাদের নিজস্ব গাড়ি তাকে নিতে আসে।আজও সে গাড়ির অপেক্ষাতেই দাঁড়িয়ে ছিল।
অপেক্ষা বেশিক্ষণ করতে হলো না। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যেই তাদের কালো রঙের মার্সিডিস-বেঞ্জ গাড়িটি এসে থামল।অবশ্য এমন গাড়ি তাদের থাকবেই না কেন? অহুনিকার বাবা, নাহিদ চৌধুরী, বিশ্বের অন্যতম সফল ব্যবসায়ীদের একজন। বাংলাদেশের নাগরিক হলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামকরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে।তবে এত সম্পদ আর পরিচিতি থাকা সত্ত্বেও তাদের পরিবারে কখনো অহংকারের ছোঁয়া ছিল না। বরং নাহিদ চৌধুরী নিজেই চাইতেন, তার ছেলে-মেয়েরা যেন বিলাসবহুল গাড়ির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মতো অন্যান্য যানবাহনেও স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে শেখে। সেই কারণেই অংসুর সঙ্গে অহুনিকাকেও প্রায়ই সাধারণ যানবাহনে যাতায়াত করতে দিতেন।
অহুনিকা ধীর পায়ে গাড়িটার দিকে এগিয়ে গেল।ঠিক তখনই কালো মার্সিডিসের দরজা খুলে নেমে এলো ইয়াভিস।ইয়াভিসকে দেখামাত্রই অহুনিকা থমকে দাঁড়াল।
—“ভাইয়া! তুমি? তুমি এখানে কেন?”
ইয়াভিস মুচকি হেসে বলল,
—“কেন রে? আসতে পারি না নাকি? আমি তো বেশিরভাগ সময় কানাডাতেই থাকি। বাংলাদেশের রাস্তা-ঘাট সম্পর্কে তেমন কোনো ধারণাই নেই বলতে গেলে। তাই ভাবলাম, আজ না হয় আমার বনুইটাকে নিজে এসে রিসিভ করি। কেন, তোর কোনো সমস্যা হচ্ছে?”
অহুনিকা তাড়াতাড়ি মাথা নেড়ে বলল,
—“না না, ভাইয়া! কী যে বলো! কোনো সমস্যাই হচ্ছে না। বরং তুমি এসেছ, এতে আমি অনেক বেশি খুশি হয়েছি।”
অহুনিকা ইয়াভিসকে নিয়ে গাড়িতে উঠতে যাবে, ঠিক সেই মুহূর্তেই পেছন থেকে একটি মেয়ে এসে তাকে ডাক দিল,
—“এই যে, মিস অহুনিকা!”
অহুনিকা পেছন ফিরে তাকাল।সেদিন বিয়েবাড়িতে দেখা হওয়া সেই মেয়েটা—এলিজা ইমরা হায়া।
আজ সে একটা ফরমাল পোশাক পরে এসেছে। রঙ করা লম্বা চুলগুলো পিঠ ছুঁয়ে নেমে এসেছে। চোখে গোল ফ্রেমের চশমা। চশমাটা কানের ওপর একটু ঠিক করে নিয়ে সে বলল,
—“অহুনিকা, তূর্যয় তোমাকে ডাকছিল। তোমার সঙ্গে নাকি জরুরি একটা কথা আছে। তুমি প্লিজ একবার ওর রুমে যাও। ওকে ওখানেই পেয়ে যাবে। একটু দেখা করে আসো, ঠিক আছে?”
অহুনিকা খানিকটা অবাক হয়ে বলল,
—“এখন? তূর্যয় স্যারের আবার কী কাজ?”
তবুও ইয়াভিসকে একটু অপেক্ষা করতে বলে সে তূর্যয়ের রুমের দিকে হাঁটা দিল।
এদিকে ইয়াভিস গাড়ির পাশেই দাঁড়িয়ে রইল। আর এলিজা হাতে থাকা মোবাইল ফোনে কী যেন মনোযোগ দিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে লাগল।
ইয়াভিস একবার এলিজার দিকে তাকাল। তারপর ভদ্রভাবে কেশে বলল,
—“আপনাকে দেখে ফরেইনার মনে হচ্ছে। আপনি কি বাংলাদেশি?”
এলিজা এবার সরাসরি ইয়াভিসের চোখের দিকে তাকাল। তারপর আবার দৃষ্টি নামিয়ে মৃদু হেসে বলল,
—“নো, আই এম নোট বাংলাদেশি। আই এম ফ্রোম আমেরিকা।মাই ফাদার্ ইজ এন আমেরিকান এ্যান্ড হি ইজ আ সিইও।বাট মাই মাদার্ ইজ বাংলাদেশি।বলা যায়, আমার মা-ই আমার বাবাকে প্রেমে ফেলে বিয়ে করেছিলেন। নাহলে বলুন তো, একজন আমেরিকান আর একজন বাংলাদেশির মিলটা কীভাবে হয়?”
কথাটা বলে সে হালকা হেসে আবার বলতে শুরু করল,
—“আমি মূলত আমার মায়ের সঙ্গে বাংলাদেশে এসেছি। তূর্যয় আর আমি একসঙ্গে ইউএসএ-তে পড়াশোনা করতাম। এখানে এসে জানতে পারি, তূর্যয়ের বাসাও ঢাকাতেই। মানে ও একজন ঢাকা সিটির বাসিন্দা।পরে জানতে পারি, পড়াশোনা শেষ করে তূর্যয় কিছু কাজের জন্য বাংলাদেশে এসেছে। কাজগুলো শেষ হলে আবার আমেরিকায় সেটেল হওয়ার পরিকল্পনা আছে ওর।তাই আমিও ভাবলাম, বাংলাদেশেই একটা চাকরি নিয়ে নিই,এখন একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে আছি। এতে তূর্যয়ের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হলে পাশে থাকতে পারব।একটা বাসা ভাড়া করে থাকি। আমার মা-ও আমার সঙ্গে থাকেন। আর বাবা আমেরিকাতেই নিজের কাজ সামলান। তবে মাঝেমধ্যে আমাদের সঙ্গে দেখা করতে বাংলাদেশে চলে আসেন।”
এবার এলিজা ইয়াভিসের দিকে তাকাল। হেসে জিজ্ঞেস করল,
—“আর আপনি? আপনার সম্পর্কে তো কিছুই জানা হলো না। আমি তো আমার সবই বলে দিলাম।”
ইয়াভিসও হালকা হেসে বলল,
—“আমি পুরোপুরি বাংলাদেশি। আমার জন্মও বাংলাদেশেই। তবে পড়াশোনা আর ক্যারিয়ার গড়ার জন্য বাবা-মা আমাকে আজ থেকে সাত বছর আগে কানাডায় নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই পড়াশোনা করেছি, ক্যারিয়ারও গুছিয়েছি।এখন একটা কাজের সূত্রে কয়েক দিনের জন্য বাংলাদেশে এসেছি। কাজ শেষ হলে আবার কানাডায় ফিরে যাব। আর হ্যাঁ, আমি সেখানে একটি কোম্পানির সিইও।আর আমি হচ্ছি অহুনিকার ফুফাতো ভাই। আজই প্রথম ওর ভার্সিটিতে এলাম। ভাবলাম, বোনটাকে একদিন নিজে এসে রিসিভ করে নিয়ে যাই।”
—“ওহ, আচ্ছা! তাহলে আপনি কানাডায় থাকেন?”
—“হুম।”
এলিজা হেসে বলল,
—“ভালো লাগল বিষয়টা। আর... আপনি চাইলে আপনার নাম্বারটা আমাকে দিতে পারেন?”
হঠাৎ এমন প্রস্তাবে ইয়াভিস খানিকটা চমকে গেল। তবে মুখে কিছু প্রকাশ করল না। সে এমনিতেই ভদ্র স্বভাবের মানুষ, কোনো মেয়ের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় তর্কে জড়াতে চায় না।
তবুও কৌতূহল নিয়ে জিজ্ঞেস করল,
—“কেন? নাম্বার লাগবে কেন?”
এলিজা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল,
—“আসলে আমার অনেক বন্ধু কানাডায় থাকে। তাদের অনেকেই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আপনি হয়তো তাদের অনেককেই চিনতে পারেন।আপনার নাম্বারটা থাকলে একদিন পরিচয় করিয়ে দিতে পারব। যদি দু'পক্ষেরই উপকার হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ব্যবসার ক্ষেত্রেও হয়তো একটা ভালো যোগাযোগ তৈরি হতে পারে।অবশ্যই এটা সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছা। দিতে চাইলে দেবেন, না চাইলে কোনো সমস্যা নেই।”
ইয়াভিস পুরো বিষয়টাই বুঝতে পারল। তাই আর কোনো প্রশ্ন করল না। সে নিজের বাংলাদেশি আর কানাডিয়ান—দুটো নাম্বারই এলিজাকে দিয়ে দিল।
এলিজা নাম্বারগুলো সেভ করে সন্তুষ্টির হাসি হাসল। মনে হলো, ইয়াভিস তার উদ্দেশ্যটা বুঝেছে এবং বিষয়টা নিয়ে কোনো ভুল বোঝাবুঝিও হয়নি।ঠিক তখনই তূর্যয়ের রুম থেকে বিশাল কয়েকটি ফাইল বুকে জড়িয়ে বেরিয়ে এলো অহুনিকা।
এতগুলো ফাইল দেখে ইয়াভিসও অবাক হয়ে গেল।
অহুনিকাকে দেখে এলিজা বলল,
—“ঠিক আছে, তাহলে তোমরা বাসায় যাও। আমিও আমার কাজে যাই। আবার হয়তো দেখা হবে। আর ইয়াভিস, আপনার সঙ্গেও পরে কথা হবে।”কথাটা বলে এলিজা সেখান থেকে চলে গেল।
অহুনিকা বিরক্ত মুখে গাড়িতে উঠে বসল। ইয়াভিসও তার পাশে গিয়ে বসল। দুজন ওঠার পর ড্রাইভার গাড়ি স্টার্ট দিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলো।
কিছুক্ষণ চুপ থেকে ইয়াভিস জিজ্ঞেস করল,
—“কী রে, এমন মুখ করে আছিস কেন? আর এতগুলো ফাইল দিল কেন তোর সেই স্যার?”
অহুনিকা তেড়ে-মেড়ে বলল,
—“দেবে না কেন? আমাকে জ্বালানোই তো উনার প্রধান উদ্দেশ্য! আর বলো না, সামনে একটা মিড টার্ম এক্সাম নেবে। তো ওই ব্যাটা আমাকে বলেছে, এই ফাইলগুলোর মধ্যে থেকে দশটা ভালো আর কঠিন প্রশ্ন বেছে বের করতে!এখন বলো তো, এতগুলো ফাইল ঘেঁটে আমি দশটা প্রশ্ন কীভাবে বের করব? আর সবচেয়ে বড় কথা, এখানে তো প্রশ্ন ছাড়া আর কিছুই নেই! কোনো উত্তরও নেই যে একটু পড়ে প্রস্তুতি নেব।এই স্যারটা আমাকে সবসময় জ্বালাতেই বেশি পছন্দ করে!”
ইয়াভিস হেসে বলল,
—“আচ্ছা, আর কাউকে দেয়নি? শুধু তোকে দিয়েছে?”
অহুনিকা মুখ ফুলিয়ে বলল,
—“জানি না। তবে আমাকে দেওয়াটাই মনে হয় উনার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে।”
ইয়াভিস মৃদু হেসে মাথা নাড়ল। এরপর আর কিছু বলল না।গাড়িটা ধীরে ধীরে তাদের বাড়ির পথে এগিয়ে চলল।


______∞________

6 hours ago | [YT] | 7

⎯͢𝐓ɪgꫀʀ⁷𝐀ꜰα!!𐙚🌷

‪@KuRoMi_RiMu-2‬
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹
𝐇𝐀𝐏𝐏𝐘 𝐁𝐈𝐑𝐓𝐇𝐃𝐀𝐘 🦢❤️‍🩹


—🎂🌷 শুভ জন্মদিন,আমার প্রিয় 𝐑𝐢𝐦𝐮𝐡!🥹💗

তোমার জীবনের এই বিশেষ দিনটা হয়ে উঠুক তোমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলোর মধ্যে একটি। তোমার প্রতিটি সকাল শুরু হোক একরাশ নতুন আশা নিয়ে, প্রতিটি স্বপ্ন পূরণ হোক, আর তোমার মুখের হাসিটা যেন কখনো ম্লান না হয়। 🥹🫶🏻

জীবনের প্রতিটি পথে তুমি খুঁজে পাও অফুরন্ত সুখ, সাফল্য, ভালোবাসা আর মানসিক শান্তি। তোমার জীবনের গল্পটা হোক তোমার প্রিয় উপন্যাসের মতো সুন্দর, যেখানে প্রতিটি অধ্যায়ে থাকবে নতুন আনন্দ, সুন্দর মুহূর্ত আর হাজারো প্রাপ্তি। 📖🎀

আমার ছোট্ট এই কমিউনিটির একজন সদস্য হিসেবে তুমি সত্যিই স্পেশাল। তোমার জন্য রইল অনেক অনেক দোয়া ও অফুরন্ত ভালোবাসা। আল্লাহ যেন তোমাকে সুস্থ রাখেন, নেক হায়াত দান করেন এবং তোমার মনের সব সুন্দর ইচ্ছা পূরণ করেন। আমিন! ❤️‍🩹🤲🏻

Happy Birthday once again, my dear! 🎂💌 এভাবেই হাসিখুশি থেকো, নিজের স্বপ্নগুলোকে ভালোবেসো আর জীবনে অনেক দূর এগিয়ে যাও। তোমার আগামী দিনগুলো আজকের দিনের চেয়েও সুন্দর হোক! 🌸✨

With lots of love & prayers,
তোমার 𝐑𝐢𝐭𝐢 𝐀𝐩𝐮-//🌹🤍

6 hours ago | [YT] | 6

⎯͢𝐓ɪgꫀʀ⁷𝐀ꜰα!!𐙚🌷

Raat e share korte vule gechilam,ty✌🏻🤍
youtube.com/shorts/LggMXxGHzF...

1 day ago | [YT] | 5

⎯͢𝐓ɪgꫀʀ⁷𝐀ꜰα!!𐙚🌷

𝐈 𝐚𝐦 𝐭𝐡𝐞 𝐜𝐮𝐭𝐢𝐞 𝐩𝐢𝐞 😭🌷

youtube.com/shorts/L2S0nxpxAu...

2 days ago | [YT] | 6

⎯͢𝐓ɪgꫀʀ⁷𝐀ꜰα!!𐙚🌷

Thank you~!!😭🫶🏻💌
dream complete korlaaa😭🤌🏻
‪@Suhu.xthetic‬
youtube.com/shorts/t-YEHb1aWw...

4 days ago | [YT] | 8

⎯͢𝐓ɪgꫀʀ⁷𝐀ꜰα!!𐙚🌷

‪@mniJoya._.ot7‬ Joyaa!!💌🫠

আমার ভাগ্য কি রকমের খারাপ-বলতো?তুই ছিলি আমার এমন একটা বন্ধু,যাকে কিনা দূরে থেকেও আমি চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারতাম!তোর সাথে পরিচয়টা ছিলো ইউটিউব এ,এখানেই একটু কথা বলার সুযোগ পেতাম!কিন্তু দেখ,কি হয়ে গেলো?তুইও আমার কমেন্ট দেখিস না,আমিও তোর কমেন্ট দেখি না~!
পরে আমি ইউটিউব স্টুডিও থেকে তোর কমেন্ট দেখা শুরু করি,একমাত্র ওইখান থেকেই তোকে রিপ্লাই দিতে পারতাম,কিন্তু ভাগ্য খারাপ আমি ওই খান থেকেও রিপ্লাই দিতে পারছি না~!😅❤️‍🩹
তুই হয়তো ভাবতে পারিস আমি তোর কমেন্ট ইগনোর করি,রিপ্লাই দেই না—কিন্তু বিশ্বাস কর আমি কম চেষ্টা করি নাই!আমি তোকে খুব ভালোবাসি এবং ভীষণ মিস করি~!!🦢🌷

ভুল বুঝিস না আমায়,পাখিই~!!🍂😭
তোর শরীর কেমন আছে?আমাকে মনে আছে তো আপনার?সেই পুরোনো দিন গুলো খুব মনে পড়ে-জানিস?আমি তোদের খুনসুটি মিস করি~!!

হয়তো তোর কমেন্ট এর রিপ্লাই দিতে পারবো না~!!🌊💔

1 week ago | [YT] | 20

⎯͢𝐓ɪgꫀʀ⁷𝐀ꜰα!!𐙚🌷

ᯓᡣ𐭩তার দেওয়া চুড়ি'গুলো 𝘁𝗿𝘆 করছিলাম!যে হাত দিয়ে ছবি'টা তুলেছি সেই হাতেও এক ডজন বেগুনি চুড়ি ছিলো𓂃!!🌙🌷💌

2 weeks ago | [YT] | 30