“কৃষ্ণ কিশোরী প্রেমী” ইউটিউব চ্যানেলে আপনাদেরকে স্বাগতম এবং হৃদয়ের অন্তরস্থল থেকে সকলকে জানায় নমস্কার🙏 || রাঁধে রাঁধে🌼🙏|| হরে কৃষ্ণ🌼🙏🧡
আমি চেষ্টা করছি এবং চেষ্টা করব র্নিভুল হিন্দুধর্মীয় জ্ঞান ও বিভিন্ন তথ্য দিয়ে আপনাদের জীবনকে ধর্মীয় জ্ঞানে আলোকিত করার জন্য।
...........
Radhe Radhe 🌼🙏 || Hare Krishna 🌼🧡🙏
Welcome to the YouTube channel “Krishna Kishori Premi” and heartfelt greetings to everyone from the bottom of my heart. 🙏
I am trying, and I will continue to try, to share correct Hindu religious knowledge and useful spiritual information to enlighten your life with divine wisdom.
If you want to know anything about Hinduism, you can ask your questions in the comment section of any video on this channel.
If you like my videos, please subscribe to the channel for upcoming videos.
You can also stay connected with my Facebook page and Instagram account.
If there are any mistakes or errors, knowingly or unknowingly, I sincerely request your forgiveness. 🙏
@Krishna_Kishori_Premi
Krishna Kishori Premi
দামোদর মাসে প্রদীপ🪔 দেওয়ার সঠিক নিয়ম জেনে নিন 🌼🪔🙌
সনাতন ধর্মের অত্যন্ত পবিত্র দামোদর মাসে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রদীপ নিবেদন করার একটি নির্দিষ্ট শাস্ত্রীয় বিধি রয়েছে। পরিষ্কার মাটি, পিতল বা রূপার প্রদীপে ঘি এবং সামান্য কর্পূর মিশিয়ে অথবা শুকনো তুলসী কাঠের তুলা ঘিয়ে ডুবিয়ে প্রদীপ তৈরি করা অত্যন্ত ফলদায়ক।
শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী ভগবান শ্রীদামোদরের সম্মুখে ঘড়ির কাঁটার দিকে (ডান দিক থেকে বাঁ দিকে) প্রদীপ ঘোরাতে হয়। প্রদীপ ঘোরানোর সঠিক সংখ্যা হলো:
🔹 শ্রীচরণে: ৪ বার
🔹 নাভিপদ্মে: ২ বার
🔹 মুখমণ্ডলে: ৩ বার
🔹 সমগ্র শরীরে (সর্বাঙ্গে): ৭ বার
প্রদীপ নিবেদনের সর্বোত্তম সময় হলো সন্ধ্যাবেলা সূর্যাস্তের পর, তবে সুযোগ না থাকলে সকালেও নিবেদন করা যায়।
🌸 ভগবান শ্রীদামোদর আপনাদের সকলের জীবন আলোয় ভরিয়ে তুলুন। 🌸
🙏🌼 জয় দামোদর! হরে কৃষ্ণ! 🌼🙏✨
নমামীশ্বরং সচ্চিদানন্দরূপং | Nomami Sorum Sochida
https://youtu.be/0GS-vhv4qgI?si=uEjsV...
দামোদর অষ্টকম লিরিক্স || Damodar Ashtakam Lyrics
https://youtu.be/3kkRvI3ZNdU?si=pvrlz...
6 days ago | [YT] | 15
View 0 replies
Krishna Kishori Premi
দামোদর মাসে প্রদীপ🪔 দেওয়ার সঠিক নিয়ম জেনে নিন 🌼🪔🙌
সনাতন ধর্মের অত্যন্ত পবিত্র দামোদর মাসে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রদীপ নিবেদন করার একটি নির্দিষ্ট শাস্ত্রীয় বিধি রয়েছে। পরিষ্কার মাটি, পিতল বা রূপার প্রদীপে ঘি এবং সামান্য কর্পূর মিশিয়ে অথবা শুকনো তুলসী কাঠের তুলা ঘিয়ে ডুবিয়ে প্রদীপ তৈরি করা অত্যন্ত ফলদায়ক।
শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী ভগবান শ্রীদামোদরের সম্মুখে ঘড়ির কাঁটার দিকে (ডান দিক থেকে বাঁ দিকে) প্রদীপ ঘোরাতে হয়। প্রদীপ ঘোরানোর সঠিক সংখ্যা হলো:
🔹 শ্রীচরণে: ৪ বার
🔹 নাভিপদ্মে: ২ বার
🔹 মুখমণ্ডলে: ৩ বার
🔹 সমগ্র শরীরে (সর্বাঙ্গে): ৭ বার
প্রদীপ নিবেদনের সর্বোত্তম সময় হলো সন্ধ্যাবেলা সূর্যাস্তের পর, তবে সুযোগ না থাকলে সকালেও নিবেদন করা যায়।
🌸 ভগবান শ্রীদামোদর আপনাদের সকলের জীবন আলোয় ভরিয়ে তুলুন। 🌸
🙏🌼 জয় দামোদর! হরে কৃষ্ণ! 🌼🙏✨
নমামীশ্বরং সচ্চিদানন্দরূপং লিরিক্সসহ | Nomami Sorum Sochida with Lyrics
https://youtu.be/0GS-vhv4qgI?si=uEjsV...
দামোদর অষ্টকম লিরিক্সসহ || Damodar Ashtakam with Lyrics
https://youtu.be/3kkRvI3ZNdU?si=pvrlz...
1 week ago | [YT] | 14
View 2 replies
Krishna Kishori Premi
🦚🌼জন্মাষ্টমী❗#জন্মাষ্টমী❗জন্মাষ্টমী❗🦚🌼
৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, ২০২৬ "পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী মহোৎসব"🥰
‼️🌼 #কিভাবে জন্মাষ্টমী ব্রত #পালন করবেন?
#মধ্যরাত্রি পর্যন্ত নির্জলা উপবাস ব্রত। রাত ১২ টার পর অভিষেক করে অনুকল্প প্রসাদ। পরদিন সকালে সূর্যোদয়ের পর পারণ। সারা বিশ্বের সকল স্থানে একই দিনে জন্মাষ্টমী মহোৎসব পালিত হবে।
🦚🌼 জন্মাষ্টমীর আগের দিন থেকে #নিরমিষ অন্ন খেয়ে সংযম পালন করতে হয়। সংযম অর্থাৎঃ ইন্দ্রিয়কে ভোগ্যবস্তু অবাঞ্চিত আশা-প্রত্যাশা,কামনা-বাসনা থেকে দূরে রাখা। মৈথুন, আমিষ আহার, প্রজল্প, পরচর্যা-পরনিন্দা পরিত্যাগ করতে হবে। সেই জন্য আমাদের সব সময় শ্রীহরি কে স্মরণ করতে হবে। #শ্রীকৃষ্ণের কাছে আশীর্বাদ চেয়ে নিতে হবে যেন নির্জলা ব্রত সুসম্পন্ন ভাবে উদযাপন করতে পারি।
🦚🌼#জন্মাষ্টমীর দিন প্রাতঃকালে ঘুম থেকে উঠে স্নান করে তিলক আদি বস্ত্র পরিধান করে আচমন করতে হবে। তাঁর পর ভগবানের শ্রীচরণে পুষ্প নিবেদন করে সংকল্প মন্ত্র উচ্চারণ করে সংকল্প করতে হবে।
🌼⚜️ #সংকল্প মন্ত্রঃ-
অদ্য স্থিত্বা নিরাহারঃ শ্বোভূতে পরমেশ্বর।
ভোক্ষ্যামি দেবকীপুত্র অস্মিন্ জন্মাষ্টমীব্রতে ॥
অদ্য স্থিত্বা নিরাহারঃ সৰ্ব্বভোগবিবর্জ্জিতঃ।
ভ্যোক্ষে অহং পুণ্ডরীকাক্ষ শরণং মৈ ভবাচ্যুত ॥
🌼#অনুবাদঃ- হে পরমেশ্বর! হে দেবকীনন্দন! আমি অদ্য (আজ) জন্মাষ্টমীব্রত উপবাসী থাকিয়া পরদিন আহার করিব। হে পুণ্ডরীকাক্ষ! অদ্য সর্বভোগ বর্জনপূর্বক উপবাসী থাকিয়া কল্য (কাল) আহার করিব। হে অচ্যুত! আপনি মদীয় শরণস্থান হোন।
🌼যে সকল ভক্তদের গৃহমন্দির নেই উনারা মানসিকভাবে পুষ্প নিবেদন করে মন্ত্র উচ্চারণ করে সংকল্প করবেন।
✨🌼 সারা দিন উপবাস থেকে অধিক সংখ্যা হরিনাম জপ করতে হবে ও ভাগবত শ্রবণ-কীর্তন এবং নীলা পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণের লীলা স্মরণ, করতে হবে।
🦚🌼 শ্রীকৃষ্ণের শ্রীকৃষ্ণের অষ্টশত নাম, পাঠ গীতা ভগবানের শ্রীবিগ্ৰহ দর্শন, ভক্ত সঙ্গে হরিনাম সংকীর্তন, করবেন ও ইত্যাদি। রাত বারোটার পর মন্দিরে অথবা গৃহমন্দিরে পঞ্চমৃত পুষ্প মাল্য দিয়ে অভিষেক করতে হবে তাঁর পর ভোগ নিবেদন করতে হবে।
✨🌼 অভিষেক করতে না পারলে অভিষেক দর্শন করবেন মন্দিরে অথবা ইউটিউব ফেসবুক লাইভ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে
✅এই পোস্টটি সেভ করে রাখতে পারেন, ও সকলের কাছে শেয়ার করেবেন
✅আর #ভক্তিমূলক ও #একাদশীর সকল পোস্টে বা ভিডিওর আপডেট পেতে আমাদের Krishna Kishori Premi পেইজটি ফলো (Follow) করার অনুরোধ রইলো🙏
‼️✨ কারণ আপনারা সাথে থাকলেই আমরা একসাথে #সনাতন ধর্মের পবিত্র আলোয় নিজেদের আলোকিত করতে পারবো🙏 #সত্যিকথা বলতে আপনারা ফলো করে সাথে থাকলে আমিও উৎসাহ পায় নতুন নতুন ধর্মীয় গ্রন্থ অধ্যায়ন করে সেটা আপনাদের মধ্যে শেয়ার করার জন্য।
🌿🌼🙏 হরে কৃষ্ণ🦚রাধে রাধে 🙏🌼🌿
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🌼© Krishna Kishori Premi 🌼
✅"Like🧡, Share🔁, Comment"✅
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
#জয়শ্রীকৃষ্ণ #janmashtami #Janmashtami2026 #highlightsシ゚ #everyone #krishna #কৃষ্ণ_নামকীর্তন
#ভগবান #শ্রীকৃষ্ণ #জন্মাষ্টমী #krishna_kishori_premi
1 month ago | [YT] | 6
View 0 replies
Krishna Kishori Premi
সেই ঘোর #মধ্যরাত্রে, সেই #দুর্যোগে প্রকট হলেন গোবিন্দ.. 🙌🏼শ্রী হরি নারায়ণ চতুর্ভুজ রূপ থেকে,
ছোট্ট #শিশুতে রূপান্তরিত হলেন 🥰
এবং মা #দৈবকীর কোলে খিল খিল
করে হাসতে লাগলেন #ভগবান ||🥰
#জন্মাষ্টমী ব্রত করলে কি কি লাভ হয়?
অশ্বমেধসহস্রাণি বাজপেয়শতানি চ।একস্য কৃষ্ণজন্মাষ্টমী ব্রতস্য কলাং নার্হন্তি ষোড়শীম্।।”
অর্থ: হাজার হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ এবং শত শত বাজপেয় যজ্ঞের পুণ্যও জন্মাষ্টমী ব্রতের ষোড়শ ভাগের এক ভাগের সমান হতে পারে না। অর্থাৎ, এই ব্রত পালন করলে সমস্ত যজ্ঞের চেয়েও অধিক ফল লাভ হয়।
কোটি জন্মের পাপমুক্তি: -
জন্মাষ্টমীতে উপবাস থেকে শ্রীকৃষ্ণের পূজা ও রাত্রিজাগরণ করলে কোটি জন্মের অর্জিত পাপরাশি বিনষ্ট হয়।
অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল: -
শুদ্ধ জন্মাষ্টমী তিথিতে কেবল সম্পূর্ণ উপবাস ব্রত পালন করলেই অশ্বমেধ যজ্ঞের সমতুল্য ফল লাভ হয়।
পিতৃপুরুষের উদ্ধার: -এই পবিত্র তিথিতে উপবাস ও ভগবানের আরাধনা করলে ব্রতকারীর সাত জন্মের পিতৃপুরুষেরা নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেয়ে দিব্য ধামে গমন করেন।
হে ভক্তগণ সবাই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী তিথি মহাসমারোহে পালন করুন, পারলে ব্রত করুন 🙏🏼
#jaishreekrishna #janmashtami #janmashtamispecial #harekrishna
©️#Krishna_Kishori_Premi
2 months ago | [YT] | 7
View 0 replies
Krishna Kishori Premi
🌿🌼 আসছে অন্নদা একাদশী 🌼🌿
আগামী ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (সোমবার)
২০ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
🌿 অন্নদা একাদশী হলো ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের পুণ্যময় একাদশী তিথি। এই ব্রত পালন করলে সংসারে কখনো খাদ্য, অন্ন ও ধন-ধান্যের অভাব হয় না। ভক্তের গৃহে মা লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় সুখ-শান্তি বজায় থাকে।
🌿 এই একাদশী ব্রত পালন করলে ভক্তের সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়, ফলে তাকে আর এই জগৎ সংসারে নতুন করে জন্মগ্রহণ করতে হয় না। অর্থাৎ সে মোক্ষ লাভ করে। জন্ম-চক্র থেকে মুক্তি মেলে বলেই এই একাদশী তিথির আরেক নাম “অজা একাদশী”।
🌿 অন্নদা একাদশীর পারণ মন্ত্র
একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব॥
🌿 পারণের সময় (পরদিন)
🪷 বাংলাদেশ সময়:
মঙ্গলবার সকাল ৫:৪২ থেকে ৯:৫১ মিনিটের মধ্যে।
🪷 পশ্চিমবঙ্গ সময়:
মঙ্গলবার সকাল ৫:২১ থেকে ৯:৩০ মিনিটের মধ্যে।
সকলে এই অন্নদা একাদশী ব্রত পালন করবেন এবং অন্যদের পালনে উদ্বুদ্ধ করবেন।
🌿🌼🙏 জয় শ্রীহরি 🙏🌼🌿
🌿🌼🙏 হরে কৃষ্ণ🦚রাধে রাধে 🙏🌼🌿
✅এই পোস্টটি সেভ করে রাখবেন, ও সকলের কাছে শেয়ার করেবেন
✅আর ভক্তিমূলক ও একাদশীর সকল পোস্টের আপডেট পেতে যুক্ত থাকুন Krishna Kishori Premi এই চ্যানেলে🙏
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🌼© Krishna Kishori Premi 🌼
✅"Like🧡, Share🔁, Comment"✅
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
#একাদশী_ব্রত #হরিনাম #সনাতন_ধর্ম #ভক্তিদেবী #একাদশী #শ্রীবিষ্ণু #সনাতনধর্ম #হিন্দুধর্ম #Ekadashi #harekrishna #radheradhe #LordVishnu #একাদশীবার্তা #হরেকৃষ্ণ #রাধেরাধে
2 months ago | [YT] | 10
View 0 replies
Krishna Kishori Premi
👉মৃত্যুর পর আত্মা প্রথম কাকে খোঁজে?
মা, সন্তান নাকি ••••
জীবনসঙ্গী?
•••••••••••••••••••••••••••••••••••
সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী, মৃত্যু মানেই সবকিছু শেষ নয়, বরং এটি একটি পোষাক পরিবর্তনের মতো••••পুরানো দেহ ত্যাগ করে নতুন যাত্রার শুরু।
👉গরুর পুরানে উল্লেখ আছে য়ে, •••মৃত্যুর পর আত্মা যখন দেহ ত্যাগ করে, তখন সে এক গভীর বিভ্রান্তি ও মোহের মধ্যে দিয়ে যায়। দেহ থেকে বিছিন্ন হওয়ার পর আত্মা তৎক্ষণাৎ যমলোকে চলে যায় না। গরুর পুরান অনুসারে, মৃত্যুর পর আত্মা কিছুক্ষন দেহের আশেপাশে অবস্থান করে।
এইসময় আত্মা অত্যন্ত ব্যাকুল বোধ করে।
👉গরুর পুরানের নির্যাস থেকে যা বোঝা যায়, তা হলো••••মায়ার বন্ধন:আত্মা মুলত তাকেই প্রথম খোঁজে যার সাথে তার মায়ার টান বা আবেগীয় আসক্তি সবচেয়ে বেশি।
👉পরিবারের সান্নিধ্য:-আত্মা সাধারণত তার প্রীয় কোনো স্থানে বসে তার পরিজনদের পর্যবেক্ষণ করে। সে দেখে তার মৃত্যুতে কারা সবচেয়ে বেশি শোকাতুর।
👉তৃষ্ণা ও ক্ষুধা:-এইসময় আত্মা অত্যন্ত তৃষ্ণান্ত ও ক্ষুধার্ত থাকে। তাই সে তার তৃপ্তি বা সদগতির জন্য শাস্ত্রীয় নিয়ম(যেমন তর্পন বা পিন্ডদান)পালন করবে।
👉গরুর পুরান মতে, মৃত্যুর পর আত্মা ১৩ দিন পর্যন্ত তার ফেলে আসা গৃহেই অবস্থান করে। এই সময়ে•••••সে তার সন্তানদের কর্ম ও আচরন লক্ষ্য করে।
👉জীবনসঙ্গীর প্রতি তার দীর্ঘদিনের টান তাকে ঘরের মায়ায় আটকে রাখে।
👉তবে শাস্ত্র বলছে, এই ১৩ দিন মূলত পিন্ড বা শ্রাদ্ধের মাধ্যমে শক্তি সঞ্চয় করে। এই সময় সে বুঝতে পারে যে,,, এই পার্থিব জগতে তার আর কোনো স্থান নেই।
👉 ১৩ দিন পার হওয়ার পর যমদূতেরা আত্মাকে যমলোকের দিকে নিয়ে যেতে শুরু করে। তখন তার মা, সন্তান বা জীবনসঙ্গী •••• কাউকেই ছোঁয়ার সাধ্য থাকে না। শুরু হয় এক দীর্ঘ ৪৭ দিনের যাত্রা, যেখানে আত্মার একমাত্র সঙ্গী হয় তার জীবদ্দশায় করা 'কর্ম'।
👉গরুড় পুরানের শিক্ষা অনুযায়ী,আত্মা মৃত্যুর পর সাময়িকভাবে প্রীয়জনদের খুঁজলেও শেষ পর্যন্ত তাকে একাকী যাত্রা করতে হয়। আত্মা তখন বুঝতে পারে যে, কেউ তাকে আর দেখতে পারছে না, তখন সে ধীরে ধীরে পরমাত্মার দিকে এগিয়ে যায়।
🙏তাই জীবিত থাকাকালীন সৎ কর্ম করা সনাতন জাতির ধর্ম 🙏
🕉️©
রাঁধে রাঁধে🌼🙏হরে কৃষ্ণ🌼🙏
8 months ago (edited) | [YT] | 7
View 0 replies
Krishna Kishori Premi
শুভ জন্মাষ্টমী🌼 || Happy Janmastami🌼 || जन्माष्टमी की हार्दिक शुभकामनाएँ🌼🪔
সকলকে শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর শুভকামনা ও আভিনন্দন🙏
~ Happy SriKrishna Janmastami to all🙏
~ सभी को कृष्ण जन्माष्टमी की शुभकामनाएँ।🙏
জয় শ্রীকৃষ্ণ || Joy Sri KRISHNA || जय श्री कृष्ण 🪔🧡🌼🙏
জয় শ্রী রাধে || Joy Sri Radhe || जय श्री राधे
❤️💝🙏
1 year ago | [YT] | 14
View 3 replies
Krishna Kishori Premi
আমদের কোন সময়ে Shorts ছাড়লে আপনাদের ভালো হয়?
নিচে অনুগ্রহ করে মতামত দিবেন👇
1 year ago | [YT] | 10
View 0 replies
Krishna Kishori Premi
🙏হরে কৃষ্ণ🙏 ✺শুভ পুত্রদা একাদশী✺🙏
একাদশী সংকল্প, ব্রত মাহাত্ম্য, পারণের সময় ও পারন মন্ত্র নিচে দেওয়া হলো:
☀️*** ১০ই জানুয়ারি ২০২৫
২৫শে পৌষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার পুত্রদা একাদশী
একাদশীর দিন ভগবান কৃষ্ণের সম্মুখে আমরা অবশ্যই সংকল্প মন্ত্রটি পড়ে নিবো।
☀️*** একাদশী সংকল্প মন্ত্র
একাদশ্যাম্ নিরাহারঃ স্থিতা অহম্ অপরেহহনি।
ভোক্ষ্যামি পুন্ডরীকাক্ষ স্মরনম্ মে ভবাচ্যুত।।
অনুবাদ : হে পুন্ডরীকাক্ষ! হে অচ্যূত! একাদশীর দিন উপবাস থেকে এই ব্রত পালনের উদ্দেশ্যে আমি আপনার স্মরণাপন্ন হচ্ছি।
☀️*** ✺শুভ পুত্রদা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য✺
যুধিষ্ঠির বললেন- হে কৃষ্ণ! পৌষ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি, বিধিই বা কি, কোন দেবতা ঐ দিনে পূজিত হন এবং আপনি কার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে সেই ব্রতফল প্রদান করেছিলেন কৃপা করে আমাকে সবিস্তারে তা বলুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে মাহারাজ! এই একাদশী পুত্রদা নামে প্রসিদ্ধ। সর্বপাপবিনাশিনী এই একাদশীর অধিষ্ঠাতৃ দেবতা হলেন সিদ্ধিদাতা নারায়ণ। ত্রিলোকে এর মতো শ্রেষ্ঠ ব্রত নেই। এই ব্রতকারীকে নারায়ণ বিদ্ধান ও যশস্বী করে তোলেন। এখন আমার কাছে ব্রতের মাহাত্ম্য শ্রবণ করুন।
ভদ্রাবতী পুরীতে সুকেতুমান নামে এক রাজা ছিলেন। তার রানীর নাম ছিল শেব্যা। রাজদম্পতি বেশ সুখেই দিনযাপন করছিলেন।বংশরক্ষার জন্য বহুদিন ধরে ধর্ম-কর্মের অনুষ্ঠান করেও যখন পুত্রলাভ হল না, তখন রাজা দুশ্চিন্তায় কাতর হয়ে পড়লেন। তাই সকল ঐশ্বর্যবান হয়েও পুত্রহীন রাজার মনে কোন সুখ ছিল না।তিনি ভাবতেন পুত্রহীনের জন্ম বৃথা ও গৃহশূণ্য। পিতৃ-দেব-মনুষ্যলোকের কাছে যে ঋণ শাস্ত্রে উল্লেখ আছে, তা পুত্র বিনা পরিশোধ হয় না।পুত্রবানজনের এ জগতে যশলাভ ও উত্তম গতি লাভ হয় এবং তাদের আয়ু, আরোগ্য, সম্পত্তি প্রভৃতি বিদ্যমান থাকে। নানা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত রাজা আত্মহত্যা করবেন বলে স্থির করলেন।কিন্তু পরে বিচার করে দেখলেন- আত্মহত্যা মহাপাপ, এরফলে কেবল দেহের বিনাশমাত্র হবে, কিন্তু আমার পুত্রহীনতা তো দূর হবে না।
তারপর একদিন রাজা নিবিড় বনে গমন করলেন। বন ভ্রমণ করতে করতে দ্বিপ্রহর অতিক্রান্ত হলে রাজা ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত কাতর হলেন। এদিক ওদিক জলাদির অনুসন্ধান করতে লাগলেন।তিনি চক্রবাক, রাজহংস এবং নানারকম মাছে পরিপূর্ণ একটি মনোরম সরোবর দেখতে পেলেন। সরোবর দেখতে পেলেন। সরোবরের কাছে মুনিদের একটি আশ্রম ছিল।তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন। সরোবর তীরে মুনিগণ বেদপাঠ করছিলেন। মুনিবৃন্দের শ্রীচরণে তিনি দন্ডবৎ প্রণাম করলেন।
মুনিগণ রাজাকে বললেন-হে মহারাজ! আমরা বিশ্বদেব নামে প্রসিদ্ধ। এই সরোবরে স্নান করতে এসেছি। আজ থেকে পাাঁচদিন পরেই মাঘ মাস আরম্ভ হবে। আজ পুত্রদা একাদশী তিথি। পুত্র দান করে বলেই এই একাদশীর নাম পুত্রদা।
তাঁদের কথা শুনে রাজা বললেন-হে মুনিবৃন্দ! আমি অপুত্রক। তাই পুত্র কামনায় অধীর হয়ে পড়েছি। এখন আপনাদের দেখে আমার হৃদয়ে আশার সঞ্চার হয়ে। এ দুর্ভাগা পুত্রহীনের প্রতি অনুগ্রহ করে একটি পুত্র প্রদান করুন।
মুনিগণ বললেন- হে মহারাজ! আজ সেই পুত্রদা একাদশী তিথি। তাই এখনই আপনি এই ব্রত পাল করুন। ভগবান শ্রীকেশবের অনুগ্রহে অবশ্যই আপনার পুত্র লাভ হবে।মুনিদের কথা শোনার পর যথাবিধানে রাজা কেবল ফলূমূলাদি আহার করে সেই ব্রত অনুষ্ঠান করলেন। দ্বাদশী দিনে উপযুক্ত সময়ে শস্যাদি সহযোগে পারণ করলেন। মুনিদের প্রণাম নিবেদন করে নিজগৃহে ফিরে এলেন। প্রতভাবে রাজার যথাসময়ে একটি তেজস্বী পুত্র লাভ হল।
হে মাহারাজ! এ ব্রত সকলেরই পালন করা কর্তব্য। মানব কল্যাণ কামনায় আপনার কাছে আমি এই ব্রত কথা বর্ণনা করলাম।নিষ্ঠাসহকারে যারা এই পুত্রদা একাদশী ব্রত পালন করবে, তারা পুত নামক নরক থেকে পরিত্রাণ লাভ করবে। আর এই ব্রত কথা শ্রবণ কীর্তনে অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল পাওয়া যায়। ব্রহ্মান্ডপুরাণে এই মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে।
☀️*** পুত্রদা একাদশীর পারণের সময়***
১০ই জানুয়ারি ২০২৫,
২৫শে পৌষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,
শুক্রবার, পুত্রদা একাদশী।
পরের দিন শনিবার সকাল—
পশ্চিমবঙ্গঃ ৬ঃ২৫মিঃ-৭ঃ৪৪মিঃ
বাংলাদেশঃ ৬ঃ৪২মিঃ-৮ঃ৫৩মিঃ
দিল্লিঃ ৭ঃ১৫মিঃ-৮ঃ২৩মিঃ
বৃন্দাবনঃ ৭:১১মিঃ-৮ঃ২৩মিঃ
☀️*** একাদশী পারন মন্ত্র
একাদশী তিথির পরদিন উপবাস ব্রত ভাঙার পর অর্থাৎ, উপবাসের পরদিন সকালে যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া থাকে, সেই সময়ের মধ্যে পঞ্চ রবিশস্য ভগবানকে ভোগ নিবেদন করে একাদশীর পারণ মন্ত্র তিনবার ভক্তিভরে পাঠ করতে হয়। এরপর প্রসাদ গ্রহণ করে পারণ করা একান্ত ভাবে দরকার, নতুবা একাদশীর পূর্ণ ফল লাভ হবে না। আর অবশ্যই একাদশীর আগের দিন ও পরের দিন নিরামিষ প্রসাদ গ্রহণ করতে হবে।
অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব॥
- (বৃ: না: পু: ২১/২০)
অনুবাদ : হে কেশব! আমি অজ্ঞানরূপ অন্ধকারে নিমজ্জিত আছি। হে নাথ! এই ব্রত দ্বারা আমার প্রতি প্রসন্ন হয়ে আমাকে জ্ঞানচক্ষু প্রদান করুন।
জয় শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্য প্রভুনিত্যানন্দ।
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্ত বৃন্দ।।
"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"
"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"
"হরে"রাম"হরে"রাম"
"রাম"রাম"হরে"হরে।।"
🙏🙏🙏
ॐ শান্তি
ॐ শান্তি
ॐ শান্তি
রাঁধে রাঁধে🥰🙏হরে কৃষ্ণ❤️🙏🙏🙏
ভগবান সকলকে সুস্থ রাখুন🙏
1 year ago (edited) | [YT] | 10
View 0 replies
Krishna Kishori Premi
🙏হরে কৃষ্ণ🙏 শুভ সফলা একাদশী🙏
একাদশী সংকল্প, ব্রত মাহাত্ম্য ও পারন মন্ত্র
একাদশীর দিন ভগবান কৃষ্ণের সম্মুখে আমরা অবশ্যই সংকল্প মন্ত্রটি পড়ে নিবো।
☀️*** একাদশী সংকল্প মন্ত্র
একাদশ্যাম্ নিরাহারঃ স্থিতা অহম্ অপরেহহনি। ভোক্ষ্যামি পুন্ডরীকাক্ষ স্মরনম্ মে ভবাচ্যুত।।
অনুবাদ : হে পুন্ডরীকাক্ষ! হে অচ্যূত! একাদশীর দিন উপবাস থেকে এই ব্রত পালনের উদ্দেশ্যে আমি আপনার স্মরণাপন্ন হচ্ছি।
☀️*** সফলা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য
পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম সফলা। ব্রহ্মান্ডপুরাণে যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে এই তিথির মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে।
যুধিষ্ঠির বললেন- হে প্রভু! পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম, বিধি এবং পূজ্যদেবতা বিষয়ে আমার কৌতুহল নিবারণ করুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে মহারাজ! আপনার প্রতি স্নেহবশত সেই ব্রত কথা বিষয়ে বলছি। এই ব্রত আমাকে যেরকম সন্তুষ্ট করে, বহু দানদক্ষিণাযুক্ত যজ্ঞাদি দ্বারা আমি সেইরকম সন্তুষ্ট হই না। তাই যত্নসহকারে এই ব্রত পালন করা কর্তব্য।
পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম সফলা। নাগদের মধ্যে যেমন শেষনাগ, পক্ষীদের মধ্যে গরুড়, মানুষের মধ্যে ব্রাহ্মণ, দেবতাদের মধ্যে নারায়ণ সর্বশ্রেষ্ঠ; তেমনই সকল ব্রতের মধ্যে একাদশী ব্রতই সর্বশ্রেষ্ঠ।হে মহারাজ! যারা এই ব্রত পালন করেন, তারা আমার অত্যন্ত প্রিয়। তাদের এজগতে ধনলাভ ও পরজগতে মুক্তি লাভ হয়। হাজার বছর তপস্যায় যে ফল লাভ হয় না, একমাত্র সফলা একাদশীতে রাত্রি জাগরণের ফলে তা অনায়াসে প্রাপ্ত হওয়া যায়।
মহিষ্মত নামে এক রাজা প্রসিদ্ধ চম্পাবতী নগরে বাস করতেন। রাজার চারজন পুত্র ছিল। কিন্তু তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র লুম্ভক সর্বদা পরস্ত্রীগমন, মদ্যপান প্রভৃতি অসৎ কার্যে রত ছিল। সে সর্বক্ষণ ব্রাহ্মণ, বৈষ্ণব ও দেবতাদের নিন্দা করত।পুত্রের এই আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে রাজা তাকে রাজ্য থেকে বার করে দিলেন। স্ত্রী-পুত্র, পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন পরিত্যক্ত হয়ে সে এক গভীর বনে প্রবেশ করল। সেখানে কখনও জীবহত্যা আবার কখনও চুরি করে জীবন ধারণ করতে লাগল। কিছুদিন পরে একদিন সে নগরে প্রহরীদের কাছে ধরা পড়ল।কিন্তু রাজপুত্র বলে সেই অপরাধ থেকে সে মু্ক্তি পেল। পুনরায় সে বনে ফিরে গিয়ে জীবহত্যা ও ফলমূল আহার করে দিন যাপন করতে লাগল।
ঐ বনে বহু বছরের পুরানো একটি বিশাল অশ্বত্থ বৃক্ষ ছিল। সেখানে ভগবান শ্রীবাসুদেব বিরাজমান বলে বৃক্ষটি দেবত্ব প্রাপ্ত হয়েছে। সেই বৃক্ষতলে পাপবুদ্ধি লুম্ভক বাস করত।বহুদিন পর তার পূর্বজন্মের কোন পুণ্য ফলে সে পৌষ মাসের দশমী দিনে কেবল ফল আহারে দিন অতিবাহিত করল। কিন্তু রাত্রিতে অসহ্য শীতের প্রকোপে সে মৃতপ্রায় হয়ে রাত্রিযাপন করল।পরদিন সূর্যোদয় হলেও সে অচেতন হয়েই পড়ে রইল। দুপুরের দিকে তার চেতনা ফিরল। ক্ষুধা নিবারণের জন্য সে অতিকষ্টে কিছু ফল সংগ্রহ করল।এরপর সেই বৃক্ষতলে এসে পুনরায় বিশ্রাম করতে থাকল। রাত্রিতে খাদ্যাভাবে সে দুর্বল হয়ে পড়ল। সে প্রাণরক্ষার্থে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে ফলগুলি নিয়ে-হে ভগবান! আমার কি গতি হবে বলে অশ্রুপাত করতে করতে সেই বৃক্ষমূলে, হে লক্ষ্মীপতি নারায়ণ! আপনি প্রসন্ন হোন বলে নিবেদন করল। এইভাবে সে অনাহারে ও অনিদ্রায় সেই রাত্রি যাপন করল।
ভগবান নারায়ণ সেই পাপী সুম্ভকের রাত্রি জাগরণকে একাদশীর জাগরণ এবং ফল অর্পণকে পূজা বলে গ্রহণ করলেন। এইভাবে অজ্ঞাতসারে লুম্ভকের সফলা একাদশী ব্রত পালন হয়ে গেল।প্রাতঃ কালে আকাশে দৈববাণী হল-হে পুত্র, তুমি সফলা ব্রতের পুণ্য প্রভাবে রাজ্য প্রাপ্ত হবে। সেই দৈববাণী শোনামাত্র লুম্ভক দিব্যরূপ লাভ করল। তার পাপবুদ্ধি দূর হল।সে পুনরায় নিষ্কণ্টক রাজ্য লাভ করল। স্ত্রীপুত্রসহ কিছুকাল রাজ্যসুখ ভোগের পর পুত্রের ওপর রাজ্যের ভার দিয়ে সে সন্ন্যাস আশ্রম গ্রহণ করল। অবশেষে মৃত্যুকালে সে অশোক অভয় ভগবানের কাছে ফিরে গেল।
হে মহারাজ! এভাবে সফলা একাদশী যিনি পালন করেন, তিনি জাগতিক সুখ ও পরে মুক্তি লাভ করেন। এই ব্রতে যারা শ্রদ্ধাশীল, তাঁরাই ধন্য।তাঁদের জন্ম সার্থক, এতে কোন সন্দেহ নেই। এই ব্রত মাহাত্ম্য পাঠ ও শ্রবণে মানুষের রাজসূয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।
☀️*** একাদশী পারন মন্ত্র
একাদশী তিথির পরদিন উপবাস ব্রত ভাঙার পর অর্থাৎ, উপবাসের পরদিন সকালে যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া থাকে, সেই সময়ের মধ্যে পঞ্চ রবিশস্য ভগবানকে ভোগ নিবেদন করে একাদশীর পারণ মন্ত্র তিনবার ভক্তিভরে পাঠ করতে হয়। এরপর প্রসাদ গ্রহণ করে পারণ করা একান্ত ভাবে দরকার, নতুবা একাদশীর পূর্ণ ফল লাভ হবে না। আর অবশ্যই একাদশীর আগের দিন ও পরের দিন নিরামিষ প্রসাদ গ্রহণ করতে হবে।
অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য ব্রতেনানেন কেশব। প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব॥
- (বৃ: না: পু: ২১/২০)
অনুবাদ : হে কেশব! আমি অজ্ঞানরূপ অন্ধকারে নিমজ্জিত আছি। হে নাথ! এই ব্রত দ্বারা আমার প্রতি প্রসন্ন হয়ে আমাকে জ্ঞানচক্ষু প্রদান করুন।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
🙏🙏🙏
1 year ago | [YT] | 10
View 0 replies
Load more