জ্যোতিষ শাস্ত্র, বাস্তু শাস্ত্র, সংখ্যাতত্ত্ব , হস্তরেখা বিশ্লেষণ, বিভিন্ন টিপস্, টোটকা ও উৎসব, পূজা, পার্বণ , তিথিতে ভাগ্য উন্নতির উপায় জানতে এবং কিছু জ্ঞান অর্জন করতে SUBSCRIBE করুন "জ্ঞান মহা সমুদ্র" চ্যানেলটি।
"বিশ্বাসে সফলতা বিশ্বাসই ভক্তি,
বিশ্বাসে বিশ্ব খু্ঁজে পায় শক্তি ।"
GYAN MAHA SAMUDRA
Gyan Maha Samudra
https://youtu.be/dj2JuDr8LwI
1 week ago | [YT] | 0
View 0 replies
Gyan Maha Samudra
শারদীয়ার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 🙏🙏🙏🏵️
1 week ago | [YT] | 1
View 0 replies
Gyan Maha Samudra
youtube.com/shorts/8ydUXzTN3R...
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
Gyan Maha Samudra
https://youtu.be/3iRPI9eHLmM
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
Gyan Maha Samudra
কৌশিকী অমাবস্যা সনাতন ধর্মে, বিশেষ করে শাক্ত ঐতিহ্য এবং তন্ত্র সাধনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র এক দিন। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই অমাবস্যা তিথিটি মূলত মা তারা এবং মা কালীর উপাসনার জন্য প্রসিদ্ধ। এই অমাবস্যা তিথিতে কোন কোন বিশেষ উপায় গুলি করবেন তা জেনে নিন- সময়সূচী জানুন
https://youtu.be/APXKwe6NdNg
1 month ago (edited) | [YT] | 0
View 0 replies
Gyan Maha Samudra
জগন্নাথদেবের উল্টোরথ বা পুনর্যাত্রার মূল কাহিনিটি হলো এক মধুর পারিবারিক মিলন ও মিষ্টি মান-অভিমানের রূপক। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়ায় ভাই বলরাম ও বোন সুভদ্রাকে সঙ্গে নিয়ে জগন্নাথদেব মাসির বাড়ি (গুণ্ডিচা মন্দির) যাত্রা করেন, কিন্তু দেবী লক্ষ্মীকে সঙ্গে না নেওয়ায় তিনি অত্যন্ত রুষ্ট হন। অভিমানের বশে 'হেরা পঞ্চমী'র দিনে দেবী গোপনে মাসির বাড়িতে গিয়ে জগন্নাথদেবের রথের কিছুটা অংশ ভেঙে দিয়ে ফিরে আসেন। এরপর সাত দিন মাসির বাড়িতে অবস্থান শেষে 'শুক্লা দশমী' তিথিতে দেবতারা যখন মূল মন্দিরে (শ্রীমন্দির) ফিরে আসেন—যাকে উল্টোরথ বলা হয়—তখন রাগান্বিত লক্ষ্মীদেবী মন্দিরের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে তাঁদের প্রবেশে বাধা দেন। অবশেষে মহাপ্রভু জগন্নাথদেব প্রিয়তমা স্ত্রীকে রসগোল্লা খাইয়ে তাঁর রাগ ভাঙান এবং প্রীতি অর্জন করেন। দেবী লক্ষ্মীর মানভঞ্জন হলে দ্বার উন্মুক্ত হয় এবং জগন্নাথদেব ভাই-বোনসহ পুনর্নবীকৃত সুসম্পর্ক ও আনন্দের মধ্য দিয়ে নিজ রত্নসিংহাসনে আরোহণ (নীলাদ্রি বিজে) করেন।
3 months ago | [YT] | 10
View 1 reply
Gyan Maha Samudra
আজ বিপত্তারিণী পূজা। আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের রথযাত্রা থেকে উল্টো রথযাত্রার মধ্যবর্তী মঙ্গলবার অথবা শনিবারে বিপত্তারিণী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
নারী-পুরুষ উভয়ই নিজেদের পরিবার ও সন্তানদের কল্যাণ কামনায় সারা দিন উপবাস রেখে এই ব্রত পালন করেন।
এই পূজায় ১৩টি নিয়ম খুব গুরুত্বপূর্ণ—
১৩ ধরনের ফুল, ১৩ ধরনের ফল, ১৩টি নৈবেদ্য বা মিষ্টি এবং ১৩টি নাড়া (লাল সুতো)।
পূজার শেষে দেবীর চরণে স্পর্শ করানো লাল রঙের তাগা (যাতে ১৩টি গিট/গাঁট দেওয়া থাকে এবং ১৩টি দুর্বা বাঁধা হয়) হাতে পরা হয়।
নারীরা সাধারণত বাম হাতে এবং পুরুষরা ডান হাতে এই তাগা ধারণ করেন। বিশ্বাস করা হয়, এই তাগা ধারণ করলে দেবীর অভয় হস্ত সর্বদা সাথে থাকে।
পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, রাজা কুশ এবং তাঁর রানীর একটি গল্পের সাথে এই ব্রতের উৎপত্তি জড়িত, যেখানে দেবী বিপত্তারিণী কীভাবে তাঁদের এক বিষম বিপদ ও বিপথ থেকে রক্ষা করেছিলেন তার বর্ণনা রয়েছে। গৃহস্থে সুখ-শান্তি বজায় রাখা এবং সমস্ত সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য বঙ্গীয় হিন্দু সমাজে এই পূজার বিশেষ প্রচলন রয়েছে।
3 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Gyan Maha Samudra
শ্রাবণ মাসে ভুলেও শিবলিঙ্গে এই জিনিসগুলি দেবেন না 🌿🙏🕉️
3 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Gyan Maha Samudra
২০২৬ সালে বুদ্ধপূর্ণিমা পালিত হবে ১ মে, শুক্রবার।
বুদ্ধপূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা একটি অত্যন্ত শুভ দিন, যা গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ এবং মহাপরিনির্বাণ—এই তিন স্মৃতিতে উজ্জ্বল। আধ্যাত্মিক শান্তি, মানসিক প্রশান্তি এবং জীবনের বাধা কাটানোর জন্য এই দিনে কিছু বিশেষ উপায় নিচে দেওয়া হলো:
১. দান ও সেবা (সবচেয়ে ফলপ্রসূ উপায়)
বৌদ্ধ ও হিন্দু উভয় শাস্ত্রেই এই দিনে দান করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
🔴অভাবী মানুষকে অন্ন বা অন্তত মিষ্টি মুখ করালে মানসিক সন্তুষ্টি আসে।
🔴পশু-পাখিকে জল বা খাবার দেওয়া এই দিনের অন্যতম পুণ্যকর্ম। সম্ভব হলে খাঁচায় বন্দি পাখিকে মুক্তি দেওয়া খুব শুভ বলে মানা হয়।
২. বুদ্ধ ও বিষ্ণু পূজা
হিন্দু ধর্ম মতে বুদ্ধদেব ভগবান বিষ্ণুর নবম অবতার। তাই এই দিনে:
🔴বাড়িতে ভগবান বুদ্ধের মূর্তির সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান।
🔴সাদা ফুল (যেমন টগর বা বেল) দিয়ে পূজা করুন, কারণ সাদা রঙ শান্তির প্রতীক।
🔴গঙ্গাজল মিশ্রিত জলে স্নান করা এই দিনে অত্যন্ত পবিত্র বলে গণ্য হয়।
৩. গৃহের শান্তি ও ইতিবাচকতা
🔴দরজায় স্বস্তিক: বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে হলুদ বা সিঁদুর দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকতে পারেন। এটি নেতিবাচক শক্তিকে দূরে রাখে।
🔴দীপদান: সন্ধ্যায় বাড়ির তুলসী তলায় বা ঠাকুর ঘরে প্রদীপ জ্বালিয়ে শান্তি প্রার্থনা করুন।
🔴সাদা বস্ত্র: এই দিনে সাদা রঙের পোশাক পরা মনের শান্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৪. মন্ত্র জপ ও ধ্যান
মানসিক অস্থিরতা কমাতে বুদ্ধপূর্ণিমার রাতে চাঁদনি আলোয় কিছুক্ষণ বসে ধ্যান করা বা নিচের মন্ত্রটি জপ করা যেতে পারে:
🌸 "ওঁ মণি পদ্মে হুঁ" (এটি করুণা ও শান্তির মন্ত্র)
🌸ভগবান বিষ্ণুর মন্ত্র: "ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়"
৫. খাদ্যাভ্যাস
🔴 এই দিনে পূর্ণ নিরামিষ আহার গ্রহণ করা উচিত।
🔴 বিশেষ করে বৌদ্ধ ঐতিহ্যে এই দিনে ক্ষীর বা পায়েস তৈরি করে নিবেদন করা ও বিতরণ করা অত্যন্ত শুভ মনে করা হয় (সুজাতা বুদ্ধদেবকে ক্ষীর নিবেদন করেছিলেন)।
৬. ক্ষমার করা-
বুদ্ধপূর্ণিমার আসল উদ্দেশ্য হলো মনের মৈত্রী। তাই এই দিনে পুরনো কোনো তিক্ততা ভুলে কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া বা নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া জীবনের উন্নতির পথে বড় বাধা দূর করতে পারে।
5 months ago | [YT] | 9
View 1 reply
Gyan Maha Samudra
২০২৬ সালের তিথি
২০২৬ সালে মোহিনী একাদশী পালিত হবে ২৭ এপ্রিল, সোমবার।
মোহিনী একাদশী- বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিকে বলা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই দিনটি অত্যন্ত পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ।
এই একাদশীর বিশেষ কিছু দিক নিচে আলোচনা করা হলো:
🔴পৌরাণিক প্রেক্ষাপট
পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, সমুদ্র মন্থনের সময় যখন অমৃত উত্থিত হয়েছিল, তখন অসুরদের হাত থেকে অমৃত রক্ষা করতে এবং দেবতাদের তা পান করাতে ভগবান বিষ্ণু এক সুন্দরী নারীর রূপ ধারণ করেছিলেন। এই রূপটিই ছিল 'মোহিনী'রূপ। যে তিথিতে তিনি এই রূপ ধারণ করে অসুরদের মোহিত করেছিলেন, সেটিই মোহিনী একাদশী নামে পরিচিত।
মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব
🔴পাপ মুক্তি: বিশ্বাস করা হয় যে, নিষ্ঠার সাথে এই ব্রত পালন করলে মানুষের জন্ম-জন্মান্তরের পাপ ও মোহ দূর হয়।
🔴মানসিক শান্তি: মোহ বা মায়া থেকে মুক্তি পেয়ে আধ্যাত্মিক উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে এই একাদশী সাহায্য করে। ত্রেতা যুগে শ্রীরামচন্দ্র এবং দ্বাপর যুগে মহারাজ যুধিষ্ঠিরও এই ব্রত পালন করেছিলেন বলে জানা যায়।
পালন বিধি
🔴দশমী বিদ্ধা ত্যাগ: একাদশীর আগের দিন অর্থাৎ দশমী থেকেই সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করতে হয়।
🔴*উপবাস ও পূজা:** একাদশীর দিন সকালে স্নান সেরে ভগবান বিষ্ণুর ‘মোহিনী’ রূপের পূজা করা হয়। অনেকে নির্জলা উপবাস রাখেন, আবার অনেকে ফলমূল খেয়ে ব্রত পালন করেন।
🔴নিষেধ:এই দিনে চাল বা শস্যদানা গ্রহণ করা নিষিদ্ধ। এ ছাড়া পরনিন্দা, মিথ্যা ভাষণ বা ক্রোধ বর্জন করে শান্ত মনে থাকা জরুরি।
🔴জাগরণ:অনেকে একাদশীর রাতে জেগে থেকে ভগবানের নাম সংকীর্তন বা পাঠ করেন।
5 months ago | [YT] | 8
View 1 reply
Load more