'the POST', Bangladesh's first Meta Non-Fiction new media, a human story hub. POST breaks and redefines the essence of News-Narrative.
In a world of information tsunami dominated by fictional realities, POST stands to uncover and speak stories that matter. From national to international, from lives to politics-culture-sports- entertainment, we deliver human content beyond headlines. In a sea of noise and post truth, choose clarity, choose insight, choose depth— choose POST.


the POST

১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের শাসনব্যবস্থার সঙ্গে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি ও সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা এই দুই সময়ের শাসনব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের ব্যাখ্যায় সাধারণত তিনটি তত্ত্ব সামনে আনা হয়। এগুলো হলো খাদ্যের সামগ্রিক প্রাপ্যতা কমে যাওয়া, মানুষের খাদ্য কেনার সক্ষমতা বা প্রবেশাধিকারের সংকট এবং দুর্ভিক্ষবিরোধী সামাজিক চুক্তির অনুপস্থিতি। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক খাদ্যসহায়তা ও স্নায়ুযুদ্ধের ভূরাজনীতির প্রভাবের কথাও বলা হয়। তবে তাঁর মতে, এসব ব্যাখ্যায় রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কের সংকট যথাযথভাবে উঠে আসে না।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টার মতে, স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ছিল না। ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে জনগণের বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়েছিল। এ পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, যা গ্রাম থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। ‘রেশন’ ও খাদ্যবণ্টনব্যবস্থার মধ্যেও সেই পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব ছিল।
১৯৭১ থেকে ’৭৫–এর মতো ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালেও বিরোধীদের দমন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার ও সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার প্রবণতা দেখা গেছে বলে উল্লেখ করেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম কমলেও বাংলাদেশের বাজারে দাম বেড়েছে, এমন পরিস্থিতিও দুই সময়ের মধ্যে মিল দেখায়। ১৯৭২ সালে প্রতি টন চালের আন্তর্জাতিক দাম ১৪৭ ডলার থাকলেও ১৯৭৪ সালে তা বেড়ে ৫৪২ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে বাংলাদেশের বাজারে দাম আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় বেশি ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

#RashedAlMahmudTitumir #JulyUprising #BangladeshPolitics #AwamiLeague #thepost

3 hours ago | [YT] | 9

the POST

গতকাল, ৭ নভেম্বর, সিলেটে টেস্টে ২৪২ রানের ইনিংস খেলেছিলে হৃদয়। ২৪২ রানের ইনিংসে আরও একটি বিশেষ মুহূর্ত ছিল। বাংলাদেশের ক্রিকেটে মুশফিকুর রহিমের নামের পাশে এত দিন যে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড ছিল, সেটি এখন হৃদয়ের। আর রেকর্ডটি ভাঙার পর ড্রেসিংরুমে দাঁড়িয়ে তাঁকে অভিবাদন জানিয়েছেন মুশফিক নিজেই।
তবে ব্যাটিংয়ের সময় এসব কিছু মাথায় ছিল না হৃদয়ের। নিজের দিনে দলের জন্য যতটা সম্ভব অবদান রাখাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। বলেছেন, ‘এটা আমার রিজিকে ছিল। আমি আসলে চিন্তা করিনি যে আমি কাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছি বা কী হবে; আমার ওই পরিস্থিতিতে যেটা মনে হয়েছে, দলকে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে যতটুকু লড়াই করা যায়, চেষ্টা করেছি। আমি সেট ছিলাম, আমার দিনটা ভালো যাচ্ছিল, ব্যাটে বল লাগছিল। চেষ্টা করেছি যে দলের জন্য যতটুকু অবদান রাখা যায়।’

#TowhidHridoy #BangladeshCricket #SylhetTest #CricketRecord #BCB #thepost

3 hours ago | [YT] | 3

the POST

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধসের পর, রিপাবলিকানরা এখন আত্মপর্যালোচনা করছেন। নির্বাচনী পরাজয়ের পর দলটির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নানা প্রশ্ন সামনে আসছে। তবে এর কোনো সহজ উত্তর নেই, কারণ রিপাবলিকানরা এখন দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে-তারা কি 'ট্রাম্পের নীতি ও রাজনৈতিক ভাবধারায়' আরও বেশি জোর দেবে, নাকি ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ সময়ে নতুন কোনো পথে এগোবে।
ফ্লোরিডার বিদায়ী গভর্নর রন ডিস্যান্টিস এই মধ্যবর্তী নির্বাচনকে রিপাবলিকানদের জন্য 'প্রায় ধ্বংসাত্মক এক ঘটনা' বলে বর্ণনা করেছেন। অন্যদের কথায় অবশ্য কিছুটা ইতিবাচক সুর শোনা গেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, যিনি মধ্যবর্তী নির্বাচনের এই ফলাফলের জন্য ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, 'দলটি এই পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। তা সত্ত্বেও ভ্যান্সে এর মতে এর পরবর্তী পরিণতি বেশ বিশৃঙ্খল হবে। ভ্যান্স বলেন, 'কী ঘটেছে এবং কেন ঘটেছে তা নিয়ে প্রচুর কোন্দল ও বিতর্ক হবে।'
ডানপন্থীদের এমন বৈচিত্র্যময় প্রতিক্রিয়া সেই মতভেদকেই তুলে ধরে, যা ২০১৬ সালে ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত উত্থানের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল এবং এটি কখনোই পুরোপুরি দূর হয়নি। কোন দল বা পক্ষ জয়ী হবে তা এখনই বলা মুশকিল। তবে রিপাবলিকানরা যখন নিজেদের ক্ষত সারানোর চেষ্টা করছে, ভ্যান্সের ভবিষ্যৎবাণী করা সেই আন্তঃদলীয় লড়াই ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

#USMidterms2026 #GOPDefeat #DonaldTrump #JDVance #USPolitics #thepost

4 hours ago | [YT] | 0

the POST

'আপনি দেখবেন পুরো কমিটিটার অর্ধেকের বেশি শতাংশ, ১৬০ জনকে পজিট করা হয়েছে ১৯৬ জনের মধ্যে, একটা নির্বাচিত কায়দায়। মানে সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদকীয় পোস্ট আছে, সহ-সম্পাদকীয় পোস্ট আছে। যখন আপনি এটা করেন, আপনি একটা পোস্ট পান অনেক স্ট্রাগল করে, দুই বছরের মধ্যে আপনি এটা আবার আপনার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হবে কাউন্সিলের... কাউন্সিল মানেই হচ্ছে তার পোস্ট তার কাছে থাকবে না। সো এটা কেড়ে নেওয়া হবে, এটা কিন্তু কেউই চায় না। ফলত কাউন্সিল পিছিয়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়। এবং জানুয়ারিতে কাউন্সিল হওয়ার কথা, কেন ডিসেম্বরে বা হচ্ছে নভেম্বরে কেন রদবদল করা হবে? এটা পুরোটাই একটা অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং এগুলো নিয়ে বাংলাদেশের পলিটিক্সে যে আলাপ নাই, এই কারণে আমরা ভালো পার্টি, গণতান্ত্রিক পার্টি গড়ে তুলতে পারছি না।'-বলেছেন সামান্তা শারমিন

#SamantaSharmin #NCPBangladesh #CaretakerGovernment #BangladeshPolitics #therpost

5 hours ago | [YT] | 9

the POST

‘বাংলার মাটি, বীর সন্তানদের জন্ম দেওয়া এই মাটিতে কোনো পলাতক, ভীতু, শৃগালের মতো যারা পালিয়ে যায়, যারা নিজেদের দেশের সন্তানের রক্ত পান করতে দ্বিধা করে না, তারা আবার উড়ে এসে জুড়ে বসবে আর জনগণ মেনে নেবে, এটা হবে না। এটা কোনো দিনই হওয়া সম্ভব না।’- বলেছেন রুহুল কবির রিজভী

#RuhulKabirRizvi #BNP #BangladeshPolitics #SheikhHasina #DeepDive #thepost

5 hours ago | [YT] | 2

the POST

জেনেভা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ফিউচার ইজ সেন্সিবল অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট সিরিজ’ অর্জনের মধ্য দিয়ে ‘অ্যানি’ তার আন্তর্জাতিক যাত্রায় যুক্ত করলো নতুন এক মাইলফলক। বাংলাদেশের গল্প, নির্মাণশৈলী ও শিল্পীদের আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার এই অর্জন দেশের অডিওভিজ্যুয়াল শিল্পের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ।

#NazifaTushi #Annie #GenevaFilmFestival #BangladeshiCinema #thepost

6 hours ago | [YT] | 4

the POST

'৭ নভেম্বরের যে পাল্টা অভ্যুত্থান, যার মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ক্ষমতার কেন্দ্রে আসেন, এই বিষয়টা ভারতের কাছে একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। ভারত ভেবেছিল যে, খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে যে অভ্যুত্থান হয়েছিল ৩ নভেম্বর, এটাই টিকে থাকবে। এর বিপরীতে যে পাল্টা আরেকটা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ক্ষমতার কেন্দ্রে চলে আসবেন, এটি ভারত ভাবেনি কখনো। যার কারণে ভারত তখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছিল এবং আমেরিকান ডিপ্লোম্যাটরা যে তারবার্তা এক্সচেঞ্জ করেছেন, সেখান থেকে বোঝা যায় যে ভারত তখন ভাবছিল, এই অবস্থা যদি কন্টিনিউ করে আর কিছুদিন, অর্থাৎ ৭ নভেম্বরের পরে যদি অস্থিরতা আরও কিছুদিন কন্টিনিউ করে, ভারত তখন বাংলাদেশে একটা হস্তক্ষেপ করলেও করতে পারত। এই চিন্তাধারা তাদের মনের মধ্যে তৈরিও হয়েছিল। এবং জিয়াউর রহমান যেহেতু অতি দ্রুত আমেরিকার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং আমেরিকার সঙ্গে একটা সুসম্পর্ক স্থাপন করার জন্য তিনি আগ্রহী হন এবং বাংলাদেশের যে অস্থিতিশীলতা সেটা কাটানোর জন্য সব মিলিয়ে তিনি আমেরিকার একটা হেল্প চান, এটা ভারতকে নিবৃত্ত করেছিল কিছুটা। পরবর্তীতে নানা কনভার্সেশনে বিভিন্ন যে নথিপত্রে সেগুলো উঠে আসে।'- বলেছেন সাংবাদিক আকবর হোসেন

#November7 #ZiaurRahman #BangladeshHistory #Geopolitics #thepost

7 hours ago | [YT] | 1

the POST

'আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে সেনেট ও হাউসে কত জন মুসলমান, কতজন আফ্রিকান-আমেরিকান, কতজন নারী নির্বাচিত হয়েছে এসব নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় আগ্রহের শেষ নাই। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনেকটা উচ্ছ্বাসের ঢেউ বইছে—মুসলমান সেনেটর ও হাউস সদস্যদের নিয়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যায় মুসলমান দুই শতাংশও নয়। তারপরও সাতজন মুসলমান-আমেরিকানকে ভোটাররা কংগ্রেসে পাঠিয়েছে। আরও একজন যুক্ত হতে পারে তালিকায়।
এমুহূর্তে জনসংখ্যার হিস্যা অনুযায়ী মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব জাতীয়ভাবে কংগ্রেসে বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণভাবেই আছে সেখানে। এই বিজয়ীদের অনেকেই হয়তো ১-২-৩ প্রজন্ম আগে কেবল দেশটিতে থিতু হয়েছেন। তাঁদের সেই ইতিহাস ভোট পেতে সমস্যা হয়নি। মূলত রাজনৈতিক কর্মসূচির জোরেই জিতেছেন তাঁরা।
যে ৭-৮ জায়গায় মুসলমান প্রার্থীরা ভালো করলেন সেখানে জনসংখ্যার হিস্যায় সম্মিলিতভাবে মুসলমান ৩ শতাংশ। যে মিশিগানের বিজয়ী প্রার্থীকে নিয়ে বিশেষ আলোচনা হচ্ছে সেখানে মুসলমান জনসংখ্যা ২ শতাংশ।
প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের ভোটাভুটিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অবস্থা কী? এসব দেশের যেসব দল যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে মুসলমান সদস্য বাড়ায় উচ্ছ্বসিত তারা গত নির্বাচনে ধর্মীয় সংখ্যালঘু প্রার্থীদের কতটা ভোট দিয়েছেন? কতজনকে প্রার্থী করেছেন?
সকলেই আমরা জানি, বাংলাদেশে গত নির্বাচনে, যাকে খুব অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন বলা হয়, সরাসরি ভোটে ৩০০ আসনে ধর্মীয় সংখ্যালঘু জিতেছেন মাত্র ৪ জন। ২ শতাংশও নয়। অথচ জনসংখ্যায় এদেশে তারা তো ৮-১০ শতাংশ হবেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সংখ্যালঘু নির্বাচিত হয়েছেন এবারের নির্বাচনে।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে মিশিগানসহ উপরোক্ত সকল জায়গায় মুসলমান প্রার্থীর বিজয় সম্ভব হয়েছে মুখ্যত দলীয় প্রাইমারিতে এবং চূড়ান্ত ভোটে অ-মুসলমানদের ভোটে। এখানে সেরকম ঘটবে কবে? ঘটবে কি আদৌ? আবদুল আল সাঈদের বিজয়ে উচ্ছ্বসিতরা এদেশে অনুরূপ কর্মসূচির সংখ্যালঘু প্রার্থীকে নিজ নিজ দলে মনোনয়ন দিবেন কি আদৌ? বা অন্য দলের অনুরূপ সংখ্যালঘু প্রার্থীকে ভোট দিবেন কি কোন দিন?'

- লিখেছেন আলতাফ পারভেজ

#Bangladesh #Pakistan #religion #usa #thepost

8 hours ago | [YT] | 28

the POST

'কালী আমার কাছে চিরকালের স্বাধীনতার চিহ্ন। কালী আমাদের নিজস্ব মুক্তিসাধনার ধারা। বৃহৎ বঙ্গীয় এবং বৃহত্তর ভারতীয় জনসাধারণের শক্তি ও স্বাধীনতা চর্চার ধারা। ব্যক্তিক-সামাজিক এই ধারা মুক্তির এবং শক্তির। ব্যক্তির মুক্তি ছাড়া এখানে শক্তি নাই, শক্তি ছাড়া মুক্তি নাই। এই ধারা শিবশক্তির, নারী-পুরুষের যুগল সাধনার ধারা। এ হলো বিন্দুর সাথে অপার সিন্ধুর, এককের সাথে সমগ্রের, আকারের সাথে নিরাকারের, দৃশ্যের সাথে অদৃশ্যের, রূপের সাথে অরূপের অদ্বৈত উপলব্ধি ও অনুশীলনের ধারা।
কালী আমার কাছে কাল। ঘড়িহীন সময়ের ধারক ও প্রকাশক সত্তা। মুহূর্ত ও মহাকালের যুগলসত্তার একত্ব।
সর্বোপরি, বৈদিক উত্তর ভারতের ব্রাহ্মণ্যবাদী জ্ঞানতাত্ত্বিক জারিজুরির বিপরীতে কালী হয় তন্ত্রের মুক্ত জীবনচর্যার ধারা।
অন্ধকারের যে উৎস থেকে উৎসারিত হয় আলোকময়তা, আজ সেই অন্ধকার রাত, অমাবস্যার রাত।
জয় কালী! সবাইকে কালীপূজার শুভেচ্ছা।'- লিখেছেন সেলিম রেজা নিউটন

#SalimRezaNewton #KaliPuja #Philosophy #Tantra #BengaliCulture #thepost

9 hours ago | [YT] | 8