হে মনুষ্য ! তোমরা এক সাথে চল,এক সাথে মিলে আলোচনা কর,তোমাদের মন উত্তম সংস্কার উক্ত হোক।পূর্বকালীন জ্ঞানী পুরুষেরা যেরূপ কর্তব্য সম্পদন করেছে তোমারও সেরূপ কর।তোমাদের সকলের মন্ত্র এক হোক ,মিলনভূমি এক হোক,মন এক হোক,সকলের চিত্ত এক হোক।তোমাদের সকলকে একই মন্ত্রে সংযুক্ত করেছি,তোমাদের সকলের জন্য অন্ন ও উপভোগ একই প্রকার দিয়েছি ।তোমাদের সকলের লক্ষ্য সমান হোক,তোমাদের হৃদয় সমান হোক,এভাবে তোমাদের সকলের শক্তি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হোক।
--- ঋগ্বেদ ১০,১৯১,২-৪
হে মনুষ্য উঠ ! উঠে দাঁউড়াও পতিত হওয়া তোমার স্বভাবজাত নয়।জ্ঞানের আলোকবর্তিকা শুধু মাত্র তোমাকেই দেয়া হয়েছে যা দিয়ে তুমি ওই সকল অন্ধকূপ এড়িয়ে যেতে পারো
--- অথর্ববেদ ৮,১,৬ ,,,,
হে সনাতনী মিত্রগন এসো বৈদিক সত্য সনাতন পথে, গাও মহান আর্যগীত ৷ ভেঙ্গে দাও সকল কুসংস্কারের প্রাচীর।
কৃণ্বন্তো-বিশ্বমার্যম্ এর সুরে, সনাতনী হৃদয়ে জাগ্রত হোক আর্যত্ব ৷ সকলে আর্য হই, পৃথিবীকে পবিত্র ও শুদ্ধ করে গড়ে তুলি ৷
"মনুর্ভব জনয়া দৈবং জনম"
অর্থ: সরলার্থ: প্রকৃত মানুষ হও অন্যকেও প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোল ৷
(ঋগ্বেদ (১০/৫৩/৬)
Vedic Jivan
ঋগ্বেদ ১.৩৪.১২ — সংস্কৃত মূল:
आ नो अश्विना त्रिवृता रथेनार्वाञ्चं रयिं वहतं सुवीरम् । शृण्वन्ता वामवसे जोहवीमि वृधे च नो भवतं वाजसातौ ॥
বাংলা অর্থ:
হে অশ্বিনীকুমার! তোমরা ত্রিজগৎ (তিন লোক) পরিভ্রমণকারী ত্রিচক্র-যুক্ত রথে আরোহণ করে আমাদের কাছে সম্পদ বহন করে এনো, যেন তা উত্তম বীর পুত্র-সন্তানে পরিপূর্ণ হয়। হে আমার ডাক শোনা উভয় দেব! আমি তোমাদের কাছে আমাদের রক্ষার জন্য আহ্বান করছি। যুদ্ধে জয় ও অশ্ব-ধন অর্জনে আমাদের শক্তিবৃদ্ধির সহায়ক হয়ো।
1 month ago | [YT] | 8
View 0 replies
Vedic Jivan
হে ভগবান ইন্দ্র আমাদের রক্ষা করো
সাহস দাও প্রভু, আমরা যেন আমাদের সকল দুর্বলতা ত্যাগ করে শক্তিশালী হতে পারি।
1 month ago | [YT] | 6
View 0 replies
Vedic Jivan
Boycott Giva
#BoycottGiva
#boycott_giva
1 month ago | [YT] | 2
View 0 replies
Vedic Jivan
2 months ago | [YT] | 6
View 0 replies
Vedic Jivan
আজ আরেকবার গর্বের মুহূর্ত।
হাজার হাজার বছরের ইতিহাসের স্বীকৃতি।
পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া সম্পদ।
২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস।
4 months ago | [YT] | 6
View 1 reply
Vedic Jivan
শ্রী কৃষ্ণ ঈশ্বর নাকি নয় । কমেন্ট করুন
8 months ago | [YT] | 13
View 9 replies
Vedic Jivan
হিন্দু সমাজের অধঃপতনের সূচনা ঘটেছিল ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে, যখন চতুর্বর্ণের প্রত্যেক শ্রেণি তাদের নির্ধারিত ধর্ম ও কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছিল।
যখন ব্রাহ্মণগণ জ্ঞান-অধ্যয়ন, অধ্যাপনা ও আধ্যাত্মিক নেতৃত্বের পবিত্র দায়িত্ব পরিত্যাগ করে স্বার্থান্ধতা ও অলসতায় নিমজ্জিত হয়েছিলেন,
যখন ক্ষত্রিয়গণ ব্রাহ্মণের নির্দেশ ও ধর্মের আদর্শ অনুসরণ করে রাজ্যশাসন ও প্রজারক্ষার পরিবর্তে নিজেদের ক্ষমতা ও স্বার্থসিদ্ধির পথে অগ্রসর হয়েছিলেন,
যখন বৈশ্যগণ ক্ষত্রিয়-শাসিত ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থাকে অস্বীকার করে অনৈতিক উপায়ে, প্রতারণা ও লোভের মাধ্যমে ধন-সঞ্চয়ে লিপ্ত হয়েছিলেন,
আর যখন শূদ্রগণ দ্বিজাতিদের (ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য) প্রতি শ্রদ্ধা, সেবা ও সম্মানের ভাব ত্যাগ করে তাদের অস্তিত্ব ও মর্যাদাকে অস্বীকার করতে শুরু করেছিলেন।
এই চারটি স্তম্ভ যখন একযোগে নিজ নিজ কর্তব্য থেকে বিমুখ হয়ে পড়ল, তখনই সমাজের মূল ভিত্তি দুর্বল হয়ে গেল এবং হিন্দু সমাজের ক্রমিক পতনের পথ প্রশস্ত হল।
©Akash chandero devnath
জয় আর্যবর্ত,জয় শ্রী রাম।
8 months ago | [YT] | 14
View 2 replies
Vedic Jivan
like
8 months ago | [YT] | 20
View 2 replies
Vedic Jivan
নারী মর্যাদা সর্বোপরি
কিন্তু কোন নারী ⁉️
"নারী" - এই শব্দের মধ্যে রয়েছে মর্যাদা, প্রেম ও করুণা। পৃথিবীতে নারীকে নিয়ে রচিত হয়েছে কাব্য, উপন্যাস কিংবা ধর্মশাস্ত্রে ভূষিত করা হয়েছে অজস্র সম্ভাষণে। কখনো অর্ধনারীশ্বর রুপে ঈশ্বরকে কল্পনা করা হয়েছে, কখনো জ্ঞানী স্বরুপা রুপে সম্বোধন করা হয়েছে। ফলস্বরূপ, এই মনুষ্য সভ্যতায় নারীকে মাতৃরূপে ঈশ্বরের পরের স্থান দেওয়া হয়েছে। নারী সে মর্যাদা ও সম্মান প্রাপ্তির যোগ্য এই ধারণাকে লালন করে এমন উপদেশ শাস্ত্রে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু নারীমাত্রই কি এই মর্যাদায় ভূষিত হওয়ার যোগ্য ⁉️
হ্যাঁ! যোগ্যতার প্রশ্ন অবশ্যই আছে। কারণ, যোগ্যতা ব্যতীত কেউ এই পৃথিবীতে সম্মান, মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের আসনে আসীন হতে পারে নাহ। নারী এই মনুষ্য সভ্যতায় সম্মান, মর্যাদার অনন্য আসনে স্থান লাভ করেছে। নিশ্চিতভাবে সে সম্মান যোগ্যতার পরাকাষ্ঠায় হওয়া উচিত। যে নারী যোগ্য, সে নারী মর্যাদা ও সম্মান প্রাপ্তি আবশ্যক। মানবসভ্যতার অনন্য ইতিহাস গ্রন্থে এই বিষয় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে,
স্ত্রিয়ঃ সাধ্ব্যো মহাভাগাঃ সম্মতা লোকমাতরঃ।
ধারয়ন্তি মহীং রাজন্নিমাং সবনকাননাম্॥
[মহাভারত, অনুশাসন পর্ব ৪৩/২০]
অর্থাৎ, রাজন ! যদি স্ত্রীগণ সাধ্বী এবং পতিব্রতা হয় তো মহান সৌভাগ্যশালী হয়ে থাকে। সংসারে তাঁদের সৎকার হয় এবং তাঁদের সম্পূর্ণ জগতের মাতা মান্য করা হয়। এতটুকুই নয়, তাঁরা নিজেদের পতিব্রতার প্রভাবে বন এবং বাগিচা সহিত এই সম্পূর্ণ পৃথিবীকে ধারণ করে।
নারীর এই মর্যাদা প্রাপ্তির সিংহাসন নারীর কর্তব্য ও দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আসবে। কারণ, অধিকার এর বিপরীতে কর্তব্য রয়েছে। যেখানে একজন দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তি রাজা কিংবা রাজসভায় স্থান পায় নাহ, সেখানে জগতের শ্রেষ্ঠ সম্মান যাকে প্রদর্শন করা হয় তার গুণাগুণ ধারণ করা আবশ্যক। যে এই দায়িত্ব ও কর্তব্য লালন করে নাহ, সে নিশ্চিতভাবেই মর্যাদার আসনে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে নাহ।
অসাধ্ব্যশ্চাপি দুর্বৃত্তাঃ কুলঘ্নাঃ পাপনিশ্চয়াঃ।
বিজ্ঞেয়া লক্ষণৈর্দুষ্টৈঃ স্বগাত্রসহজৈর্নৃপ॥
[মহাভারত, অনুশাসন পর্ব ৪৩/২১]
অর্থাৎ, কিন্তু দুরাচারী অসতী স্ত্রীগণ কুলের নাশকারী হয়, তাঁদের মনে সর্বদা পাপ বসবাস করে। নরেশ্বর ! সেইসব নারীদের তাঁদের দুষ্টগুণ সমূহ দ্বারাই জানা যায়।
সেজন্য, হে অমৃতের সন্তানগণ! নারী অবশ্যই পূজ্য ও মর্যাদার আসনে আসীন। কিন্তু সে আসন নারীকে লাভ করতে হবে। ফলশ্রুতিতে, নারীর সে গুণাগুণ ধারণের জন্য জাতি সর্বদা চিরনমস্য হয়ে থাকবে। ঠিক যেমন মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরামের মাতা কৌশল্যা ও স্ত্রী সীতার প্রতি জগত চিরনমস্য থাকে।
#veda #we_are_veda
8 months ago | [YT] | 16
View 0 replies
Vedic Jivan
সবাই কমেন্ট করে মতামত জানান ও like করুন।ওম
9 months ago | [YT] | 15
View 0 replies
Load more