All my life, I meet inspiring individuals, learn from them, and share the wisdom I receive from Allah with future generations to help them code a meaningful career in tech.

Currently serving as COO @ Programming Hero & Phitron


Abdur Rakib

তোমার dream workplace কোনটা?

17 hours ago | [YT] | 2

Abdur Rakib

সুযোগ পেলে তুমি কোথায় কাজ করতে চাইবে?

1 day ago | [YT] | 6

Abdur Rakib

প্রথম job-এ কোনটা বেশি important?

2 days ago | [YT] | 0

Abdur Rakib

Career বেছে নেওয়ার সময় তুমি কোনটা বেশি দেখো?

3 days ago | [YT] | 3

Abdur Rakib

Graduation-এর পর তোমার প্রথম priority কী?

4 days ago | [YT] | 5

Abdur Rakib

Career নিয়ে তোমার সবচেয়ে বড় confusion কোনটা?

6 days ago | [YT] | 2

Abdur Rakib

তুমি এখন career-এর কোন stage-এ আছো?

1 week ago | [YT] | 9

Abdur Rakib

এন্ট্রি লেভেলের চাকরি শুধু কমছে না। অনেক চাকরির কাজের ধরনটাই নতুন করে লেখা হচ্ছে।
Stanford এর সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ২২ থেকে ২৫ বছর বয়সী কর্মীদের মধ্যে যেসব পেশা এআইয়ের প্রভাবে বেশি বদলাচ্ছে, সেখানে কর্মসংস্থান তুলনামূলকভাবে কমেছে। সবচেয়ে বেশি এআই প্রভাবিত পেশায় থাকা তরুণদের কর্মসংস্থান কম প্রভাবিত পেশার তরুণদের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ পিছিয়ে আছে।
এখানে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা শুধু চাকরি কমছে কি না, সেটা না। গুরুত্বপূর্ণ হলো, যে চাকরিগুলো থাকছে সেগুলোতে প্রথম দিন থেকেই নতুনদের কাছ থেকে আগের চেয়ে বেশি কিছু আশা করা হচ্ছে।
আর এটা শুধু সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের বিষয়ও না।
আরেকটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এন্ট্রি লেভেলের মার্কেটিং, আইন, গবেষণা, ফাইন্যান্স এবং প্রশাসনিক কাজের বড় একটা অংশ এখন এআইয়ের প্রভাবে বদলাচ্ছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর চাকরির চেয়েও এসব পেশায় এআইয়ের প্রভাব বেশি।
ধরো, আগে একজন নতুন মার্কেটিং কর্মীর কাজ হতে পারতো তথ্য সংগ্রহ করা, কিছু লেখা তৈরি করা, রিপোর্ট বানানো বা প্রচারণার ধারণা বের করা। এখন এর অনেক অংশ এআই দ্রুত করে দিতে পারে।
তার মানে কি মার্কেটিংয়ের চাকরি শেষ হয়ে যাবে। না। কিন্তু একই পদের জন্য এখন হয়তো কোম্পানি এমন কাউকে চাইবে, যে এআই দিয়ে খসড়া বানাতে পারে, তথ্য যাচাই করতে পারে, গ্রাহকের সমস্যা বুঝতে পারে, ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং নিজের কাজটা পরিষ্কারভাবে বোঝাতে পারে।
এখানেই এন্ট্রি লেভেলের চাকরি নতুন করে লেখা হচ্ছে। আগে শুধু কাজটা করতে পারা যথেষ্ট ছিল। এখন একই কাজ আরও দ্রুত, আরও ভালো এবং এআইয়ের সাহায্যে করতে পারার পাশাপাশি কেন কাজটা করা হচ্ছে, সেটাও বুঝতে হবে।
তাই এখন যদি তুমি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ো বা নতুন চাকরির জন্য প্রস্তুতি নাও, শুধু একটা নির্দিষ্ট টুল শেখার দিকে তাকিয়ে থেকো না।
নিজের ক্ষেত্রটা ভালোভাবে বোঝো। এআই দিয়ে কীভাবে কাজ দ্রুত করা যায় সেটা শেখো। তথ্য যাচাই করার অভ্যাস তৈরি করো। নিজের সিদ্ধান্তের কারণ বোঝাতে শেখো। অন্য মানুষের সঙ্গে পরিষ্কারভাবে যোগাযোগ করতে শেখো। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এমন কিছু কাজ বানাও যেটা দেখে বোঝা যায় তুমি শুধু জানো না, তুমি কাজটা করতে পারো।
কারণ ভবিষ্যতে রেজুমিতে আমি এআই জানি লিখে আলাদা হওয়া কঠিন হবে। বরং কোম্পানি দেখতে চাইবে, এআই ব্যবহার করে তুমি কী ফলাফল তৈরি করতে পারো।
একজন নতুন গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তোমার কাজ তাই এআইয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা না। তোমার কাজ হলো এমন জায়গায় নিজের মূল্য তৈরি করা, যেখানে এআই তোমার কাজকে আরও শক্তিশালী করে।
চাকরির নাম হয়তো একই থাকবে। কিন্তু সেই চাকরিতে ঢোকার যোগ্যতার মানটা আগের মতো থাকবে না।
আর আমার কাছে ২০২৬ সালের নতুনদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিটা এখানেই।

3 weeks ago | [YT] | 22

Abdur Rakib

সম্প্রতি Google এর Gemini কে সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষার সময় মডেলটি ইন্টারনেটে থাকা বাস্তব প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ঢুকে পড়ে। এক জায়গায় পাসওয়ার্ড অনুমান করে প্রবেশ করেছে, আর অন্য দুই জায়গায় অনলাইনে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করে প্রবেশাধিকার পেয়েছে। Google জানিয়েছে, মডেলটি বুঝতে পারার পর যে এগুলো বাস্তব প্রতিষ্ঠান, তখন সে থেমে যায়।
আমার কাছে এখানে বড় বিষয় Gemini কত শক্তিশালী, সেটা না। বড় বিষয় হলো আমরা এআইকে এখন শুধু ভাবতে বা উত্তর দিতে দিচ্ছি না। আমরা তাকে ব্রাউজার ব্যবহার করতে দিচ্ছি, কোড চালাতে দিচ্ছি, বিভিন্ন টুল ব্যবহার করতে দিচ্ছি, তথ্যের প্রবেশাধিকার দিচ্ছি, কখনো কখনো বাস্তব সিস্টেমেও কাজ করার সুযোগ দিচ্ছি।
এই জায়গা থেকেই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের দায়িত্বও বদলাতে শুরু করবে।
আগে অনেক সময় মূল প্রশ্ন ছিল, ফিচারটা কাজ করছে কি না। এখন প্রশ্ন হবে, এআইকে কতটুকু অনুমতি দেওয়া উচিত। কোন কাজের আগে মানুষের অনুমোদন লাগবে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কোথায় রাখা হবে। ভুল বা অপ্রত্যাশিত কিছু করলে সিস্টেম কীভাবে সেটা থামাবে।
ধরো, তুমি এমন একটা এআই এজেন্ট বানালে, যেটা ইমেইল পড়তে পারে, ফাইল খুলতে পারে, ডাটাবেজ থেকে তথ্য নিতে পারে এবং অন্য কোনো সিস্টেমে কাজ করতে পারে। তখন শুধু এজেন্টটা কত দ্রুত কাজ করছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। সে ভুল করে কী কী করতে পারে, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এখানেই নিরাপত্তা আর আলাদা কোনো বিষয় থাকে না। এটা প্রোডাক্ট আর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অংশ হয়ে যায়।
আমার কাছে মনে হয়, এআইয়ের সময়ে ভালো ইঞ্জিনিয়ার মানে শুধু এমন কেউ না যে এআই দিয়ে দ্রুত কিছু বানাতে পারে। বরং এমন কেউ, যে বুঝতে পারে এআইকে কোথায় থামাতে হবে।
কারণ এআই যত বেশি কাজ করতে পারবে, ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাবও তত বেশি হবে।
তাই ভবিষ্যতে শুধু কীভাবে এআই ব্যবহার করতে হয় সেটা শেখা যথেষ্ট হবে না। কীভাবে নিরাপদভাবে ব্যবহার করতে হয়, কোথায় অনুমতি সীমিত রাখতে হয়, কোথায় মানুষের অনুমোদন দরকার, আর ভুল হলে কীভাবে সিস্টেম থামাতে হয়, এগুলোও বুঝতে হবে।
এআই যুগে নিরাপত্তা আর বাড়তি কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং জ্ঞান না। এটা ধীরে ধীরে মৌলিক দায়িত্বের অংশ হয়ে যাচ্ছে।

4 weeks ago | [YT] | 13

Abdur Rakib

অনেক সময় আমরা আসলে ব্যর্থ হই না। আমরা খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি যে এটা আমার জন্য না।
ধরো, একজন শিক্ষার্থী তিন সপ্তাহ ধরে ইংরেজিতে কথা বলার প্র্যাকটিস করলো। তেমন উন্নতি চোখে পড়লো না, তাই ছেড়ে দিলো। আরেকজন ২০টা চাকরিতে আবেদন করলো, কোনো উত্তর পেলো না, তাই ভাবলো তার দ্বারা হবে না। কেউ এক মাস লিংকডইনে নিয়মিত পোস্ট করলো, তেমন রিচ পেলো না, তাই বন্ধ করে দিলো। কেউ একটা ইন্টার্নশিপে আবেদন করে সুযোগ পেলো না, তারপর ধরে নিলো সে যথেষ্ট ভালো না।
আমার কাছে মজার বিষয় হলো, আমরা অনেক সময় ফলাফল আসার আগেই নিজের ব্যাপারে রায় দিয়ে দিই।
কিছু শেখা শুরু করলাম, কয়েক সপ্তাহ পরেও খুব ভালো হতে পারলাম না। চাকরির জন্য চেষ্টা করলাম, কোনো উত্তর পেলাম না। একটা নতুন অভ্যাস শুরু করলাম, কিন্তু পরিবর্তনটা চোখে পড়লো না। তারপর মনে হলো, হয়তো এটা আমার জন্য না।
অবশ্যই সবকিছু ধরে বসে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ না। কোনো পথ কাজ না করলে সেটা বদলাতে হবে। কিন্তু পথ বদলানোর আগে একটা প্রশ্ন করা দরকার। আমি কি যথেষ্ট সময় দিয়েছি, নাকি খুব তাড়াতাড়ি ফলাফল আশা করেছি?
এই পার্থক্যটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ অনেক উন্নতি শুরুতে চোখে দেখা যায় না। তুমি নিয়মিত পড়ছো, কিন্তু এখনো ফলাফলে খুব বড় পরিবর্তন আসেনি। তুমি কথা বলার দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করছো, কিন্তু এখনো আত্মবিশ্বাসী লাগছে না। তুমি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছো, কিন্তু এখনো ইন্টারভিউ কল আসেনি। এর মানে এই না যে কিছুই হচ্ছে না।
অনেক সময় ভেতরে ভেতরে উন্নতি হতে থাকে, কিন্তু ফলাফলটা একটু পরে দেখা যায়।
আমরা এই অপেক্ষার জায়গাটায় দুর্বল হয়ে যাই। তখন নতুন একটা পরিকল্পনা ভালো লাগে, নতুন একটা দক্ষতা ভালো লাগে, নতুন একটা ক্ষেত্র ভালো লাগে। কারণ নতুন কিছু শুরু করলে আবার মনে হয়, এবার হয়তো হবে।
কিন্তু বারবার শুরু করলে একটা সমস্যা হয়। তুমি কোনো একটা জিনিসকে এতটা সময়ই দাও না, যতটা সময় দিলে সেটার ফলাফল দেখা যেত।
তাই তুমি যদি এখন কোনো কিছু নিয়ে হতাশ হও, নিজের কাছে একটা প্রশ্ন করতে পারো। আমি কি সত্যিই ব্যর্থ হচ্ছি, নাকি ফলাফল আসার আগেই ছেড়ে দিচ্ছি?
২০টা চাকরির আবেদন অনেক মনে হতে পারে, কিন্তু হয়তো তোমার জন্য ৫০টা দরকার। এক মাস ইংরেজি প্র্যাকটিস করার পরও যদি খুব বেশি উন্নতি না দেখো, হয়তো আরও কয়েক মাস লাগবে। একটা ইন্টার্নশিপ না পেলেই এটা প্রমাণ হয় না যে তুমি যোগ্য না। হয়তো তোমার প্রস্তুতি, আবেদন করার পদ্ধতি, বা নিজের কাজ দেখানোর জায়গাটা আরও ভালো করতে হবে।
এখানে কোনো নিশ্চয়তা নেই। অনেক চেষ্টা করেও সবসময় সফল হওয়া যায় না। কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিলে তুমি কখনোই জানতে পারবে না, আর একটু সময় দিলে কী হতে পারতো।
আমার কাছে তাই লেগে থাকা মানে অন্ধভাবে একই কাজ করে যাওয়া না। বরং যথেষ্ট সময় দেওয়া, নিজের ভুল দেখা, পদ্ধতি বদলানো এবং তারপরও চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।
কোনো কিছু ছাড়ার আগে অন্তত নিশ্চিত হও, তুমি সত্যিই চেষ্টা শেষ করেছো। শুধু ধৈর্য শেষ করনি।

4 weeks ago | [YT] | 13