Probasi TV is a New York-based IPTV channel dedicated to telling the stories of Bangladeshi communities across the United States and around the world.
Founded and led by Sohel Mahmud, the channel reflects more than three decades of professional journalism. A first-generation broadcast journalist in Bangladesh, he began his career in the late 1980s. After BBC training in 2000, he worked at Ekushey Television, ATN Bangla, RTV, Channel One, and later served as Head of News at Mohona Television.
Since moving to the United States in 2015, Sohel Mahmud has been documenting the lives, achievements, challenges, and success stories of Bangladeshi immigrants while covering issues that matter most to the community.
Every person has a story worth telling.
আপনার গল্প বলি।
Contact: +1 (631) 933-5155
Email: probasitv@gmail.com
Probasi TV
1 month ago | [YT] | 21
View 0 replies
Probasi TV
এবার সারাবিশ্ব!
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত আদালত বাতিল করার কয়েক দিনের মধ্যেই এবার বিশ্বজুড়ে ব্যবস্থা নিল ট্রাম্প প্রশাসন।
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বিশ্বের সব মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটকে নির্ধারিত ইমিগ্র্যান্ট ভিসা সাক্ষাৎকার সাময়িকভাবে স্থগিত ও পুনর্নির্ধারণের নির্দেশ দেয়। যাঁদের সাক্ষাৎকার আগে থেকেই শিডিউল করা ছিল, তাঁদের জানানো হয়েছে—নতুন তারিখ ও সময় পরে জানানো হবে।
কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, কনস্যুলার কর্মকর্তাদের নতুন করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আবেদনকারী ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন কি না—অর্থাৎ ‘পাবলিক চার্জ’ হওয়ার আশঙ্কা কতটা—তা যেন তাঁরা আরও কঠোরভাবে যাচাই করতে পারেন।
এই যাচাইয়ের সময় আবেদনকারীর বয়স, স্বাস্থ্য, আর্থিক অবস্থা, শিক্ষা ও দক্ষতাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করা হবে।
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করেছে। তবে সাক্ষাৎকার কবে আবার স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে, তা এখনো জানানো হয়নি। এটি ভিসা আবেদন বাতিল নয়; নির্ধারিত সাক্ষাৎকারগুলো সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে পরে নতুন তারিখ দেওয়া হবে।
#মার্কিন_ইমিগ্রেশন #ইমিগ্র্যান্ট_ভিসা #ভিসা_সাক্ষাৎকার #ট্রাম্প_প্রশাসন #পাবলিক_চার্জ #USImmigration #ImmigrantVisa #PublicCharge #সোহেল_মাহমুদ #probasitv
1 month ago | [YT] | 40
View 2 replies
Probasi TV
৭৫ দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আটকে রাখার সিদ্ধান্ত আদালতে টিকল না
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু স্থগিত রাখার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নীতি বাতিল করে দিয়েছেন নিউইয়র্কের একজন ফেডারেল বিচারক।
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ম্যানহাটনের ইউএস ডিস্ট্রিক্ট জাজ জেনেট এ. ভার্গাস রায়টি দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, কেবল জাতীয়তার ভিত্তিতে একটি দেশের সব আবেদনকারীর ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আটকে রাখার এমন সামগ্রিক ক্ষমতা মার্কিন আইনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেওয়া হয়নি। বিচারক নীতিটিকে “patently unlawful” বা স্পষ্টতই বেআইনি বলে উল্লেখ করেন।
গত ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু স্থগিত রেখেছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। যুক্তি ছিল, এসব দেশের আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে এসে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।
আদালত বলেছে, কোনো আবেদনকারী ভবিষ্যতে “public charge” হতে পারেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত শুধু তার জাতীয়তা দেখে নেওয়া যাবে না। প্রত্যেক আবেদনকারীর পরিস্থিতি ও যোগ্যতা আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে।
রায়টির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, আদালত শুধু নীতিটিকে বেআইনি বলেননি; Administrative Procedure Act-এর অধীনে ৭৫ দেশকে ঘিরে ওই নির্দেশনা “vacate” বা বাতিল করেছেন।
এর ফলে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেও শুধু জাতীয়তার কারণে ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু বন্ধ রাখার ওই সামগ্রিক বাধা আর বহাল থাকার কথা নয়। তবে এর অর্থ এই নয় যে সবাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিসা পাবেন। প্রতিটি আবেদন আগের মতোই যোগ্যতা, “public charge” এবং অন্যান্য আইনি শর্তের ভিত্তিতে আলাদাভাবে বিবেচিত হবে।
এই সিদ্ধান্ত ট্যুরিস্ট, স্টুডেন্ট বা অন্যান্য নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। রায়টি নির্দিষ্টভাবে ৭৫ দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু স্থগিত রাখার নীতি নিয়ে।
বিষয়টির এখানেই শেষ নাও হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন Second Circuit Court of Appeals-এ আপিল করতে পারে এবং আপিল চলাকালে বিচারকের রায় স্থগিত রাখতে “stay” চাইতে পারে। Stay মঞ্জুর হলে পরিস্থিতি আবার সাময়িকভাবে বদলে যেতে পারে। মামলাটি শেষ পর্যন্ত মার্কিন সুপ্রিম কোর্টেও পৌঁছাতে পারে।
তবে আপাতত আদালতের সিদ্ধান্ত পরিষ্কার—একজন আবেদনকারীর পাসপোর্ট কোন দেশের, শুধু সেই পরিচয়ের ভিত্তিতে ৭৫ দেশের সবার ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আটকে রাখার নীতি আইনসম্মত নয়।
#USImmigration #ImmigrantVisa #USVisa #VisaNews #ImmigrationNews #FederalCourt #TrumpAdministration #Bangladesh #BangladeshiAmericans #সোহেলমাহমুদ
1 month ago | [YT] | 26
View 1 reply
Probasi TV
ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো মেট্রো এলাকার আলোচিত মনিকা হত্যা মামলায় এক বছর পর নতুন মোড় এসেছে। নিহত মনিকা ইসলামের ভাসুর শাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার অভিযোগ এনেছে তদন্তকারীরা।
২০২৫ খ্রিস্টাব্দের ২ মে মাউন্ট ডোরায় রাস্তার পাশে ৪৪ বছর বয়সী মনিকা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, এর কয়েক মাস আগে তিনি স্বামী রাশেদুল ইসলাম ও ভাসুর শাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য সহিংসতার অভিযোগ করেছিলেন।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে একটি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরে রাশেদুল ইসলাম মনিকাকে মারধর করেন। ওই ঘটনায় কিছু গয়না ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। একই সময়ে শাহিদুল ইসলাম অস্ত্র দেখিয়ে মনিকাকে ৯১১ নম্বরে ফোন না করতে হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
তদন্তকারীরা বলছেন, হত্যার দিন ভোরে শাহিদুল ইসলামের গাড়ি মনিকার কর্মস্থলের কাছে ছিল। পরে সিসিটিভি ফুটেজে মনিকাকে তার গাড়ির দিকে যেতে দেখা যায়। লাইসেন্স প্লেট রিডারের তথ্য অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর একই গাড়ি সেই এলাকায় ছিল যেখানে পরে মনিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে গাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া রক্তের নমুনাও প্রাথমিকভাবে মনিকার ডিএনএর সঙ্গে মিলেছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
হত্যাকাণ্ডের চার দিন পর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দের ৬ মে নিউ ইয়র্কে শাহিদুল ইসলামকে একটি ফেডারেল ইমিগ্রেশন ওয়ারেন্টে আটক করে ইউএস মার্শাল সার্ভিস। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর আবার দেশে প্রবেশ করেছিলেন।
তবে মামলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত। শাহিদুল ঠিক কবে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন, কবে আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছিলেন, কিংবা সেই ঘটনাগুলো হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনোভাবে সম্পর্কিত কি না—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
একইভাবে, গার্হস্থ্য সহিংসতার অভিযোগের পর রাশেদুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে গেলেও মনিকা হত্যার সময় তিনি কোথায় ছিলেন, বর্তমানে কোথায় আছেন, কিংবা এই মামলায় তাকে কোনোভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে কি না—সে বিষয়েও কর্তৃপক্ষ কোনো তথ্য দেয়নি।
লেক কাউন্টি শেরিফস অফিস জানিয়েছে, প্রায় এক বছর ফেডারেল হেফাজতে থাকার পর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের ৩১ মে শাহিদুল ইসলামকে তাদের হেফাজতে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়।
4 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
Probasi TV
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকের ঘটনা।
মিনিয়াপোলিস ডাউনটাউনে। অভিবাসী ধরপাকড়ের জন্য মোতায়েন করা ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) সদস্যরা রাস্তায় একটি গাড়িকে থামায়। একপর্যায়ে একজন সদস্য গাড়ির চালককে নীচে নামিয়ে আনতে চেষ্টা চালায়। এ ঘটনা নিয়ে ধারণ করা একটা ভিডিয়োতে দেখা যায়, আইস সদস্যের চেষ্টার মধ্যে গাড়িটি ক্রমশ ডানমুখী হয়ে খুব ধীরলয়ে সামনে এগুতে থাকে। গতি বাড়ার একপর্যায়ে অন্য আরেকজন আইন সদস্য খুব কাছ থেকে গাড়ির চালককে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। অন্তত দু'টি গুলি লাগে রিনি নিকোল গুডের মাথায়।
রিনির মৃত্যু নিয়ে বুধবার দিনভর বিতর্ক চলেছে। বিক্ষোভ হয়েছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান ক্রিস্টি নোয়েমের দাবি, গুলি চালানো হয়েছে আত্মরক্ষার জন্য। তিনি রিনির কর্মকাণ্ডকে অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদ বলে উল্লেখ করেছেন। রিনি স্থানীয় বাসিন্দা। বয়স ৩৭ বছর। এক সন্তানের মা। বিধবা। তাকে গুলি করার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া স্থানীয় রাজনীতিকদের মধ্যে। এ ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলছেন আইস-অভিযানবিরোধী বিভিন্ন পক্ষ।
মিনেসোটা স্টেটের গভর্নর টিম ওয়ালজ একজন ডেমোক্র্যাট। মিনিয়াপোলিস সিটির মেয়র জ্যাকব ফ্রেইও একই দলের। মেয়র এ ঘটনাকে ক্ষমতার উন্মত্ত প্রয়োগ বলে মন্তব্য করেছেন। এ মৃত্যুকে ঘিরে অপপ্রচার চলছে ইঙ্গিত করে গভর্নর জনগণকে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা বিশ্বাস না করার আহবান জানান। মানুষের ক্ষোভে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে সেটি সামাল দিতে তিনি ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন।
সিটির পুলিশ প্রধান ব্রায়ান ও'হারা বলেছেন, নিরস্ত্র গাড়িচালক লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনা উদ্বেগজনক।
মিনিয়াপোলিসের যেখানে রিনিকে গুলি করা হয় এর মাইলখানেক দূরে ২০২০ খৃস্টাব্দের ২৫ মে পুলিশের হাঁটুচাপায় মারা যায় জর্জ ফ্লয়েড নামে এক ব্যক্তি। ২০ ডলারের নকল মুদ্রা ব্যবহার করে মুদি দোকান থেকে সদাই কিনতে চাওয়ার অভিযোগে আটক হয়েছিলেন ফ্লয়েড। তখনই, পুলিশ অফিসার ডেরেক শোভেন তাকে মাটিতে ফেলে ৯ মিনিট ২৯ সেকেন্ড তার ঘাড়ে হাঁটুচাপা দিয়ে রাখেন।
'I can't breath' ছিলো ফ্লয়েডের আর্তি। তার মৃত্যুর পর আমেরিকাজুড়ে যে বিক্ষোভ, বলা হয়, ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ড ছিলো সেবার নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হারার অন্যতম কারণ। মিনেসোটা থেকে শুরু হয়েছিলো সেই বিক্ষোভ। ছড়িয়েছিলো সারাবিশ্বে।
পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেকের বিরুদ্ধে জর্জ ফ্লয়েড খুনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তিনি এখন সাজা ভোগ করছেন, খুনের জন্য ২২ বছর ৬ মাসের। ফ্লয়েডের নাগরিক অধিকার খর্ব করার জন্য ২১ বছরের। আরো মামলা আছে তার বিরুদ্ধে, কর ফাঁকির।
রিনির মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করছে এফবিআই এবং মিনিসোটা ব্যুরো অব ক্রিমিনাল অ্যাপ্রিহেনশন।
#reneenicolegood #minneapolis #ice
9 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Probasi TV
ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকে আরো বেশি ইনকাম কীভাবে করবেন সে বিষয়ে জানতে চান?
তাহলে এই আলোচনা আপনার জন্য নয়। যারা মানসম্পন্ন একজন ডিজিটাল ক্রিয়েটর হতে চান, শুধু তাদের জন্য ১০ ঘন্টার এই 'বেসিকস' সেশন।
এক ঘন্টার আলোচনা, প্রতি সেশনে।
ভিডিয়ো কীভাবে করবেন, সম্পাদনা কীভাবে করবেন, স্ক্রিপ্ট লেখার কৌশল কী, একটা স্থির ও চলৎ-চিত্রে টেক্সট বসানোর নিয়ম কী - এমন আরো নানা খুঁটিনাটি বিষয়ে প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি। যুমের মাধ্যমে।
নিউ ইয়র্ক সময় রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সেশন (পরিবর্তন-অযোগ্য নয়)। যুমে। ১০ দিন। যোগ দিতে চাইলে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আপনার আগ্রহ জানাতে পারেন (৭১৮) ৯০৯-৮৫৭৭ নম্বরে টেক্সট পাঠিয়ে। অথবা, আমাদের ইনবক্স করতে পারেন। ইমেইল করতে পারেন probasitv@gmail.com ঠিকানায়।
১০ ঘন্টার এ আয়োজনে রেজিষ্ট্রেশন ফি ১০০ মার্কিন ডলার মাত্র। প্রতি সেশনে মাত্র ১০ জন অংশ নিতে পারবেন।
এটি কোনও পাঠদান কর্মসূচি নয়। বাণিজ্যিক কার্যক্রমও নয়। আপনার কর্মকাণ্ডকে আরো নিখুঁত করে তোলা, আপনার আত্মবিশ্বাসকে আরো জীবন্ত করার প্রয়াস মাত্র।
ভেজালের ভীড়ে ময়ূর হোন। ময়ূর চেনান।
9 months ago | [YT] | 6
View 0 replies
Probasi TV
যোহরান মামদানির অধীনে নিউ ইয়র্ক সিটিতে ইহুদি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা কেমন হবে। প্রশ্ন ছিলো এমন। তেল আবিবে সফররত এরিক অ্যাডামস বিভক্ত ইহুদি নিউ ইয়র্কারদের ভরসার কথা শোনালেন না। তিনি বললেন, 'আমি যদি ইহুদি নিউ ইয়র্কার হতাম, তাহলে নিজের সন্তানদের জন্য আমি উদ্বিগ্ন হতাম'। তিনি যোগ করেন, 'উদ্বিগ্ন হবার কিছু একটা আছে'।
একই গোছের আরেকটি প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, 'জনগোষ্ঠীর অবশ্যই নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে'। কারণ, 'সবকিছু ঠিকঠাক নেই'। খবর দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের।
দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে যোহরান মামদানির কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবেন অ্যাডামস। ডেমোক্র্যাট হয়েও নিজ দল থেকে নির্বাচিত মেয়রের বিরুদ্ধে তার এমন অবস্থান ব্যক্তিগত, নীতিগত না সত্যাশ্রয়ী- এ নিয়ে হয়তো আরেকটা বিতর্ক শুরু হবে। ধারণা করা হচ্ছে, যোহরানের বিরুদ্ধে অবস্থানকে পরিষ্কার এবং শক্ত করে নিউ ইয়র্ক সিটিতে বসবাসরত ইহুদিদের একটি অংশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার করতে চান বিদায়ী অ্যাডামস।
যোহরান মামদানিকে ঘিরে ইহুদি নিউ ইয়র্কারদের মধ্যে দু'টি ধারা তৈরি হয়েছে। সিটি কম্পট্রোলার ব্র্যাড লেন্ডারসহ উদারপন্থী ইহুদি নেতাদের কল্যাণে যোহরানের পক্ষে কাজ করে ইহুদিদের একটা অংশ। ফিলিস্তিনে আগ্রাসন ও আক্রমণ বন্ধের আন্দোলনে দীর্ঘদিন থেকে সরব যোহরান। ফিলিস্তিনে গণহত্যার দায়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের যে হুলিয়া, যেটি নিউ ইয়র্ক সিটিতে সক্রিয় রাখার এবং নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের যে ঘোষণা যোহরান ইতিমধ্যে দিয়ে রেখেছেন, সেটিকে কেন্দ্র করেও ইহুদি জনগোষ্ঠীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে। এর ওপর, যোহরানের মুসলিম পরিচয়। সব কিছু মিলে নিউ ইয়র্ক সিটির রাজনীতিতে পানি ঘোলা করে মাছ শিকারের চেষ্টা।
দেখা যাক, এই পানি কতোদিন ঘোলা থাকে।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে এরিক অ্যাডামসের ইসরায়েলে এটি দ্বিতীয় সফর। তিনি সেখানে বিভিন্ন সভা আর সংবর্ধনায় যোগ দিচ্ছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার দেখা হবে কিনা নিশ্চিত নয়।
10 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
Probasi TV
'আশ্রয় বাতিলের ঘট্না বিরল'
ওহাইও || সপ্তাহ কেটে গেছে, সিনিসিনাটির ক্লিফটন মসজিদের মুসল্লিদের অনেকেরই ঘোর কাটছে না। তার মতো একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ আটক হয়ে কারাগারে, তারা বিশ্বাসই করতে পারছেন না।
ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইস অফিসারের কাছে পূর্ব নির্ধারিত হাজিরা দিতে গিয়ে আর ফেরেন নি আয়মান সোলিমান। ৯ জুলাই তাকে আটক করা হয়।
কেনো আটক হলেন এই ধর্মীয় নেতা?
সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন, রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা এই মিশরীয় তার আবেদনের সময় যে দলিলাদি জমা দিয়েছিলেন সেগুলো নিয়ে বিপত্তি থেকে তাকে আটকের ঘটনা ঘটেছে। মিশরের নামকরা একটা দাতব্য প্রতিষ্ঠান "আল-গামিয়া আল-শারিয়া"র সঙ্গে যুক্ত থেকে সোলিমান "মুসলিম ব্রাদারহুড" নামে সংগঠনকে "গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা" দিয়েছিলেন। এই মুসলিম ব্রাদারহুড যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী সংগঠন তালিকায় তৃতীয় স্তরে তালিকাভুক্ত।
এই "তৃতীয় স্তর" শ্রেণিবিন্যাসে যে সংগঠনগুলোর অবস্থান, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে সেগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলেনি। তবে, একজন এসাইলাম অফিসার চাইলে নিজে থেকে এ সংগঠনকে সন্ত্রাসী কিনা সিদ্ধান্ত দিতে পারেন। সোলিমান পড়ে গেছেন সেই প্যাঁচে।
২০১৪ খৃস্টাব্দে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন তিনি। সিনসিনাট্টি শিশু হাসপাতালে ধর্মীয় শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করা সোলিমানের আশ্রয় আবেদন মঞ্জুর হয় ২০১৮ খৃস্টাব্দে। মিশরে তিনি ছিলেন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক। হোসনি মোবারকের বিরুদ্ধে আন্দোলন, তাকে উৎখাত, এরপর মুরসির ক্ষমতায় আসা, আবার সেনা শাসনে দেশটির ফিরে যাওয়া - এর সবকিছুতে তিনি পেশাদার ছিলেন একটা স্প্যানিশ আউটলেটের জন্য।
অরেগন ও শিকাগোতে ছিলেন সোলিমান। গত ডিসেম্বরে তিনি জানতে পারেন তার আশ্রয় আবেদন বাতিল হচ্ছে। আইনজীবির মাধ্যমে তিনি ২২ জুলাই ইমিগ্রেশন আদালতের শুনানির তারিখ পান। অনলাইনে শুনানি। সোলিমানের আইনজীবী জানান, এর মধ্যে তার মামলা আইসের ধরপাকড়ের তালিকায় ওঠে। বাতিল করা হয় তার রাজনৈতিক আশ্রয় সুবিধা। তাকে সন্ত্রাসী হিসেবে সন্দেহভাজন তালিকায় তোলা হয়েছিলো বাইডেন সরকারের সময়। সোলিমানের আইনজীবী গত ডিসেম্বরেই সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।
একজন আশ্রয়প্রার্থীর মর্যাদা তখনই কেড়ে নেয়া হয় যখন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হন যে তিনি আর এ মর্যাদায় নেই, অথবা, তিনি মারাত্মক কোনো অপরাধে জড়িয়ে সাজাপ্রাপ্ত হন, অথবা তিনি নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বিবেচিত হন, অথবা আরো সুনির্দিষ্ট কিছু কারণে। এই বিচেবনায়, সোলিমানের সঙ্গে যা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে খুব সেটা খুব স্বভাবিক নয় - মনে করেন আইনজীবি জুলিয়া হিলি, সোলিমানকে আইনী সহায়তাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান 'ল অফিস অব নাজলি মামদোভা'র একজন আইনজীবী তিনি । তার মতে, আশ্রয় বাতিল খুব বিরল ঘটনা।
সোলিমানের বেলায় এমন হলো কেনো?
কীভাবে "টেরর ওয়াচলিস্ট" এ তার নাম যুক্ত হলো?
অরেগনে থাকাবস্থায় একটা চাকরি আবেদন করতে গিয়ে নিজের ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের সময় 'সিকিউরিটি ফ্ল্যাগ' দেখে এর কারণ জানতে চেয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন তিনি। তার আইনজীবি মনে করেন, সরকারের প্রতিশোধ আর সেটার পরিণতিতে এ আশ্রয় বাতিল হয়েছে।
সোলিমানের ভাগ্য জানা যাবে ২৩ জুলাই। সেদিন তার বন্ড শুনানি। এর মধ্যে তার মুক্তির দাবিতে সমাবেশ হয়েছে। শহরের সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় তিনি সিক্ত। গ্রেটার সিনসিনাটির ইহুদী ধর্মগুরুরা তাকে সমর্থন জানিয়েছেন। ওহাইওতে শ' শ' মানুষের সমাবেশ হয়েছে।
এদিকে আইসের সদস্যরা ঘরে ঘরে গিয়ে খোঁজ নিতে শুরু করেছে সোলিমান সম্পর্কে। সিনসিনাটির সবচেয়ে পুরনো ক্লিফটন মসজিদের সহস্রাধিক মুসল্লির বিশ্বাস, ইমাম ফিরে আসবেন। তিনি ফিরে আসবেনই। কারণ তিনি 'রিয়েল'।
1 year ago | [YT] | 23
View 0 replies
Probasi TV
অভিবাসী ধরপাকড়ে আগ্রাসী ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড়ো ধাক্কা। ওয়াশিংটন স্টেটে ফেডারেল বিচারকের নতুন রায়।
ক্ষমতায় বসেই দক্ষিণ স্থল সীমান্ত দিয়ে আশ্রয়প্রার্থনার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তির যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলছে আদালত। (আজ) বুধবার ওয়াশিংটনের ফেডারেল বিচারক র্যানডল্ফ মস ১৩ জন আশ্রয়প্রার্থীর আবেদনে পক্ষে দেয়া রায়ে বলেন, 'সংবিধান বা অভিবাসন আইনের কোনও কিছুই ট্রাম্পসহ ফেডারেল সরকারকে বিকল্প অভিবাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুমতি দেয় না।'
সুপ্রিম কোর্ট গত শুক্রবার এ রায়ে বলেছিলো, প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালত জাতীয় পর্যায়ে কোনও নিষেধাজ্ঞা দিতে পারবে না। প্রেসিডেন্টের শিবির সেই রায়কে নিজেদের বিরাট বিজয় বলে রীতিমতো উৎসবে মেতেছিলো। আজকের রায়ের পর হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিচারক মস একজন মার্কসবাদী।
1 year ago | [YT] | 19
View 0 replies
Probasi TV
No Face থেকে A Heroতে পরিণত হয়েছেন যোহরান মামদানি। মার্কিন রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত নাম গুজরাটি বাবা আর পাঞ্জাবি মায়ের ঘরে উগান্ডায় জন্ম নেয়া যোহরান মামদানি।
২৪ জুনের নিউ ইয়র্ক সিটি প্রাইমারিতে জয় পেয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ্য আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন ২০১৮ খৃস্টাব্দে মার্কিন নাগরিক হওয়া যোহরান। মূলত, অভিবাসী হওয়ার কারণে তার ওপর প্রেসিডেন্টের ক্ষোভ প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ওপর আছে যোহরানের রাজনৈতিক বিশ্বাস। তিনি ডেমোক্র্যাটদের সমাজতন্ত্রী ঘরানার রাজনীতিকে অনূসরণ করেন। এরই মধ্যে নিউ ইয়র্ক স্টেট এসেম্বলিতে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন কুইন্সের এস্টোরিয়া ও লং আইল্যান্ড সিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে। ২০২১ খৃস্টাব্দে। এখনো সেই পদে আছেন তিনি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক এক আলোচনায় ঘোষণা দেন, যোহরান মামদানি যদি ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট অভিযানকে অমান্য করেন, তাহলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। একটি নতুন অভিবাসী ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শনে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানে একজন সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে প্রাইমারি নির্বাচনে বিজয়ী বক্তৃতায় মামদানি বলেছিলেন যে, তিনি মুখোশধারী আইস এজেন্টদের তার প্রতিবেশীদের নির্বাসন থেকে বিরত রাখবেন, এক্ষেত্রে তার প্রতি আপনার বার্তা কী? জবাবে ট্রাম্প উত্তর দেন, "ঠিক আছে, তাহলে আমাদের তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।"
প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, "দেখুন, আমাদের এই দেশে কোনও কমিউনিস্টের প্রয়োজন নেই, তবে যদি আমাদের একজন থাকে, তাহলে আমি জাতির পক্ষ থেকে তার ওপর খুব সাবধানে নজর রাখব"। যোহরান বেআইনী পন্থায় আমেরিকায় অবস্থ্যন করছে এমন একটি গুজবেও কান দেন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, "অনেক মানুষ বলছে যে সে এখানে অবৈধভাবে আছে। আমরা সবকিছু খতিয়ে দেখবো। আদর্শভাবে, সে একজন কমিউনিস্টের চেয়ে অনেক কম হতে চলেছে। কিন্তু এখন সে একজন কমিউনিস্ট। এটা সমাজতন্ত্র নয়।"
উগান্ডায় জন্মগ্রহণকারী, মামদানি ৭ বছর বয়স থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবশেষ আক্রমণের জবাবে যোহরান এক বিবৃতিতে জানান, প্রেসিডেন্টের বক্তব্য মার্কিন গণতন্ত্রের জব্য
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মামদানি তার মন্তব্যকে "ভীতি প্রদর্শন" বলে অভিহিত করেছেন। "তার বক্তব্য কেবল আমাদের গণতন্ত্রের উপর আক্রমণের প্রতিনিধিত্ব করে না বরং প্রতিটি নিউ ইয়র্কবাসীকে যারা ছায়ার আড়ালে লুকাতে অস্বীকৃতি জানায়, তাদের কাছে একটি বার্তা পাঠানোর প্রচেষ্টা: যদি আপনি কথা বলেন, তাহলে তারা আপনার জন্য আসবে। আমরা এই ভয় দেখানো মেনে নেব না," মামদানি বলেন।
1 year ago | [YT] | 16
View 0 replies
Load more